ঢাকার সবচেয়ে জমজমাট খাবারপাড়া কোনটি? খুশখানেওলাদের সবচেয়ে বড় আড্ডাটাই বা কোথায় বসে? এক মুহূর্ত না ভেবেই উত্তরটা মুখে চলে আসে- ৩০০ ফুটের খাবারপাড়া। রাজধানীর বারিধারা-বসুন্ধরা এলাকার পূর্বাচল হাইওয়ের আরেক নাম ৩০০ ফুট রাস্তা। এখানেই ঢাকার সবচেয়ে বড় খাবারপাড়া গড়ে উঠছে দু বছর ধরে। ৩০০ ফুট রাস্তার ঠিক মুখ থেকেই শুরু ক্যাফে আর রেস্টোর‌্যান্টগুলোর। ইটোলজি, ক্যাফে ভাওয়েল, নর্থ অ্যাভিনিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টোর‌্যান্ট, ক্যাফে ম্যাকাও আর স্ট্রিট বারবিকিউর মতো রেস্টোর‌্যান্ট ও ক্যাফেগুলো। কোনোটার ছাদে বসে তারুণ্যের আড্ডা, কোনোটার শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কাচঘেরা ঘরে বসে খাবার উপভোগ করার পারিবারিক আয়োজন। তবে ৩০০ ফুটের আসল খাবারপাড়ার শুরু বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পর থ্রি হান্ড্রেড এক্সপ্রেস ক্যাফে থেকে। এরপর চা-সিগারেটের টং দোকান পেরিয়ে সাটে ফুড ওয়ার্ল্ড। সাটে ইন্দোনেশিয়া-মালয়ের ঐতিহ্যবাহী শিকে মাংস পোড়ানোর রীতি হলেও, এটি ফুড ওয়ার্ল্ডে ইন্ডিয়ান, থাই, কন্টিনেন্টাল খাবারের আশ্রয়। এরপর কাবাববাড়ি। মূলত নানা পদের কাবাব, নান রুটি আর পরোটা নিয়েই কারবার তাদের। আরও একটু এগিয়ে বাজ থ্রি হান্ড্রেড, কুঁড়েঘর, ব্যাকস্ট্রিট ক্যাফে, লা পিজা নাপোলি। বাজ থ্রি হান্ড্রেড দাবি করে, ঢাকা শহরের সেরা পোড়া মুরগির কারবারি তারা। মূলত ভারতীয় ঘরানার খাবার মেলে সেখানে। কুঁড়েঘর সাজানো হয়েছে গ্রামীণ কুঁড়েঘরের মতো করেই। এখানেও ভারতীয় খাবারের পসরা। ব্যাকস্ট্রিট ক্যাফে মূলত পিৎজা, বারবিকিউ, সুশি, বার্গার, স্যুপ, রাইস, চাওমিন নিয়েই রয়েছে। আর লা পিজা নাপোলি কেবল পিজার কারবারি। এগুলো সবই রেস্টোর‌্যান্ট বা ক্যাফে। ৩০০ ফুট হাইওয়ের খাবারপাড়ার অংশ। এই এলাকার খাবারপাড়ার মূল পরিচিতি এনে দিয়েছে কাজী ফুড আইল্যান্ড। এখানকার আইকন এখনো এই ফুড আইল্যান্ড। যদিও আশপাশে প্রতিদ্বন্দ্বী বাড়ছে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জি ব্লকের ঠিক উল্টো দিকে কাজী ফুড আইল্যান্ড। এই মার্কেটের সবচেয়ে পুরোনো দোকান- স্ট্রিট বারবিকিউ এখন পুরোদস্তুর রেস্টোর‌্যান্ট হয়ে ৩০০ ফুট রাস্তার মাথায় চলে গেছে। ফলে এখন এই মার্কেটের টিকে থাকা সবচেয়ে পুরোনো দোকান খানাস। মূলত সাব-স্যান্ডউইচের জন্য বিখ্যাত। এই খাবারপাড়ায় এখন ১৩টি দোকান। বিজারে ক্যাফের বার্গারগুলো বেশ চলে। গ্রিল মাই চিজ- চিজ নিয়েই কাজ করে। চিজ বেক করে, গ্রিল করে তৈরি হয় পাস্তা, পিৎজা আর বার্গার। ৩০০ কিচেন মূলত বারবিকিউ করে। আরও ভালো করে বলতে হলে ফিশ বারবিকিউ তাদের বিশেষত্ব। কোরাল, রূপচাঁদা, তেলাপিয়া মাছের পাশাপাশি চিকেন বারবিকিউ আর গরুর চাপ তো রয়েছেই। এল ডোরাডো মূলত মেক্সিকান খাবার নিয়ে কাজ করে। এখানে মেক্সিকান খাবারের চল এই দোকানের হাত ধরেই। জাস্ট চিল দোকানটি নানা পদের চা আর ঠান্ডা পানীয় নিয়ে রয়েছে কাজী ফুড আইল্যান্ডে। পাগলা পানি, জিরা পানি, লেমনেড তো রয়েছেই- এই দোকানের লাসসি ঢাকার সেরা। কারণ, নিজেরাই দই পেতে, সেই দই থেকে এটি তৈরি করা হয় এখানে। এই মার্কেটে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সঙ্গে টেক্কা দিতে অবশ্য চলে এসেছে রি-ইট, সয় ৩০০, গ্রিন ক্যাফে, আর অ্যান্ড বির মতো বড় পরিসরের দোকানগুলোও। শীতাতপনিয়ন্ত্রণ, লাইভ গানের ব্যবস্থা ইত্যাদির বদৌলতে দোকানগুলো আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। কাজী ফুড আইল্যান্ডের ঠিক পাশেই এ বছরের ১৪ এপ্রিল, অর্থাৎ পয়লা বৈশাখে উদ্বোধন হলো এল অ্যাসপারাগাস নামের আরেকটি ফুড কোর্টের। গ্লোবাল ফুড জাংশন হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই ফুড কোর্টের সামনের খোলা বাগান, আড্ডা দেয়ার উন্মুক্ত জায়গা, প্রায় প্রতি সন্ধ্যায় গানের আসর- একটু একটু করে স্থান করে নিচ্ছে ভোজনরসিকদের মনে। মোট ১৯টি দোকান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এল অ্যাসপারাগাস। আরও ১১টি এখনো তৈরি হচ্ছে। এই মার্কেটের জনপ্রিয়তম দোকানগুলো বারবিকিউ আর কাবাবের। এই তালিকায় রয়েছে আকাইদ, ফুড ফর ফ্রেন্ডস, র‌্যাপ এন রোল। মাছ, মুরগি, গরু, কবুতর, কোয়েল- সবই পুড়ছে এখানে। তবে আকাইদের ফিশ চিপসও বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। ভূমধ্যসাগরের খাবার নিয়ে রয়েছে মেডিটেরিনিয়ান ট্যাভার্ন। মূলত গাইরো রন্ধনরীতি নিয়ে কাজ করছে তারা। গ্র্যাভিটি কিচেন মূলত মোহাম্মদপুরের বিহারি কুজিনের ফিউশন নিয়ে কাজ করছে। তাদের চাপ বার্গার সুস্বাদু। তানপুরা ক্যাফে থাই, চায়নিজ আর ইন্ডিয়ান খাবার নিয়ে কাজ করছে। কাশ্মীরি পরোটা দিয়ে কালাভুনা তাদের সেরা আইটেম। ডেজার্ট লাইনও বেশ ভালো। টেক্স-মেক্স টেজানো বা টেক্সাসের স্প্যানিশ-আমেরিকান-মেক্সিকান ফিউশন কুজিন নিয়ে কাজ করছে। নাচোস, ট্যাকো, ফাহিতাস, বারিটো, ক্যাসেডিলার মতো ক্ল্যাসিক মেক্সিকান খাবার যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে ফিউশন পিৎজা, ট্যাকো বার্গার, স্টেক বার্গার, মাসালা নাচোসের মতো ফিউশন খাবার। ফিশ অ্যান্ড চিকেন মূলত সি ফুড আর চিকেন আইটেমগুলোর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে রেখেছে। ক্রিকেট কিচেন বার্গার আর সাব-স্যান্ডউইচ দিয়েই চলছে। ট্রল অ্যান্ড টোড মূলত ফাস্টফুড আইটেমে সীমাবদ্ধ। ব্রেক ইভেন ফাস্টফুডের পাশাপাশি শুক্র ও শনিবার আয়োজন করে মেজবানি খাবারের। মেক্সিকান খাবারের আরও দুটি দোকান রয়েছে এই ফুড কোর্টে- এল ডোরাডো ও মেক্স হাট। এল অ্যাসপারাগাসের একটু পাশেই হার্ট পয়েন্ট নামের আরও একটি ফুড কোর্ট ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে আরও দুটি ফুড কোর্ট। ৩০০ ফুটের এই খাবারপাড়ার ক্রেতাদের বেশ বড় একটি অংশ হলো আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া বসুন্ধরার বাসিন্দাদের আর ৩০০ ফুট হাইওয়ের আশপাশে ঘুরতে আসা তরুণদের আড্ডার জায়গা এই ক্যাফে, রেস্টোর‌্যান্ট আর ফুডকোর্টগুলো। তাই কম খরচে ক্রেতাদের যতটা সম্ভব ভালো খাবার পরিবেশনের চেষ্টা থাকে এখানে। দাম কম বলে খাবারের মান নিয়ে আপোস করেন না এই সব দোকানের কারবারিরা। এখানকার ক্যাফে আর রেস্টোর‌্যান্টগুলোতে খাবারের দাম একটু বেশি হলেও ফুড কোর্টগুলোতে ২০০ টাকার মধ্যে আয়েশ করে উদর পূর্তি করা যায়। এমনকি ৫৫ টাকায়ও মেলে মেক্সিকান বার্গার! ১০০ টাকায় বাটি ভর্তি ফ্রায়েড রাইস! তাই কেবল আড্ডা দিতেই হোক, আর খেতেই হোক- ঘুরে আসা যায় ৩০০ ফুটের এই খাবারপাড়া থেকে।

ঢাকার সবচেয়ে জমজমাট খাবারপাড়া কোনটি? খুশখানেওলাদের সবচেয়ে বড় আড্ডাটাই বা কোথায় বসে? এক মুহূর্ত না ভেবেই উত্তরটা মুখে চলে আসে- ৩০০ ফুটের খাবারপাড়া। রাজধানীর বারিধারা-বসুন্ধরা এলাকার পূর্বাচল হাইওয়ের আরেক নাম ৩০০ ফুট রাস্তা। এখানেই ঢাকার সবচেয়ে বড় খাবারপাড়া গড়ে উঠছে দু বছর ধরে।


৩০০ ফুট রাস্তার ঠিক মুখ থেকেই শুরু ক্যাফে আর রেস্টোর‌্যান্টগুলোর। ইটোলজি, ক্যাফে ভাওয়েল, নর্থ অ্যাভিনিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টোর‌্যান্ট, ক্যাফে ম্যাকাও আর স্ট্রিট বারবিকিউর মতো রেস্টোর‌্যান্ট ও ক্যাফেগুলো। কোনোটার ছাদে বসে তারুণ্যের আড্ডা, কোনোটার শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কাচঘেরা ঘরে বসে খাবার উপভোগ করার পারিবারিক আয়োজন।

তবে ৩০০ ফুটের আসল খাবারপাড়ার শুরু বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পর থ্রি হান্ড্রেড এক্সপ্রেস ক্যাফে থেকে। এরপর চা-সিগারেটের টং দোকান পেরিয়ে সাটে ফুড ওয়ার্ল্ড। সাটে ইন্দোনেশিয়া-মালয়ের ঐতিহ্যবাহী শিকে মাংস পোড়ানোর রীতি হলেও, এটি ফুড ওয়ার্ল্ডে ইন্ডিয়ান, থাই, কন্টিনেন্টাল খাবারের আশ্রয়। এরপর কাবাববাড়ি। মূলত নানা পদের কাবাব, নান রুটি আর পরোটা নিয়েই কারবার তাদের।

আরও একটু এগিয়ে বাজ থ্রি হান্ড্রেড, কুঁড়েঘর, ব্যাকস্ট্রিট ক্যাফে, লা পিজা নাপোলি। বাজ থ্রি হান্ড্রেড দাবি করে, ঢাকা শহরের সেরা পোড়া মুরগির কারবারি তারা। মূলত ভারতীয় ঘরানার খাবার মেলে সেখানে। কুঁড়েঘর সাজানো হয়েছে গ্রামীণ কুঁড়েঘরের মতো করেই। এখানেও ভারতীয় খাবারের পসরা। ব্যাকস্ট্রিট ক্যাফে মূলত পিৎজা, বারবিকিউ, সুশি, বার্গার, স্যুপ, রাইস, চাওমিন নিয়েই রয়েছে। আর লা পিজা নাপোলি কেবল পিজার কারবারি।

এগুলো সবই রেস্টোর‌্যান্ট বা ক্যাফে। ৩০০ ফুট হাইওয়ের খাবারপাড়ার অংশ। এই এলাকার খাবারপাড়ার মূল পরিচিতি এনে দিয়েছে কাজী ফুড আইল্যান্ড। এখানকার আইকন এখনো এই ফুড আইল্যান্ড। যদিও আশপাশে প্রতিদ্বন্দ্বী বাড়ছে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জি ব্লকের ঠিক উল্টো দিকে কাজী ফুড আইল্যান্ড। এই মার্কেটের সবচেয়ে পুরোনো দোকান- স্ট্রিট বারবিকিউ এখন পুরোদস্তুর রেস্টোর‌্যান্ট হয়ে ৩০০ ফুট রাস্তার মাথায় চলে গেছে। ফলে এখন এই মার্কেটের টিকে থাকা সবচেয়ে পুরোনো দোকান খানাস। মূলত সাব-স্যান্ডউইচের জন্য বিখ্যাত। এই খাবারপাড়ায় এখন ১৩টি দোকান। বিজারে ক্যাফের বার্গারগুলো বেশ চলে। গ্রিল মাই চিজ- চিজ নিয়েই কাজ করে। চিজ বেক করে, গ্রিল করে তৈরি হয় পাস্তা, পিৎজা আর বার্গার। ৩০০ কিচেন মূলত বারবিকিউ করে। আরও ভালো করে বলতে হলে ফিশ বারবিকিউ তাদের বিশেষত্ব। কোরাল, রূপচাঁদা, তেলাপিয়া মাছের পাশাপাশি চিকেন বারবিকিউ আর গরুর চাপ তো রয়েছেই। এল ডোরাডো মূলত মেক্সিকান খাবার নিয়ে কাজ করে। এখানে মেক্সিকান খাবারের চল এই দোকানের হাত ধরেই। জাস্ট চিল দোকানটি নানা পদের চা আর ঠান্ডা পানীয় নিয়ে রয়েছে


কাজী ফুড আইল্যান্ডে। পাগলা পানি, জিরা পানি, লেমনেড তো রয়েছেই- এই দোকানের লাসসি ঢাকার সেরা। কারণ, নিজেরাই দই পেতে, সেই দই থেকে এটি তৈরি করা হয় এখানে। এই মার্কেটে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সঙ্গে টেক্কা দিতে অবশ্য চলে এসেছে রি-ইট, সয় ৩০০, গ্রিন ক্যাফে, আর অ্যান্ড বির মতো বড় পরিসরের দোকানগুলোও। শীতাতপনিয়ন্ত্রণ, লাইভ গানের ব্যবস্থা ইত্যাদির বদৌলতে দোকানগুলো আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

কাজী ফুড আইল্যান্ডের ঠিক পাশেই এ বছরের ১৪ এপ্রিল, অর্থাৎ পয়লা বৈশাখে উদ্বোধন হলো

এল অ্যাসপারাগাস নামের আরেকটি ফুড কোর্টের। গ্লোবাল ফুড জাংশন হিসেবে যাত্রা শুরু করা এই ফুড কোর্টের সামনের খোলা বাগান, আড্ডা দেয়ার উন্মুক্ত জায়গা, প্রায় প্রতি সন্ধ্যায় গানের আসর- একটু একটু করে স্থান করে নিচ্ছে ভোজনরসিকদের মনে।

মোট ১৯টি দোকান নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে এল অ্যাসপারাগাস। আরও ১১টি এখনো তৈরি হচ্ছে। এই মার্কেটের জনপ্রিয়তম দোকানগুলো বারবিকিউ আর কাবাবের। এই তালিকায় রয়েছে আকাইদ, ফুড ফর ফ্রেন্ডস, র‌্যাপ এন রোল। মাছ, মুরগি, গরু, কবুতর, কোয়েল- সবই পুড়ছে এখানে। তবে আকাইদের ফিশ চিপসও বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। ভূমধ্যসাগরের খাবার নিয়ে রয়েছে মেডিটেরিনিয়ান ট্যাভার্ন। মূলত গাইরো রন্ধনরীতি নিয়ে কাজ করছে তারা। গ্র্যাভিটি কিচেন মূলত মোহাম্মদপুরের বিহারি কুজিনের ফিউশন নিয়ে কাজ করছে। তাদের চাপ বার্গার সুস্বাদু। তানপুরা ক্যাফে থাই, চায়নিজ আর ইন্ডিয়ান খাবার নিয়ে কাজ করছে। কাশ্মীরি পরোটা দিয়ে কালাভুনা তাদের সেরা আইটেম। ডেজার্ট লাইনও বেশ ভালো। টেক্স-মেক্স টেজানো বা টেক্সাসের স্প্যানিশ-আমেরিকান-মেক্সিকান ফিউশন কুজিন নিয়ে কাজ করছে। নাচোস, ট্যাকো, ফাহিতাস, বারিটো, ক্যাসেডিলার মতো ক্ল্যাসিক মেক্সিকান খাবার যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে ফিউশন পিৎজা, ট্যাকো বার্গার, স্টেক বার্গার, মাসালা নাচোসের মতো ফিউশন খাবার। ফিশ অ্যান্ড চিকেন মূলত সি ফুড আর চিকেন আইটেমগুলোর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে রেখেছে।

ক্রিকেট কিচেন বার্গার আর সাব-স্যান্ডউইচ দিয়েই চলছে। ট্রল অ্যান্ড টোড মূলত ফাস্টফুড আইটেমে সীমাবদ্ধ। ব্রেক ইভেন ফাস্টফুডের পাশাপাশি শুক্র ও শনিবার আয়োজন করে মেজবানি খাবারের। মেক্সিকান খাবারের আরও দুটি দোকান রয়েছে এই ফুড কোর্টে- এল ডোরাডো ও মেক্স হাট।

এল অ্যাসপারাগাসের একটু পাশেই হার্ট পয়েন্ট নামের আরও একটি ফুড কোর্ট ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে আরও দুটি ফুড কোর্ট।

৩০০ ফুটের এই খাবারপাড়ার ক্রেতাদের বেশ বড় একটি অংশ হলো আশপাশের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া বসুন্ধরার বাসিন্দাদের আর ৩০০ ফুট হাইওয়ের আশপাশে ঘুরতে আসা তরুণদের আড্ডার জায়গা এই ক্যাফে, রেস্টোর‌্যান্ট আর ফুডকোর্টগুলো। তাই কম খরচে ক্রেতাদের যতটা সম্ভব ভালো খাবার পরিবেশনের চেষ্টা থাকে এখানে। দাম কম বলে খাবারের মান নিয়ে আপোস করেন না এই সব দোকানের কারবারিরা। এখানকার ক্যাফে আর রেস্টোর‌্যান্টগুলোতে খাবারের দাম একটু বেশি হলেও ফুড কোর্টগুলোতে ২০০ টাকার মধ্যে আয়েশ করে উদর পূর্তি করা যায়। এমনকি ৫৫ টাকায়ও মেলে মেক্সিকান বার্গার! ১০০ টাকায় বাটি ভর্তি ফ্রায়েড রাইস!

তাই কেবল আড্ডা দিতেই হোক, আর খেতেই হোক- ঘুরে আসা যায় ৩০০ ফুটের এই খাবারপাড়া থেকে।

Post A Comment: