উপার্জন বাড়ানোর জন্য সবাই যখন চেষ্টা হচ্ছে‚ নিত্যনতুন উপায় বের করছেন‚ তখন ভিখারিই বা পিছিয়ে থাকেন কেন? সেরকমই একজন মহম্মদ রফিক। এই ভিক্ষাজীবীর জীবনকাহিনি চমকপ্রদ।



উপার্জন বাড়ানোর জন্য সবাই যখন চেষ্টা হচ্ছে‚ নিত্যনতুন উপায় বের করছেন‚ তখন ভিখারিই বা পিছিয়ে থাকেন কেন? সেরকমই একজন মহম্মদ রফিক। এই ভিক্ষাজীবীর জীবনকাহিনি চমকপ্রদ।


রফিকের জন্ম রাজস্থানের যোধপুরে। এখন থাকেন মধ্য প্রদেশের খারগাঁও-এ। তাঁর জীবন অবশ্য কিছুটা ভ্রাম্যমান। কারণ রফিক এবং তাঁর পরিবারের ছ’জন সদস্য থাকেন একটি গাড়িতে।


শারীরিক প্রতিবন্ধী রফিকের দুটি পা-ই নেই। সেই বাধাকে অতিক্রম করেই ড্রাইভিং শেখেন তিনি। এখন নিজের গাড়িতে বসে ভিক্ষা করেন। নিজেই গাড়ি চালান। ওখানেই খাওয়া-দাওয়া-ঘুমোনো। আবার ওই গাড়ি চালিয়েই আসেন ভিক্ষাবৃত্তিতে!


খারগাঁও-এর নভগড় মন্দিরই রফিকের মূল ‘কর্মক্ষেত্র’। তাঁর দৈনিক উপার্জন দেখে ঈর্ষান্বিত হবেন আচ্ছা আচ্ছা বড় চাকুরে। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা উপার্জন করেন রফিক।


মাস গেলে মোট উপার্জন দাঁড়ায় এক লক্ষ টাকারও বেশি! এই গাড়ি চালক ভিখারি টেক্কা দেবেন যে কোনও কর্পোরেট চাকুরের সঙ্গে।
 

Post A Comment: