বেশ কয়েক মাস আগে বিশালায়তনের একটি এলিভেটেড বাসের কনসেপ্ট ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। সে ভিডিও দেখে মনে হয়েছিল, এ বুঝি কোনো কল্পবিজ্ঞানের গল্পের চিত্রায়ণ। তবে চীন সত্যিই নির্মাণ করল কল্পবিজ্ঞানের সেই যান। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকনো বাফেলো তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।


বেশ কয়েক মাস আগে বিশালায়তনের একটি এলিভেটেড বাসের কনসেপ্ট ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। সে ভিডিও দেখে মনে হয়েছিল, এ বুঝি কোনো কল্পবিজ্ঞানের গল্পের চিত্রায়ণ। তবে চীন সত্যিই নির্মাণ করল কল্পবিজ্ঞানের সেই যান। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকনো বাফেলো তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।


চীনা টেলিভিশন সিসিটিভির এক ভিডিও ফুটেজ থেকে দেখা যায়, পরীক্ষামূলকভাবে চীনের রাস্তায় চলছে এলিভেটেড বাস। কনেসেপ্ট ভিডিওর মতো এর নিচ নিয়ে ছুটে যাচ্ছে অন্য সব গাড়ি। যদিও এই গাড়িগুলো নিয়ন্ত্রণাধীন অবস্থায় চলছিল বাসের নিচে দিয়ে, তবু এলিভেটেড বাসের সব গুণাগুণ বেশ ভালোভাবেই দেখাতে পেরেছে চীনে নির্মিত এই বাস।


রাস্তার দুই লেন ধরে চলেছে এলিভেটেড বাস। রাস্তা থেকে দুই দশমিক এক মিটার বা প্রায় সাত ফুট ফাঁপা এই বাসের নিচে দিয়ে চলতে পারবে ছোট থেকে মাঝারি আকারের বিভিন্ন যান। বাসের নিচ দিয়ে গাড়ি চলাচলে যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সেদিক খেয়াল করে বাসের নিচে রাখা হয়েছে দুই সারি বৈদ্যুতিক বাতি। তিন শতাধিক যাত্রী নিয়ে ছুটতে পারবে এই দৈত্যাকৃতির বাস।
তবে কনসেপ্ট ভিডিওর সঙ্গে কিছুটা অমিল রয়েছে বাস্তবের এলিভেটেড বাসের। ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অটোমেটিক লিফটের মাধ্যমে যাত্রীদের বাসে ওঠানামার সুযোগ থাকবে। কিন্তু বাস্তবে এলিভেটেড প্ল্যাটফর্ম দিয়েই সে কাজ সারা হয়েছে।


তা ছাড়া আরো কিছু ছোটখাটো অমিল আছে। তবে বাণিজ্যিকভাবে এই বাস উৎপাদন শুরু হলে পরিবর্তন কিংবা পরিবর্ধন হতে পারে ডিজাইন থেকে শুরু করে অন্যান্য বিষয়ে।


যানজটে আক্রান্ত চীনের জন্য বেশ সহায়ক হতে পারে এই এলিভেটেড বাস। একটি এলিভেটেড বাস প্রায় ৪০টি বাসের যাত্রী বহন করতে পারবে। তার ফলে যানজটের সঙ্গে সঙ্গে চীনের পরিবেশদূষণের মাত্রাও কমে আসতে পারে ব্যাপক হারে।

Post A Comment: