বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেছেন, খাদ্যতালিকা মানা, নিয়মিত ব্যায়াম, ইনসুলিন গ্রহণ ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করলে একজন ডায়াবেটিক রোগী দীর্ঘায়ু লাভ করতে পারেন। আর ডায়াবেটিসের কারণে অন্ধত্ব এড়াতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।



বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা বলেছেন, খাদ্যতালিকা মানা, নিয়মিত ব্যায়াম, ইনসুলিন গ্রহণ ও নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করলে একজন ডায়াবেটিক রোগী দীর্ঘায়ু লাভ করতে পারেন। আর ডায়াবেটিসের কারণে অন্ধত্ব এড়াতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

জাঙ্ক ফুড বেশি খাওয়া আর কম কায়িক পরিশ্রমের কারণে ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আমাদের জীবনযাত্রায় পরিবর্তন হচ্ছে, তাই অনেকের ডায়াবেটিস হচ্ছে।’ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে নিয়মিত ব্যায়াম করে ওজন কমানো প্রয়োজন।


 রক্তে শর্করা (ব্লাড সুগার) বেড়ে গেলে ডায়াবেটিক রোগী চোখে ঝাপসা দেখেন। একটা সময় অন্ধও হয়ে যেতে পারেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সঙ্গে এটাও ঠিক হয়ে আসবে। তারপরও দৃষ্টি ঝাপসা থাকলে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে হবে।


 দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের বিভিন্ন অংশে পানি জমে ও জটিলতা হয়। শরীরের পানি জমার চিকিৎসা আছে। যথাযথভাবে ওষুধ ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে এগুলো কমবে।’ 


স্ত্রীরোগ ও ধাত্রীবিদ্যা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ফেরদৌসী বেগম বলেন, গর্ভবতী মায়ের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে বাচ্চার কোনো সমস্যা হবে না। তবে গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ না করলে বাচ্চা পঙ্গু বা আকৃতিতে সমস্যা হতে পারে।


বারডেমের নবজাতক ও শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক নাজমুন নাহার বলেন, বাচ্চাদেরও আজকাল ডায়াবেটিস হচ্ছে। শিশুর ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণ করলে সে বড়দের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে।


Post A Comment: