নিয়মিত পানি পানে উজ্জ্বল হয় ত্বক ও চুল, সেটা তো সবারই জানা৷ তবে ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাধারণ পানি ছাড়াও বেশ কিছু পানীয় রয়েছে যেগুলো বেশ উপকারী৷ যখন সৌন্দর্যচর্চার জন্য এত প্রসাধনী ছিল না, তখন এসব পানীয় পান করেই ধরে রাখা হতো ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা৷

নিয়মিত পানি পানে উজ্জ্বল হয় ত্বক ও চুল, সেটা তো সবারই জানা৷ তবে ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাধারণ পানি ছাড়াও বেশ কিছু পানীয় রয়েছে যেগুলো বেশ উপকারী৷ যখন সৌন্দর্যচর্চার জন্য এত প্রসাধনী ছিল না, তখন এসব পানীয় পান করেই ধরে রাখা হতো ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা ৷ 

মধু-লেবু পানি

এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা চামচ করে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন৷ প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয় পান করলে সতেজ হয়ে উঠবে ত্বক৷ কারণ লেবুর ভিটামিন সি আর মধুতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে৷


ত্রিফলা পানি

সমপরিমাণ আমলকী, হরীতকী ও বহেড়া গরম পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন৷ পরদিন সকালে ছেঁকে খেয়ে নিন৷ এই পানীয় শরীরের টক্সিন দূর করার পাশাপাশি পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে৷ আর ভেতর থেকে পেট পরিষ্কার রাখলে এমনিতেই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে ত্বক ও চুল৷


আমলকী পানি

আমলকী শুকিয়ে নিন৷ এবার দুটো শুকনো আমলকীকে ছেঁচে নিয়ে গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন৷ রাতে ঘুমানোর আগে এই পানিটি খেতে পারেন৷ এটি চুলকে মসৃণ করতে এবং চুল পাকা রোধ করতে সাহায্য করে৷


দুধ ও কাঠবাদাম
এক গ্লাস দুধে পাঁচ থেকে ছয়টি কাঠবাদাম দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন৷ যাঁরা একটু পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন তাঁদের জন্য এই পানীয় বেশ উপকারী৷


গাঁদা ফুলের চা
এক লিটার পানিতে দুটো গাঁদা ফুলের পাপড়ি দিয়ে জাল দিতে থাকুন৷ এবার চায়ের মতো ছেঁকে নিয়ে তা খেয়ে নিন৷ তবে খেয়াল রাখবেন, গাঁদা ফুলগুলো যেন তাজা হয়৷ এই পানীয়টি রক্ত শোধন করে ত্বকের সতেজতা বাড়ায়৷


থানকুনি পাতার পানি
পাঁচ বা ছয়টি থানকুনি পাতা, আধা ইঞ্চি করে আদা ও কাঁচা হলুদ ও চারটি আমলকী পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন৷ তারপর পানি ফেলে দিয়ে আবার ফ্রেশ পানি দিয়ে তা ব্লেন্ড করে নিন৷ এই পানীয়টি স্কিন টোনকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে৷


অ্যালোভেরার শরবত
এক গ্লাস পানিতে একটি অ্যালোভেরার শাঁস, ১ চা চামচ মধু ও স্বাদমতো বিট লবণ মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন৷ এই পানীয়টি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে৷


মনে রাখবেন
যেকোনো পানীয় এক নাগাড়ে বেশি দিন খাওয়া ভালো নয়৷ এ জন্য একটানা ১৫ দিন খাওয়ার পর আবার ১৫ দিনের বিরতি দিন৷

Post A Comment: