বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্যের সমাধান করার দাবি করেছেন একদল বিজ্ঞানী। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম অংশের ত্রিকোণ আকৃতি জায়াগায় বিভিন্ন সময় উধাও হয়ে গেছে জাহাজ থেকে বিমান। এ কারণে ‘শয়তানের ত্রিভুজ’ নামেও কুখ্যাতি পাওয়া পাঁচ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকার ওই রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা। নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি।



বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্যের সমাধান করার দাবি করেছেন একদল বিজ্ঞানী। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম অংশের ত্রিকোণ আকৃতি জায়াগায় বিভিন্ন সময় উধাও হয়ে গেছে জাহাজ থেকে বিমান। এ কারণে ‘শয়তানের ত্রিভুজ’ নামেও কুখ্যাতি পাওয়া পাঁচ লাখ বর্গকিলোমিটার এলাকার ওই  রহস্য নিয়ে চলেছে বিস্তর আলোচনা। নানা ব্যাখ্যা। পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তি।


বিখ্যাত আবহাওয়াবিদ র‍্যান্ডি কারভ্যানিসহ বেশ কিছু বিজ্ঞানী সেই আলোচনায় যুক্ত করেছেন নতুন ব্যাখ্যা। তাঁদের দাবি, বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্যের পেছনে রয়েছে এক রকম ষড়ভুজাকৃতি মেঘ (হেক্সাগোনাল ক্লাউড)। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বারমুডা দ্বীপ ২০ থেকে ৫৫ মাইল জুড়ে ষড়ভুজাকৃতি মেঘ তৈরি করে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বায়ু। যার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ মাইল। এই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বায়ুকে তাঁরা বলছেন ‘বায়ু বোমা’। এই বায়ু প্রায় ৪৫ ফুট উচ্চতার ঝড় তৈরি করতে পারে। বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, চূড়ান্ত আবহাওয়ার কারণে এই অঞ্চলে ষড়ভুজ মেঘের উৎপত্তি ও গঠনই জাহাজ ও বিমানের গায়েব হওয়ার পেছনে দায়ী। এই বায়ু বোমার ক্ষমতা রয়েছে জলে ভাসা বড় জাহাজ অথবা আকাশে ওড়া বিমানকে সমুদ্রের বুকে আছড়ে ফেলার। কিন্তু উধাও হয়ে কোথায় তার শেষ ঠিকানা হয় সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা স্পষ্ট নন। তবে কোনো জাহাজ বা বিমান এই এলাকা দিয়ে যায় না।


বারমুডা, ফ্লোরিডা ও পুয়ের্তো রিকোকে ঘিরে ত্রিভুজ বলয় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। পৃথিবীতে যতগুলো রহস্য নিয়ে এত দিন মানুষের সবচেয়ে বেশি উৎসাহ ও জিজ্ঞাস্য ছিল, বারমুডা ট্রায়াঙ্গল এর মধ্যে প্রধানতম। এটা এমন এক ধাঁধার নাম, যা যুগের পর যুগ ধরে মানুষকে বিস্ময়ে রেখে দিয়েছিল। হাজারো চেষ্টা করেও এর সমাধান করতে পারছিলেন না বিজ্ঞানীরা। ফলে জন্ম নিয়েছে একের পর এক মিথ।

Post A Comment: