অগ্নিকাণ্ড নিয়ে মোটামুটি লঙ্কাকাণ্ড বাধালেও মার্কিন ভোক্তারা বলছেন, এখনো স্যামসাং স্মার্টফোনে তাঁরা আগের মতোই আস্থা রাখেন। অর্থাৎ স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭ নিয়ে অনেক দুর্ঘটনার কথা শোনা গেলেও তা প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড ভ্যালুতে আঘাত করেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের করা এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।



অগ্নিকাণ্ড নিয়ে মোটামুটি লঙ্কাকাণ্ড বাধালেও মার্কিন ভোক্তারা বলছেন, এখনো স্যামসাং স্মার্টফোনে তাঁরা আগের মতোই আস্থা রাখেন। অর্থাৎ স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৭ নিয়ে অনেক দুর্ঘটনার কথা শোনা গেলেও তা প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড ভ্যালুতে আঘাত করেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের করা এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।


গত ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত শুধু মার্কিন ভোক্তাদের ওপর জরিপ চালায় রয়টার্স। অনলাইনে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যেই জরিপটি চালানো হয়। এদের মধ্যে স্যামসাং ফোন ব্যবহার করেন এমন ২ হাজার ৩৭৫ জন এবং আইফোন ব্যবহার করেন এমন ৩ হাজার ১৫৮ জন জরিপে অংশ নেন।


রোববার প্রকাশিত সে জরিপের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বর্তমান স্যামসাং মুঠোফোন ব্যবহারকারীরা ব্র্যান্ডের প্রতি ঠিক ততটাই অনুগত, যেমনটা আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপল ব্র্যান্ডের প্রতি। আগুন ধরা এবং নোট ৭ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনা তাঁদের ব্র্যান্ডের ভাবমূর্তিতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেনি। তবে বিনিয়োগকারীদের ধারণা ছিল, স্যামসাং গ্রাহকেরা হয়তো বিকল্প কিছু, বিশেষ করে আইফোন ৭-এ আকৃষ্ট হবেন।


জরিপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নোট ৭ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনা যাঁরা জানেন, তাঁদের ২৭ শতাংশ বিকল্প ফোন হিসেবে স্যামসাং ফোন বেছে নেবেন। আর যাঁরা তা জানতেন না, তাঁদের ২৫ শতাংশ পরবর্তী ফোন হিসেবে স্যামসাং পণ্যের খোঁজই করবেন। এই হিসাবটা তাঁদের, যাঁরা বর্তমানে স্যামসাং ফোন ব্যবহার করেন না। আর যাঁরা বর্তমানে স্যামসাং মুঠোফোন ব্যবহারকারী, তাঁদের ৯১ শতাংশ নতুন ফোন হিসেবে স্যামসাং মুঠোফোনকেই বেছে নেবেন।


ব্র্যান্ডের প্রতি একই ধরনের আনুগত্য দেখা গেছে আইফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে। বর্তমান আইফোন ব্যবহারকারীর ৯২ শতাংশ পরবর্তী স্মার্টফোন হিসেবে আইফোনই বেছে নেবেন। আর ৮৯ শতাংশ অন্য কোনো অ্যাপল পণ্য কিনবেন বলে জানিয়েছেন।


তবে রয়টার্সের এ প্রতিবেদনে এটা পরিষ্কার না যে নোট ৭ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় গ্রাহকের মনে তা ঠিক কতটা প্রভাব ফেলেছে।


স্যামসাংয়ের ৪ নভেম্বরের বক্তব্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৮৫ শতাংশ নোট ৭ ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এখন বলছে, তারা গ্রাহক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আগুন ধরার ঘটনার মূল কারণ খুঁজে বের করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

Post A Comment: