নিয়মিত শেভ করলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে শেভের সময় যদি ছোটখাটো কিছু দিক মাথায় রাখা যায়, তাহলে ত্বক থাকে ভালো। বিশেষ করে শেভের পর আফটার শেভ লোশন ব্যবহারের বিষয়ে থাকা চাই সতর্ক।




নিয়মিত শেভ করলে ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে শেভের সময় যদি ছোটখাটো কিছু দিক মাথায় রাখা যায়, তাহলে ত্বক থাকে ভালো। বিশেষ করে শেভের পর আফটার শেভ লোশন ব্যবহারের বিষয়ে থাকা চাই সতর্ক।


আফটার শেভ লোশন, জেল বা ক্রিম নানা ধরনের সমস্যা থেকে মুখের ত্বক রক্ষা করবে। শেভের পরে আফটার শেভ লোশন ব্যবহার করা খুবই জরুরি। কারণ, এটা অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। তবে আফটার শেভের পর ত্বকে ক্রিম ব্যবহার করা আরও জরুরি। তাহলে ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ঠিক থাকবে।


শীতের সময়ে ত্বকে ক্রিমের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি। কেননা ঠান্ডা আবহাওয়াতে ত্বক এমনিতেই শুষ্ক হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে বাসায় শেভ করার পক্ষে বেশি জোর দিলেন আফজালুল করিম।সাধারণত সেলুনে একই উপকরণ দিয়ে অনেকে শেভ করেন। যদি শেভের পর মুখে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়, তাহলে সেটা একজনের জন্য নির্দিষ্ট থাকা উচিত। একই ফিটকিরি অনেকের মুখে ব্যবহার করলে কনটাক্ট অ্যালার্জি বা ছুলি হতে পারে। সেলুনে যদি এইচআইভি পজিটিভে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি শেভ করতে গিয়ে চামড়া কেটে রক্ত বের হয়, এরপর আবার সেই ব্লেড বা ক্ষুর দিয়ে আরেকজনের শেভ করা হয় তবে ওই ব্যক্তিরও ওই রোগ হতে পারে।


শেভের ব্যাপারে পরামর্শ
প্রত্যেকের শেভের উপকরণ আলাদা থাকা উচিত। বাইরে শেভ করলে অবশ্যই ভালো মানের সেলুনে যাওয়া উচিত। যেখানে প্রতিবার শেভের জন্য নতুন ব্লেড, ভালো মানের লোশন বা ক্রিমসহ জীবাণুনাশক উপকরণ থাকে।


ঠিকঠাক শেভিং

শুরুতেই কুসুম গরম পানি দিয়ে সম্পূর্ণ মুখ ভিজিয়ে নিন। তাহলে লোমকূপ ও ত্বক নরম হবে। দাড়ি-গোঁফ বেশি মোটা ও ঘন হলে হাতে অল্প কন্ডিশনার নিয়ে মুখে ঘষে নিন। এবার ত্বক ভালো রাখার সব ধরনের উপাদান আছে এমন একটি শেভিং ক্রিম, ফোম বা জেল বেছে নিন। ভেজানো ব্রাশ দিয়ে ভালোমতো ফোমটা মুখে লাগান। শেভিং ব্লেড পুরোপুরি ধারালো কি না নিশ্চিত করে নিন। ব্লেড বা রেজর মুখে ব্যবহারের আগে ভালো করে গরম পানি বা জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে নিন। এবার যত দূর সম্ভব ছোট ছোট স্ট্রোকে রেজর টানুন। উল্টো দিকে রেজর না টানাই ভালো। এতে ত্বকে সমস্যা দেখা দিতে পারে।


শেভ শেষ হলে ঠান্ডা পানি দিয়ে পুরো মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর ফিটকিরির টুকরো ভালো করে মুখে ঘষে নিন। এতে মুখের জীবাণু কাটাতে সাহায্য করবে। ফিটকিরির বদলে মুখে আফটার শেভ হিসেবে ভালো মানের তরল, বাম, স্যাভলন, লোশন ইত্যাদি যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারেন।
এবার একটু পরিষ্কার তুলায় ভালো মানের টোনার মেখে মুখ ও গলার ওপরের অংশে ভালো করে মুছে নিন। আফটার শেভ ব্যবহারের পর মুখে টান টান ভাব দেখা দেয়। এই শুষ্কতা কাটাতে মুখে ক্রিম ব্যবহার করার জন্য বিশেষভাবে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।


তবে আফটার শেভ লোশন ব্যবহারের সময় সেটা অ্যালকোহলমুক্ত ও ময়েশ্চারসমৃদ্ধ কি না, দেখে নিলে ত্বকে বাড়তি যত্ন কম লাগবে। এ সময় শেভের পর আফটার শেভ বাম ব্যবহার করা ভালো।

Post A Comment: