পুকুরে ইলিশ কথাটা এতোদিন অসম্ভব অর্থেও ব্যবহার হলেও এটাকে সম্ভব বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। নোনা পানির মাছ মিঠা পানিতে চাষ করার অসাধ্য সাধন করতে যাচ্ছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। কল্যাণীর সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্রেশ ওয়াটার অ্যাকোয়া কালচারে (মিষ্টি জলের কেন্দ্রীয় জীবপালন অনুসন্ধান কেন্দ্র) ইতোমধ্যে কিছুটা সাফল্য পেয়েছেন তারা। ওই কেন্দ্রের বদ্ধ জলাশয়ে ৩০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের রুপালি ইলিশ চাষ করা সম্ভব হয়েছে। খুব শিগগিরই সাধারণ মাছ চাষীরাও এই কাজটি করতে পারবেন বলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন।



পুকুরে ইলিশ কথাটা এতোদিন অসম্ভব অর্থেও ব্যবহার হলেও এটাকে সম্ভব বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। নোনা পানির মাছ মিঠা পানিতে চাষ করার অসাধ্য সাধন করতে যাচ্ছেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা। কল্যাণীর সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্রেশ ওয়াটার অ্যাকোয়া কালচারে (মিষ্টি জলের কেন্দ্রীয় জীবপালন অনুসন্ধান কেন্দ্র) ইতোমধ্যে কিছুটা সাফল্য পেয়েছেন তারা। ওই কেন্দ্রের বদ্ধ জলাশয়ে ৩০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের রুপালি ইলিশ চাষ করা সম্ভব হয়েছে। খুব শিগগিরই সাধারণ মাছ চাষীরাও এই কাজটি করতে পারবেন বলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন।


নদী থেকে সরাসরি ধরে আনা ইলিশের চারাপোনা পুকুরে ছাড়ার পাশাপাশি কেন্দ্রের গবেষণাগারে ইলিশের বাচ্চা ফোটানো সম্ভব করেছেন কেন্দ্রীয় সংস্থাটির বিজ্ঞানীরা। নদী থেকে ধরে আনা চারাপোনা বেড়ে এখন ৩০০ গ্রাম ওজনের হয়েছে। মাছগুলোকে এতোটা বড় করতে সময় লেগেছে প্রায় দুই বছর। আর গবেষণাগারে ফোটানো আঙুলের সাইজের ইলিশের বাচ্চাগুলি এখন আকারে ১০ সেন্টিমিটার ছাড়িয়েছে।


কেন্দ্রটির প্রধান মৎস্যবিজ্ঞানী দেবনারায়ণ বলেন , ‘ল্যাবরেটরিতে বাচ্চা ফুটতে ১৯ থেকে ২২ ঘণ্টা সময় লাগে। এর পর চার-পাঁচদিন মাছের পোনারা কিছুই খায় না। চোখ মুখ ফোটার পর ওদের প্রথমে ট্যাঙ্কের পানিতে রেখে প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপাশি কৃত্রিম খাবার খেতে শেখানো হয় ওদের। ধীরে ধীরে এই খাদ্যাভাসই রপ্ত করে পোনা। তিনি বলেন, ‘নোনা পানি ছাড়াও ইলিশের জীবনযাত্রায় জরুরি হল স্রোতস্বিনী জলধারা। বদ্ধ জলাশয়ে সেই সমস্যার সমাধান হবে কীভাবে?’ বিদ্যুৎচালিত পাম্পের সাহায্যে পুকুরেই জোরাল পানির প্রবাহ সৃষ্টি করা সম্ভব হচ্ছে। আগাছা ইত্যাদি নষ্ট করতে অল্প কিছু অন্য জাতের মাছ রাখা হয়েছে, যারা আগাছা খেয়ে ফেলতে পারে।

Post A Comment: