শঙ্কা ছিল রাজত্ব হারানোর। যে রাজত্বে তাঁর অভিষেক সপ্তাহ দুয়েক আগে। সমীকরণটা ছিল সরল। এটিপি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে এটিপি ট্যুর ফাইনালসের ফাইনালে জিততেই হতো অ্যান্ডি মারেকে। হারলেই রাজত্ব ফিরে পেতেন নোভাক জোকোভিচ।

শঙ্কা ছিল রাজত্ব হারানোর। যে রাজত্বে তাঁর অভিষেক সপ্তাহ দুয়েক আগে। সমীকরণটা ছিল সরল। এটিপি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে এটিপি ট্যুর ফাইনালসের ফাইনালে জিততেই হতো অ্যান্ডি মারেকে। হারলেই রাজত্ব ফিরে পেতেন নোভাক জোকোভিচ।

পরশু লন্ডনের ও-টু অ্যারেনায় সব শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েই ফাইনালটা জিতলেন মারে। ব্রিটিশ টেনিস তারকা একরকম উড়িয়েই দিলেন সার্বিয়ার নোভাক জোকোভিচকে (৬-৩, ৬-৪)। মারের এটাই প্রথম ট্যুর ফাইনালস শিরোপা। এই জয়ে বছর শেষের র‍্যাঙ্কিংয়েও শীর্ষে থাকা নিশ্চিত হলো তাঁর। ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যান্ডি রডিকের পর ফেদেরার, নাদাল, জোকোভিচত্রয়ীর বাইরে অন্য কেউ এক নম্বর হিসেবে বছর শেষ করছেন।


বছরজুড়ে ধারাবাহিক থাকারই পুরস্কার পেলেন মারে। ১৯৭৪ সালের পর সবচেয়ে বেশি বয়সে প্রথমবারের মতো র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠা মারে ক্যারিয়ারের উত্তুঙ্গ সময়টা পার করলেন এবারই। এবার চারটি গ্র্যান্ড স্লামের তিনটিরই ফাইনালে উঠেছেন। উইম্বলডনের পর সোনা জিতেছেন অলিম্পিকের এককে।


সাফল্যে মোড়ানো একটি বছর কাটানো মারে অবশ্য মনে করছেন ক্যারিয়ারের সেরা সময়টা এখনো সামনে পড়ে আছে। টানা ২৪টি ম্যাচ জেতা ২৯ বছর বয়সী মারে তা বলতেই পারেন, ‘সারা জীবন তো আর খেলব না তাই আগামী কয়েক বছরে চেষ্টা করব যতটা পারি সাফল্য ঘরে তুলতে। আমি চাই, সামনের কয়েকটা বছর আমার ক্যারিয়ারের সেরা সময় হোক। তবে কাজটা কঠিন হবে।’

Post A Comment: