দুধ আমরা বাজার থেকেই কিনে পান করি। গুঁড়ো দুধ অনেকেই খান না, লিক্যুইড দুধেই অনেকের ভরসা করে থাকেন। অনেকে আবার গোয়ালাদের সাথে চুক্তি করে দুধ কিনে থাকেন। কিন্তু আপনি কি বুঝতে পারেন বাজার থেকে কেনা লিক্যুইড দুধ এবং গোয়ালার কাছ থেকে নেয়া দুধে পানি মেশানো রয়েছে কিনা? অনেকেই বলবেন খালি চোখে বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু দুধে আসলেই পানি মেশানো রয়েছে কিনা তা খালি চোখেই বোঝা সম্ভব। জানতে চান কীভাবে? চলুন জেনে নেয়া যাক। একটু গাঢ় রঙের মসৃণ একটি সমতল প্লেট বা অন্য কোনো প্ল্যাস্টিকের খণ্ড নিন। এতে কেনা দুধের ফোঁটা ফেলুন। এবার প্লেট বা প্ল্যাস্টিকের খণ্ডটি একটু কাঁত করে নিন। যদি ফোঁটা ফেলা দুধ দ্রুত গড়াতে শুরু করে এবং পেছনে কোনো দাগ না ফেলেই গড়িয়ে চলে যায় তাহলে বুঝবেন দুধে অনেক পানি মেশানো রয়েছে। আর যদি ফোঁটা খুব অল্প গড়ায় বা কিছুদূর গড়িয়ে যায় পেছনে দাগ ফেলে তাহলে বুঝবেন দুধে পানির পরিমাণ একেবারে নেই বললেই চলে। নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন।

 দুধ আমরা বাজার থেকেই কিনে পান করি। গুঁড়ো দুধ অনেকেই খান না, লিক্যুইড দুধেই অনেকের ভরসা করে থাকেন। অনেকে আবার গোয়ালাদের সাথে চুক্তি করে দুধ কিনে থাকেন। কিন্তু আপনি কি বুঝতে পারেন বাজার থেকে কেনা লিক্যুইড দুধ এবং গোয়ালার কাছ থেকে নেয়া দুধে পানি মেশানো রয়েছে কিনা? 

 

অনেকেই বলবেন খালি চোখে বোঝা সম্ভব নয়। কিন্তু দুধে আসলেই পানি মেশানো রয়েছে কিনা তা খালি চোখেই বোঝা সম্ভব। জানতে চান কীভাবে? চলুন জেনে নেয়া যাক। একটু গাঢ় রঙের মসৃণ একটি সমতল প্লেট বা অন্য কোনো প্ল্যাস্টিকের খণ্ড নিন। এতে কেনা দুধের ফোঁটা ফেলুন। এবার প্লেট বা প্ল্যাস্টিকের খণ্ডটি একটু কাঁত করে নিন। যদি ফোঁটা ফেলা দুধ দ্রুত গড়াতে শুরু করে এবং পেছনে কোনো দাগ না ফেলেই গড়িয়ে চলে যায় তাহলে বুঝবেন দুধে অনেক পানি মেশানো রয়েছে। আর যদি ফোঁটা খুব অল্প গড়ায় বা কিছুদূর গড়িয়ে যায় পেছনে দাগ ফেলে তাহলে বুঝবেন দুধে পানির পরিমাণ একেবারে নেই বললেই চলে। নিজেই পরীক্ষা করে দেখুন।

Post A Comment: