গোপন নথিপত্র ফাঁস করে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও সাংবাদিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। নিজের দেশেও থাকতে পারছেন না তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ইংল্যান্ডে অবস্থিত ইকুয়েডর দূতাবাসে অনেকটা গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন অ্যাসাঞ্জ। সেখান থেকেই নিজের প্রতিষ্ঠান উইকিলিকসের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।


গোপন নথিপত্র ফাঁস করে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও সাংবাদিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। নিজের দেশেও থাকতে পারছেন না তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ইংল্যান্ডে অবস্থিত ইকুয়েডর দূতাবাসে অনেকটা গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন অ্যাসাঞ্জ। সেখান থেকেই নিজের প্রতিষ্ঠান উইকিলিকসের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।


তবে সম্প্রতি লন্ডনে অবস্থিত ইকুয়েডর দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। গত সোমবার উইকিলিকসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ কাজ করছে না।  


লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এর আগে উইকিলিকস মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ইমেইল থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য ফাঁস করেছিল। সামনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে এ ধরনের তথ্য আরো ফাঁস হলে তা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে। আর সে কারণেই কিছুদিনের জন্য অ্যাসাঞ্জকে ইন্টারনেটবিহীন অবস্থায় থাকতে হবে। এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।


ইকুয়েডর সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ের ওপর শ্রদ্ধাশীল ইকুয়েডর। সব সময় সার্বভৌমত্বের চর্চা করে এসেছে ইকুয়েডর। কারো ব্যক্তিগত যোগাযোগের তথ্য যেন ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্যই লন্ডনে অবস্থিত ইকুয়েডর দূতাবাসের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার কিছুটা সীমিত করা হয়েছে। 


ইকুয়েডর সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি আরো পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, অন্য কোনো রাষ্ট্রের চাপে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।


২০১২ সালের আগস্টে অ্যাসাঞ্জকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয় দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডর। তখন থেকেই লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে অবস্থান করছেন অ্যাসাঞ্জ।

Post A Comment: