প্রবাদ আছে ‘ব্যবসা করলে তরকারি, আর চাকরি করলে সরকারি’। সেই সরকারি চাকরির জন্য পদের গুরুত্ব কখনই বিচারের বিষয় হতে পারে না। আর তা প্রমাণ হয়েছে ভারতের কানপুর পৌরসভার ঝাড়ুদারের চাকরির আবেদনের বহর দেখে। পাঁচ লখেরও বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছে পৌরসভার ঝাড়ুদার হওয়ার জন্য। এর মধ্যে অনেকের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের ডিগ্রী রয়েছে। সোমবার সরকারিভাবে এই তথ্য প্রকাশ করেছে কানপুর মিউনিসিপাল কর্পোরেশন।




প্রবাদ আছে ‘ব্যবসা করলে তরকারি, আর চাকরি করলে সরকারি’। সেই সরকারি চাকরির জন্য পদের গুরুত্ব কখনই বিচারের বিষয় হতে পারে না। আর তা প্রমাণ হয়েছে ভারতের কানপুর পৌরসভার ঝাড়ুদারের চাকরির আবেদনের বহর দেখে। পাঁচ লখেরও বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছে পৌরসভার ঝাড়ুদার হওয়ার জন্য। এর মধ্যে অনেকের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরের ডিগ্রী রয়েছে। সোমবার সরকারিভাবে এই তথ্য প্রকাশ করেছে কানপুর মিউনিসিপাল কর্পোরেশন।


কিছুদিন আগে উত্তর প্রদেশের কানপুর মিউনিসিপাল কর্পোরেশনে ঝাড়ুদার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। ৩,২৭৫ টি শূন্যপদের মধ্যে ১৫০০টি জেনারেল ক্যাটাগরির জন্য বরাদ্দ ছিল। বাকি গুলি তফশিলি জাতি এবং উপজাতির শ্রেণীর জন্য সংরক্ষিত। ‘সাফাই কর্মচারী’ বা ঝাড়ুদারের এই পদের জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে না বলে জানানো হয়েছিল কানপুর পৌর কর্তৃপক্ষ। আর সেই পদে চাকরির জন্য জমা পড়েছে পাঁচ লক্ষাধিক আবেদনপত্র।


আবেদনপত্রগুলি যাচাই করার সময় বহু আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখে চক্ষু চড়কগাছ এই পৌরসভার কর্মকর্তাদের। এমবিএ পাস করেও অনেকে ঝাড়ুদার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। যে পদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।

Post A Comment: