কঠিন লক্ষ্য। ২৮৬ রান জয় করা চতুর্থ ইনিংসে! দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২৪০ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল চমৎকার। তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের জুটি ৩৫ রান এনে দিল। কিন্তু তারপরই ব্যক্তিগত ৩৫ রানে বিদায় তামিমের। ক্যাচ দিয়েছেন মঈন আলির বলে। এই রিপোর্ট লেখার সময় চট্টগ্রামে ১ উইকেটে ৪৬ রান স্বাগতিকদের। ইমরুল ২৫ ও মুমিনুল হক ৫ রানে ব্যাট করছেন।


কঠিন লক্ষ্য। ২৮৬ রান জয় করা চতুর্থ ইনিংসে! দ্বিতীয় ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২৪০ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল চমৎকার। তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের জুটি ৩৫ রান এনে দিল। কিন্তু তারপরই ব্যক্তিগত ৩৫ রানে বিদায় তামিমের। ক্যাচ দিয়েছেন মঈন আলির বলে। এই রিপোর্ট লেখার সময় চট্টগ্রামে ১ উইকেটে ৪৬ রান স্বাগতিকদের। ইমরুল ২৫ ও মুমিনুল হক ৫ রানে ব্যাট করছেন।


ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলে হবে ইতিহাস। সময়ের সমস্যা নেই। চতুর্থ দিনের সকালের প্রথম সেশনের খেলা চলছে। কিন্তু উইকেট ভাঙা। ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন এই উইকেটে ব্যাট করে এমন লক্ষ্য অর্জন করা। করতে পারলে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডকে টেস্টে হারানো হবে। সেই সাথে হবে এমন শক্তিশালী কোনো দলের বিপক্ষে জয়ের প্রথম গৌরব অর্জন। টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে ২১৫ রান করা তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে টাইগারদের। সেটি ২০০৯ সালে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাদের মাটিতেই। তবে ওই দলটি ভাঙাচোরা ছিল। আর এই ইংল্যান্ডের বোলিং বৈচিত্র আর শক্তিতে বিশ্বের অন্যতম সেরা।


চতুর্থ দিনের সকালে মাত্র ৪.২ ওভারের মধ্যে ইংল্যান্ডের বাকি ২ উইকেট তুলে নিল বাংলাদেশ। তাতে রবিবার সকালে ২৪০ রানে দ্বিতীয় ইনিংসে অল আউট হলো প্রতিপক্ষ।জেতার জন্য মুশফিকুর রহিমের দলের সামনে টার্গেট দাঁড়ালো ২৮৬ রানের। প্রথম ইনিংসে ৪৫ রানের লিড ছিল ইংল্যান্ডের। ব্যাটসম্যানদের সত্যিকারের পরীক্ষা এখন।


৮ উইকেটে ২২৮ রান নিয়ে ইংলিশরা শুরু করে এদিন। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট পায় বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানের ওভারে রান আউটের শিকার হয়েছেন ক্রিস ব্রড (১০)। এরপর বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম আক্রমণে এলে তার দ্বিতীয় বলেই এলবিডাব্লিউর শিকার হন গ্যারেথ ব্যাটি (৩)। ২০ মিনিটে ১২ রান দিয়ে বাকি ২ উইকেট তুলে নিয়ে বোলাররা ব্যাটসম্যানদের লড়াইয়ে নামার সুযোগ করে দেন। এই ২৪০ বাংলাদেশের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সর্বনিম্ন ইনিংসের নতুন রেকর্ড।


এই টেস্টে স্পিনাররা রাখছেন প্রধান ভূমিকা। ইংলিশদের ২০ উইকেটের মধ্যে ১৮টি নিয়েছেন বাংলাদেশি স্পিনাররা। একটি মাত্র পেয়েছেন পেসার। অন্যটি রান আউট। আর বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের ১০টির মধ্যে ৬টি ইংল্যান্ডের স্পিনারদের। ৪টি পেসারের। ইংলিশদের তিন স্পিনার দুই অফি মঈন আলি ও গ্যারেথ ব্যাটি এবং লেগ স্পিনার আদিল রশিদ। স্পিন বান্ধব উইকেটে প্রথম দিন থেকেই ব্যাটসম্যানদের লড়াই করতে হচ্ছে। এখন তো স্পিনারদের বোঝা আরো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Post A Comment: