এ বছরের ডিসেম্বর থেকে দুই লাখেরও বেশি শ্রমিক নেবে জাপান। ন্যাশনাল স্ট্রাটেজিক স্পেশাল জোন’ স্কিমের আওতায় এ নাগরিক নেবে জাপান। জাপান দূতাবাস সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে।



এ বছরের ডিসেম্বর থেকে দুই লাখেরও বেশি শ্রমিক নেবে জাপান। ন্যাশনাল স্ট্রাটেজিক স্পেশাল জোন’ স্কিমের আওতায় এ নাগরিক নেবে জাপান। জাপান দূতাবাস সূত্রে এ তথ্য জানিয়েছে।


বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জাপান এ শ্রমিক নেবে। বাংলাদেশী নাগরিকরাও এর আবেদন করতে পারবে। তবে যারা জাপানি ভাষা জানে তাদের জন্য সুযোগ বেশি থাকবে। ভাষা না জানলে জাপানে গিয়ে আগে তিন থেকে চার মাস ভাষা সেখানো হবে। তারপর কাজে যোগ দিতে পারবে বিদেশী নাগরিকরা।


এর মাধ্যমে দেশটি তার দুটি কৌশলগত অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকে বিদেশী নাগরিকদের হাউজকিপার হতে বাধা তুলে নেবে। টোকিও মেট্রোপলিটন সরকার নির্দিষ্টভাবে এই স্কিম ব্যবহার করবে, যাতে বিদেশী নাগরিকরা সহজে জাপানে হাউজ কিপারের কাজ করতে পারে।


জাপানে বসবাস করছে এমন বিদেশী ও জাপানি উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী বিদেশী নাগরিকদের নিযুক্ত করবে হাউজি কিপিংয়ের কাজে। কানাগাওয়া ও ওসাকার পর টোকিও হবে জাপানের তৃতীয় প্রশাসনিক অঞ্চল। যেখানে বিদেশী নাগরিকদের হাউজ কিপার হিসেবে অনুমতি দিতে যাচ্ছে। টোকিওতে জাপানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চার লাখ ৬০ হাজার বিদেশী নাগরিক বাস করে, যা ওসাকার দ্বিগুণ।


জাপান সরকার ইয়াকোহামা ও কানাগাওয়ায় অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণে বিধিমালা তৈরি করেছে। এ ভবনগুলো বিদেশী নাগরিকদের ছেলে-মেয়েদের ডে-কেয়ার সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হবে। জাপান সরকার মনে করছে, জাপানের উন্নত সুযোগ-সুবিধা উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন বিদেশী পেশাজীবী এবং সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে।


Post A Comment: