একজন শিশু ডিজিটাল মিডিয়া অর্থাৎ কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা টিভির সামনে বিনোদনের জন্য কত সময় কাটাচ্ছে, তা ‘স্ক্রিন টাইম’ হিসেবে পরিচিত। পূর্বে দুই বা ততোধিক বছর বয়সী শিশুর জন্য স্ক্রিন টাইম দুই ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয় বলে প্রচলিত ছিল। তবে এমন ঢালাও মন্তব্য ঠিক নয় বলে জানিয়েছে আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস (এএপি)। ২০১৭ সালে শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য করণীয় ঠিক করতে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করে এএপি। সেখানে প্রায় ১০ হাজার শিশুরোগ চিকিৎসক অংশ নেন। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সব বয়সের শিশুর জন্য ডিজিটাল মিডিয়া যন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখা উচিত। তবে বিভিন্ন বয়সের শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম ভিন্ন হতে হবে। ডিজিটাল মিডিয়ার অন্য ব্যবহার, যেমন অনলাইনে শিক্ষায় ব্যয় করলে তা স্ক্রিন টাইমের মধ্যে পড়বে না।




একজন শিশু ডিজিটাল মিডিয়া অর্থাৎ কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা টিভির সামনে বিনোদনের জন্য কত সময় কাটাচ্ছে, তা ‘স্ক্রিন টাইম’ হিসেবে পরিচিত। পূর্বে দুই বা ততোধিক বছর বয়সী শিশুর জন্য স্ক্রিন টাইম দুই ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয় বলে প্রচলিত ছিল। তবে এমন ঢালাও মন্তব্য ঠিক নয় বলে জানিয়েছে আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস (এএপি)। ২০১৭ সালে শিশুর সুস্বাস্থ্যের জন্য করণীয় ঠিক করতে যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করে এএপি। সেখানে প্রায় ১০ হাজার শিশুরোগ চিকিৎসক অংশ নেন। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সব বয়সের শিশুর জন্য ডিজিটাল মিডিয়া যন্ত্রের ব্যবহার সীমিত রাখা উচিত। তবে বিভিন্ন বয়সের শিশুদের জন্য স্ক্রিন টাইম ভিন্ন হতে হবে। ডিজিটাল মিডিয়ার অন্য ব্যবহার, যেমন অনলাইনে শিক্ষায় ব্যয় করলে তা স্ক্রিন টাইমের মধ্যে পড়বে না।

২ বছরের কম
এই শিশুদের ডিজিটাল মিডিয়া ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। 


২ থেকে ৫ বছর
বাবা-মা ঠিক করবেন স্ক্রিন টাইম কত হওয়া উচিত।


৬ বছর ও তার বেশি
এই বয়সীদের জন্য স্ক্রিন টাইম দিনে এক ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
ডিজিটাল মিডিয়ায় শিশুরা কী দেখছে বা কী করছে তা সব সময় মনিটর করতে হবে।



Post A Comment: