রাগে-ক্ষোভে যেন ফেটে পড়লেন তামিম ইকবাল। খুলনা টাইটানসের ১২৭ রান তাড়া করে ৪ রানের হার, শেষ ওভারে ৩ উইকেট হারানো—চিটাগং ভাইকিংস অধিনায়কের যেন অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে সব!



রাগে-ক্ষোভে যেন ফেটে পড়লেন তামিম ইকবাল। খুলনা টাইটানসের ১২৭ রান তাড়া করে ৪ রানের হার, শেষ ওভারে ৩ উইকেট হারানো—চিটাগং ভাইকিংস অধিনায়কের যেন অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে সব!


মিরপুরে আজ ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে এসে সব ক্ষোভ উগরে দিলেন নিজের দলের ব্যাটসম্যানদের ওপর, ‘আমরা যে ধরনের ক্রিকেট খেলছি, এ ধরনের ক্রিকেট খেলতে থাকলে আমার মনে হয় আমরা এভাবেই হারতে থাকব। একজন ব্যাটসম্যানকে ২০ বার বার্তা পাঠানোর পরও যদি সে ভুল করে, আমার মনে হয় তার মাথায় কোনো সমস্যা আছে। এই পর্যায়ের ক্রিকেটেও যদি ডাল-ভাতের মতো বলে বলে খাইয়ে দিতে হয়, তাহলে দুঃখজনক হলেও বলতে হচ্ছে, তার হয়তো এই পর্যায়ে খেলার যোগ্যতাই নেই।’


কার ওপর এত চটলেন, সেটা অবশ্য নির্দিষ্ট করে বলেননি তামিম, ‘নাম না–ই বলি। ব্যাটসম্যানদের কথাই বলছি। বেশ কয়েকজন...।’ ম্যাচে হার মেনে নিতে তাঁর অসুবিধা নেই। ব্যাটসম্যানদের ওপর তাঁর রাগটা ড্রেসিংরুম থেকে পাঠানো বার্তা মেনে না খেলাতেই, ‘খেয়াল করলে দেখবেন, ওরা (খুলনা) মূল বোলারদের প্রায় সব ওভারে আগেই শেষ করে ফেলেছে। মূল বোলারদের বল শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আপনি যদি তা না করে মূল বোলারদের খেলতে গিয়ে আউট হয়ে যান, তাহলে তো এতবার বার্তা পাঠিয়ে লাভ নেই। এই পর্যায়ে খেলছেন, একটু হলেও তো মাথা খাটাতে হবে।’



শেষ ওভারে চিটাগং ভাইকিংসের জিততে দরকার ছিল ৪ উইকেটে ৬ রান। ঠিক তখনই খুলনার অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ আবারও হাজির তাঁর বোলিং জাদু নিয়ে। মাত্র এক রান দিয়ে তুলে নিলেন চিটাগংয়ের ৩ উইকেট। আগের ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষেও ঠিক একইভাবে জয় এনে দেওয়া খুলনা টাইটানস অধিনায়কের নিজেরই যেন বিশ্বাস হচ্ছে না তা, ‘আমি জানি না...হয়ে গেছে। খুবই নার্ভাস লাগছিল। এখনো হাত ঘামছে। চেষ্টা করছিলাম নবীকে যত কম স্ট্রাইক দেওয়া যায়।’

Post A Comment: