সব প্রস্তুতি শেষে ঈদুল ফিতরের জামাতে যাওয়ার সময় ঘটেছিল ঘটনাটি। বাড়ির নতুন ভবনে বিকল হয়ে পড়া বৈদ্যুতিক মোটর ঠিক করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন চাচাতো ভাই মোতাহার। হাসপাতালে নিতেই মারা যান তিনি। আর এতেই ঈদুল ফিতরের সব আনন্দ মাটি হয়ে যায় কাটার-মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানের পরিবারের।


সব প্রস্তুতি শেষে ঈদুল ফিতরের জামাতে যাওয়ার সময় ঘটেছিল ঘটনাটি। বাড়ির নতুন ভবনে বিকল হয়ে পড়া বৈদ্যুতিক মোটর ঠিক করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন চাচাতো ভাই মোতাহার। হাসপাতালে নিতেই মারা যান তিনি। আর এতেই ঈদুল ফিতরের সব আনন্দ মাটি হয়ে যায় কাটার-মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমানের পরিবারের।


গত ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিনে নিজের বাড়িতে ঘটে যাওয়া সেই বেদনাদায়ক স্মৃতি এখনো ভর করে আছে মুস্তাফিজের মনে। তবু নাড়ির টানে আর বাড়ির টানে ফের বাড়ি ফিরলেন তিনি।


সামনেই ঈদুল আজহা। মুস্তাফিজ বাড়িতেই ঈদ করবেন এবার বাবা-মা আর স্বজনদের সঙ্গে। পুরোনো সেই বেদনাটা চেপে রেখে নতুন আনন্দে হারিয়ে যেতে চান তিনি।


মুস্তাফিজের পরিবার ঈদুল আজহা পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন। গরু কেনা হয়েছে দুই লাখ টাকায়। মুস্তাফিজের ভাই মোকলেছুর রহমান পল্টু বলেন, ‘দুই লাখ টাকা দিয়ে গরু কিনেছি। এবারের ঈদে সেটিই কোরবানি দেবেন মুস্তাফিজ। এখন অপেক্ষা সেই শুভদিনটির।’


মুস্তাফিজ আজ শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করেছেন বাড়ির পাশের মসজিদে। কুশল বিনিময় করেন আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী সবার সঙ্গে। ঈদের আগাম দাওয়াতও দেন তাঁদের।


গত ৬ সেপ্টেম্বর বাড়িতে পালিত হয়েছে মুস্তাফিজের জন্মদিন। তখন অবশ্য তিনি বাড়ি ছিলেন না। সেদিন থেকেই পথ চেয়ে সবাই। অনুশীলন আর পুনর্বাসনে ব্যস্ত বাঁ-হাতি পেসার কবে আসবেন বাড়িতে, সেই অপেক্ষা ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের। অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে মুস্তাফিজ হাসিমুখ নিয়ে বাড়িতে ঢোকেন। সঙ্গে নানা রঙের ঈদ উপহার। এর আগে সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে বিমানে তিনি আসেন যশোর। সেখান থেকে গাড়িতেই বাড়ি ফেরা।

Post A Comment: