মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট। বলেছিলেন, ৩ লক্ষ মাদক পাচারকারীকে প্রাণে মারবেন তিনি। সেই কাজে পুলিশ বা সেনা যথেষ্ট নয়, তাই ভাড়া করতে হচ্ছে সুপারি কিলার।


মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট। বলেছিলেন, ৩ লক্ষ মাদক পাচারকারীকে প্রাণে মারবেন তিনি। সেই কাজে পুলিশ বা সেনা যথেষ্ট নয়, তাই ভাড়া করতে হচ্ছে সুপারি কিলার।


তেমনই এক খুনে দম্পতির কথা প্রকাশ্যে এসেছে ফিলিপাইনের জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে। শে ও শেইলা নামে এই দম্পতি এখনও পর্যন্ত খুন হয়ে যাওয়া প্রায় ৪ হাজার লোকের মধ্যে ৮০০ জনের প্রাণ নিয়েছেন।


এই দম্পতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নতুন রাষ্ট্রনায়ক যখন মাদকের বিরুদ্ধে তার লড়াইয়ের কথা ঘোষণা করলেন, তখন এই পেশায় না এলে না খেয়ে মরতে হত তাঁদের। তাই বাধ্য হয়েই মানুষ খুনের কাজে নেমেছিলেন। প্রথমে একা কাজ করতেন শে।


কিন্তু দেখা গেল বেশ কিছু টার্গেটের কাছে তাঁর পৌঁছতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই নিজের স্ত্রীকে কাজে নামতে বলেন। শেষ পর্যন্ত শেইলাও এই পেশায় নামেন। অনেক পুরুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে খুনের কাজে সাহায্য করাই শেইলার কাজ।


প্রতিটি খুনের জন্য সরকার থেকে ১০০ মার্কিন ডলারও পান এরা। প্রথমে যে দলের হয়ে এরা কাজ করেন সেখান থেকে টার্গেটের ছবি জোগাড় করতে হয়। তিনদিনের মধ্যে কাজ সারলেই হাতে হাতে টাকা চলে আসে। কিন্তু এই পেশা নিয়ে খুশি ওঁরা?‌ বললেন, যখন বাড়িতে ফিরি প্রথমে নিজের সন্তানদের দিকে তাকিয়ে বেশ অপরাধ বোধ হয়।


কিন্তু পরে বুঝি, যাকে মেরে এলাম, সে আমাদের থেকেও বেশি ক্ষতিকারক। বেঁচে থাকলে আমার সন্তানের মত অনেকের জীবনই ধ্বংস করে দিত নিজে হাতে।

Post A Comment: