গত ৮০০০ বছর আগে একজন গ্রীক ফিজিশিয়ান সিলিয়াক রোগ প্রথম আবিস্কার করেন, তবে এই রোগটি গ্লুটেনের অটোইমিউন রিঅ্যাকশনের ফলে হয় এই ধারণাটি তার ছিলনা। এই তথ্যটি হাজার হাজার বছর পরে সুস্পষ্ট হয়, যখন গবেষকগণ বুঝতে পারেন যে, গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার ফলেই সিলিয়াক রোগীদের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। গ্লুটেন হচ্ছে এক ধরণের প্রোটিন যা বিভিন্ন প্রকার খাদ্যে পাওয়া যায় বিশেষ করে পাউরুটিতে।



গত ৮০০০ বছর আগে একজন গ্রীক ফিজিশিয়ান সিলিয়াক রোগ প্রথম আবিস্কার করেন, তবে এই রোগটি গ্লুটেনের অটোইমিউন রিঅ্যাকশনের ফলে হয় এই ধারণাটি তার ছিলনা। এই তথ্যটি হাজার হাজার বছর পরে সুস্পষ্ট হয়, যখন গবেষকগণ বুঝতে পারেন যে, গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার ফলেই সিলিয়াক রোগীদের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। গ্লুটেন হচ্ছে এক ধরণের প্রোটিন যা বিভিন্ন প্রকার খাদ্যে পাওয়া যায় বিশেষ করে পাউরুটিতে।


সিলিয়াক রোগের লক্ষণ গুলো হল – পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য, মনোযোগের সমস্যা, ওজনের পরিবর্তন, ঘুমের সমস্যা, ক্লান্তি, অপুষ্টি, দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা, অস্থিসন্ধিতে ব্যথা, উদ্বিগ্নতা, হাত ও পায়ের অসাড়তা, হৃদরোগ, মুখে ঘা, চুল পাতলা হওয়া, নিস্তেজ ত্বক ইত্যাদি। সিলিয়াক ডিজিজ শনাক্ত করা কঠিন কারণ এই রোগের লক্ষণগুলো ডাইজেস্টিভ ডিজিজের ও অটোইমিউন ডিজিজের সাথে মিলে যায়। সিলিয়াক রোগের ঘরোয়া প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।


১। গ্লুটেন মুক্ত খাবার
আপনি যদি সিলিয়াক রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই গ্লুটেন যুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে। সাধারণত গম, বার্লি, রাই, যব ইত্যাদিতে গ্লুটেন পাওয়া যায়। অর্থাৎ সকল ধরণের পাউরুটি ও শস্য পণ্যেই গ্লুটেন থাকতে পারে। ডেজার্ট, আইসক্রিম, কেচাপ, বেকড খাবার, সয়া সস ইত্যাদি সহ আরো অনেক খাবারে গ্লুটেন থাকতে পারে। তাই প্রসেসড ফুড বাদ দিতে হবে। সিলিয়াক রোগে আক্রান্তদের জন্য শাকসবজি, ফলমূল, মাংস খাওয়াটাই নিরাপদ।


২। মাছের তেল

মাছের তেল অন্ত্রের আবরণ তৈরিতে সাহায্য করে। তাই ভুলবশত গ্লুটেন যুক্ত খাবার খেয়ে ফেললেও পেটের ব্যথা প্রতিরোধে সাহায্য করে মাছের তেল।


৩। দই
দই উপকারি ব্যাকটেরিয়াকে উদ্দীপিত করে এবং পরিপাক নালীর নিরাময়ে সাহায্য করে। তাই সিলিয়াক রোগে আক্রান্তদের দই খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়।


৪। হারবাল ট্রিটমেন্ট
জলপাই পাতার নির্যাস সিলিয়াক রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। কারণ এই রস ইমিউন সিস্টেমকে সুরক্ষা দিতে ও পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এছাড়াও খুদ্রান্তের অটো ইমিউন ইফেক্ট কমাতে ও সিলিয়াক রোগের তীব্রতা কমাতে সাহায্য করে জিলপাই পাতার রস। ক্যামোমিল আরেকটি উপকারি তৃণ যা ডাইজেস্টিভ ইনফ্লামেশন কমাতে সাহায্য করে।


সিলিয়াক রোগের প্রধান কারণ যদিও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি তবে কিছু নির্দিষ্ট জিনের কারণে এই রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। আপনার পরিবারের কারো এই রোগ থেকে থাকলে আপনার এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। আপনার যদি সিলিয়াক রোগ শনাক্ত হয়ে থাকে তাহলে আপনার অন্ত্র বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদান শোষণ করতে অক্ষম হয়। এ কারণে নিয়মিত পুষ্টিকর সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা ভালো। সিলিয়াক রোগের ক্ষেত্রে আপনি কি খাচ্ছেন সেই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করলেই আপনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন।

Post A Comment: