আতা সুপরিচিত ফল। এতে রয়েছে নানা গুণ। শুধু স্বাদের কারণেই নয়, স্বাস্থ্যের জন্য এটি দারুণ উপকারী ফল। ভিটামিন সির মতো নানা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে এতে। শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী মুক্ত কণা থেকে মুক্তি দিতে পরে আতা। এ ছাড়া কোষ্ঠ পরিষ্কার, অরুচি দূর করা, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানো ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার প্রয়োজনে আতা খাওয়া যায়।



আতা সুপরিচিত ফল। এতে রয়েছে নানা গুণ। শুধু স্বাদের কারণেই নয়, স্বাস্থ্যের জন্য এটি দারুণ উপকারী ফল। ভিটামিন সির মতো নানা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে এতে। শরীরে রোগ সৃষ্টিকারী মুক্ত কণা থেকে মুক্তি দিতে পরে আতা। এ ছাড়া কোষ্ঠ পরিষ্কার, অরুচি দূর করা, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানো ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার প্রয়োজনে আতা খাওয়া যায়।


বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ এ ফল শরীরের জন্য খুব কাজের। এ ফলে রয়েছে ভিটামিন এ, যা চোখের কর্নিয়া ও রেটিনাকে সুরক্ষিত রাখে।


আতায় শর্করার পরিমাণ বেশি। এই ফল আবার দুই ধরনের হয়ে থাকে। লালচে ও সবুজ। লালচে আতায় সবুজ রঙের আতার চেয়ে ক্যালরি ও আয়রন বেশি থাকে। কপার ও ডায়াটারি ফাইবার থাকায় এটি হজমের জন্য ভালো। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দিতে পারে।


আতার মধ্যে আছে ভিটামিন বি৬, যা শ্বাসনালির প্রদাহ কমায়। ভবিষ্যতে হাঁপানি থেকে বাঁচতে চাইলে আতা খান। আতা খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমে।আতায় আছে পটাশিয়াম, যা রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। যে কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে। আতায় আছে নিয়াসিন ও ফাইবার, যা প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে বের করে দেয়।


আতা ফলটি আয়রনে পরিপূর্ণ। তাই এটি খেলে লোহিত রক্তকণিকা বাড়ে। এতে রক্তশূন্যতা দূর হয়। আতায় আছে থিয়ামিন। এটি খাবারকে এনার্জিতে রূপান্তরিত হতে সাহায্য করে। আতায় আছে ম্যাগনেশিয়াম, যা হাড়ের গঠন মজবুত করে।


Post A Comment: