বয়স মাত্র ১৫। ত্বক এই বয়সে এমনিতেই ভালো থাকে। বাড়িতে টুকটাক যত্ন নিলেই তো হয়। পারলার তো বড়দের জন্য। ফেসিয়াল তো আবার একটু বেশি সময় দেওয়ার বিষয়। এ বয়সটাতে দৌড়ঝাঁপের সীমা থাকে না। মাঠে বনে-বাদাড়ে নয়। স্কুল থেকে টিউশন, সেখান থেকে বাড়ি। এর মাঝেই কখনো কখনো থাকে বন্ধুদের আড্ডা। চেহারায় হয়তো খুব একটা ছাপ পড়ে না। ভেতরে-ভেতরে কিন্তু ঠিকই ময়লা জমতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সেও দরকার ফেসিয়াল। তবে তা নিয়ম মেনেই।




বয়স মাত্র ১৫। ত্বক এই বয়সে এমনিতেই ভালো থাকে। বাড়িতে টুকটাক যত্ন নিলেই তো হয়। পারলার তো বড়দের জন্য। ফেসিয়াল তো আবার একটু বেশি সময় দেওয়ার বিষয়। এ বয়সটাতে দৌড়ঝাঁপের সীমা থাকে না। মাঠে বনে-বাদাড়ে নয়। স্কুল থেকে টিউশন, সেখান থেকে বাড়ি। এর মাঝেই কখনো কখনো থাকে বন্ধুদের আড্ডা। চেহারায় হয়তো খুব একটা ছাপ পড়ে না। ভেতরে-ভেতরে কিন্তু ঠিকই ময়লা জমতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বয়সেও দরকার ফেসিয়াল। তবে তা নিয়ম মেনেই।


.সকালে ও রাতে ভালোমতো মুখ ধুতেই হবে। ত্বক অনুযায়ী ক্রিম লাগানোও ভালো। এ বয়স থেকে মুখের পরিচর্যা করলে ফলাফল পাওয়া যাবে পরবর্তী বয়সে। বাড়িতে নিয়মিত ত্বকের পরিচর্যা ভেতরের ময়লাগুলো অনেকটাই বের করে আনতে পারে না। এ জন্যই সৌন্দর্যচর্চা কেন্দ্রের প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১২ বা ১৫ বছর বয়স থেকেই ‘ডিপ ক্লিনিং ফেসিয়াল’ করা যাবে। তবে এই ফেসিয়ালের কাজ হবে শুধু ত্বকের ভেতর থেকে ময়লা পরিষ্কার করা। কমবেশি সব ধরনের ত্বকেই এটা মানানসই।


রূপবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান বলেন, ‘আমরা দুই ধরনের ফেসিয়াল করে থাকি। একটি হলো ট্রিটমেন্ট ফেসিয়াল। আরেকটি হলো ক্লিনিং ফেসিয়াল। কিশোরী ত্বকে ময়লা জমে। ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়। তখন ডিপ ক্লিন ফেসিয়াল করতে পারে। ১৫ বছর থেকেই এটা শুরু করতে পারে। এতে করে ভেতরের ময়লা চলে আসে।’ ক্রিমের সাহায্যে মালিশ করা হয়। এরপর স্ক্রাব ব্যবহার করা হয়।


ফেসিয়ালের মূলকাজ হচ্ছে ত্বক পরিষ্কার করা। ফর্সা করা না। এমনটাই মনে করেন রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। তিনি বলেন, ‘বাচ্চা আট-নয় বছর পর থেকে রোদে খেলা শুরু করে। ধুলাবালির মধ্যে থাকে। ১২ বছরের বেশি বয়সের শিশু-কিশোরদের জন্য যে ফেসিয়াল করি তাতে কোনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি না আমরা।’ ক্রিম দিয়ে মালিশ করার ফলে মৃত কোষগুলো উঠে আসে। এই বয়সের জন্য ফল, মুলতানি মাটি ইত্যাদি প্রাকৃতিক উপাদানের তৈরি প্যাকই ভালো বলে জানান তিনি। এতে রোদে পোড়া ভাব দূর হয়ে যায়। ত্বকও পরিষ্কার হয়ে যায়।


প্রাকৃতিক এসব উপাদান দিয়ে তৈরি ফেসিয়াল প্যাক ব্যবহার করতে হবে । 

নিয়মকানুন


* ফেসিয়াল করার আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


* প্রথমদিকে ভারী কোনো ফেসিয়াল করা যাবে না।


* যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা যাবে না।


* মাসে একবার ফেসিয়াল যথেষ্ট।


* তিন-চারটা প্যাকওয়ালা কোনো ফেসিয়াল করা যাবে না।


* রাসায়নিক কোনো উপাদান দিয়ে ফেসিয়াল করা যাবে না।


* ২৫ বছর বয়সের পর থেকে একটু ভারী ফেসিয়াল করতে পারেন। ট্রিটমেন্ট ফেসিয়ালগুলো ত্বক বুঝে করতে হবে। একেকটি ফেসিয়াল একেকটি সমস্যা সমাধানের জন্য।


* যাদের ত্বকে ব্রণ প্রবণতা আছে, তাদের ১৫ দিন পরপর ফেসিয়াল করা উচিত।

Post A Comment: