তুমুল আড্ডা দিচ্ছেন বন্ধুরা মিলে। আড্ডার একজন শুরু থেকেই একটু পরপর চপেটাঘাত করছেন তার নিজের শরীরের নানা অংশে। ঠাস ঠুস ঠাস! আর কিছুক্ষণ পরপরই রেগেমেগে বলে উঠছেন, ‘ধুর, এই মশা শুধু আমাকেই কামড়ায় কেন!’ অতিপরিচিত এক দৃশ্য। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা ‘মশাবান্ধব’! দশজনের মধ্যে এই বিশেষ একজনকে খুঁজে পেতে মশাদের বেগ পেতে হয় না। কেমন কেমন করে যেন প্রিয় ‘বন্ধু’র খোঁজ পেয়ে যায় প্রাণীগুলো! ‘বন্ধু’র দেখা পেলে তার শরীরে হুল বসিয়ে টেনে নেয় রক্ত! আহ্, সে কি আরাম তাদের! আর মশার কামড় খেয়ে নাকাল অবস্থা বেচারা ‘মশাবান্ধবের’। কিন্তু মশা কেন বেছে বেছে এমন মানুষদেরই বেশি কামড়ায়? মশা আকৃষ্ট হয়, এমন তিনটি কারণ খুঁজে বের করেছেন গবেষকেরা।




তুমুল আড্ডা দিচ্ছেন বন্ধুরা মিলে। আড্ডার একজন শুরু থেকেই একটু পরপর চপেটাঘাত করছেন তার নিজের শরীরের নানা অংশে। ঠাস ঠুস ঠাস! আর কিছুক্ষণ পরপরই রেগেমেগে বলে উঠছেন, ‘ধুর, এই মশা শুধু আমাকেই কামড়ায় কেন!’ অতিপরিচিত এক দৃশ্য। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা ‘মশাবান্ধব’! দশজনের মধ্যে এই বিশেষ একজনকে খুঁজে পেতে মশাদের বেগ পেতে হয় না। কেমন কেমন করে যেন প্রিয় ‘বন্ধু’র খোঁজ পেয়ে যায় প্রাণীগুলো! ‘বন্ধু’র দেখা পেলে তার শরীরে হুল বসিয়ে টেনে নেয় রক্ত! আহ্, সে কি আরাম তাদের! আর মশার কামড় খেয়ে নাকাল অবস্থা বেচারা ‘মশাবান্ধবের’। কিন্তু মশা কেন বেছে বেছে এমন মানুষদেরই বেশি কামড়ায়? মশা আকৃষ্ট হয়, এমন তিনটি কারণ খুঁজে বের করেছেন গবেষকেরা। 


১. গর্ভাবস্থা
কার্বন ডাই-অক্সাইডের প্রতি প্রবল আকর্ষণ আছে মশাদের। অন্য সময়ের তুলনায় গর্ভাবস্থায় নারীরা বেশি পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়েন। ফলে মশারা তাঁদের প্রতি আরও বেশি আকৃষ্ট হয়। একই ব্যাপার ঘটে শিশুদের বেলায়ও। এ কারণে সম্প্রতি দুনিয়ার নানা প্রান্তে জিকা ভাইরাসে আক্রান্তের মধ্যে শিশুদের কথাই বেশি শোনা গেছে।


২. শারীরিক পরিশ্রম
খেয়াল করে দেখুন, কিছুক্ষণ দৌড়ানোর পর মশারা ছেঁকে ধরে। শুধু দৌড় নয়, যেকোনো শারীরিক পরিশ্রমের পরপরই এমনটা হয়। এটার পেছনে ভূমিকা রাখে আমাদের শরীরের ল্যাকটিক অ্যাসিড। শারীরিক পরিশ্রমের পর স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে ল্যাকটিক অ্যাসিড নির্গত করে আমাদের শরীরের মাংশপেশিগুলো। আর এই উপাদানটির ‘ঘ্রাণ’ পেয়েই ছুটে আসে মশা!


৩. ‘ও’ গ্রুপের রক্ত
ফেসবুকে মানুষ কত না গ্রুপে জয়েন করে। মশারা যদি ফেসবুক চালাত, তাহলে হয়তো একমাত্র ‘ও’ গ্রুপেই জয়েন করে বসে থাকত। মশারা ‘ও’ গ্রুপের রক্তের মহা ভক্ত! গবেষকেরা দেখেছেন, মশার কামড় খাওয়ার হার এই গ্রুপের বেলায় ৮৩ শতাংশ।


Post A Comment: