বাতজ্বর আমাদের দেশে একটি বহুল পরিচিত সমস্যা। জ্বরের সঙ্গে গিরা ব্যথা থাকলেই অনেকে বাতজ্বর হয়েছে বলে সন্দেহ করেন এবং বছরের পর বছর ইনজেকশন নেন। কিন্তু গিরা ব্যথা মানেই বাতজ্বর নয়। আবার বাতজ্বরের সঠিক চিকিৎসা না করলে পরে হার্টের ভালভে সমস্যা হতে পারে। তাই এ রোগের সঠিক কারণ নির্ণয় যেমন প্রয়োজন, তেমনি দরকার সঠিক চিকিৎসা।



বাতজ্বর আমাদের দেশে একটি বহুল পরিচিত সমস্যা। জ্বরের সঙ্গে গিরা ব্যথা থাকলেই অনেকে বাতজ্বর হয়েছে বলে সন্দেহ করেন এবং বছরের পর বছর ইনজেকশন নেন। কিন্তু গিরা ব্যথা মানেই বাতজ্বর নয়। আবার বাতজ্বরের সঠিক চিকিৎসা না করলে পরে হার্টের ভালভে সমস্যা হতে পারে। তাই এ রোগের সঠিক কারণ নির্ণয় যেমন প্রয়োজন, তেমনি দরকার সঠিক চিকিৎসা।


বাতজ্বর মূলত ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সে হয়ে থাকে, ৩০-এর পর হয় না বললেই চলে। গিরা ব্যথা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ, কিন্তু একমাত্র নয়। এ রোগে বড় গিরাগুলো একের পর এক লাল হয়ে ফুলে যায় ও তীব্র ব্যথা হয়, একটা কমলে আরেকটা শুরু হয়। অনেকের দুই-তিন সপ্তাহ আগে গলাব্যথার ইতিহাস থাকে। মনে রাখবেন, গিরায় সমস্যা না হয়ে শুধু শরীর বা হাড়ে ব্যথা বা কামড়ানো বাতজ্বরের লক্ষণ নয়।


অনেক সময় গিরা ব্যথার সঙ্গে রক্তের একটি পরীক্ষা করা হয়, এএসও টাইটার। এটা বেশি হলেই বাতজ্বরের চিকিৎসা শুরু করে দেওয়া হয়। কিন্তু এটি নিশ্চিত কোনো পরীক্ষা নয়। বাতজ্বরের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো গিরা ব্যথা ও ফোলার সঙ্গে বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট, বুক ব্যথা, হাত-পায়ের অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়া, ত্বকে লাল লাল চাকা, গুটি ইত্যাদি।


বাতজ্বরের রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি পেনিসিলিন ইনজেকশন বা বড়ি দেওয়ার উদ্দেশ্য, হার্টের ভালভের সুরক্ষা। এটা গিরা ব্যথার চিকিৎসা নয়। নানা ধরনের বিভ্রান্তির জন্য আমাদের দেশে অনেকের বাতজ্বর না হলেও পেনিসিলিন দেওয়া হয়, আবার অনেকের অন্য কোনো বাতরোগ আছে কি না, তা নির্ণয় করা হয় না। তাই এ রোগের সঠিক শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

Post A Comment: