স্তন ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক একটি হলো ট্রিপল নেগেটিভ। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ১৬ বছর বয়সী এক বালক দাবি করছেন, তিনি এ ক্যান্সারের চিকিৎসার একটি কার্যকর উপায় আবিষ্কার করেছেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। ট্রিপল নেগেটিভ নামে পরিচিত স্তন ক্যান্সারটি মূলত কোনো ওষুধেই কাজ হয় না। তবে ক্রিটিন নিথিয়ানান্দাম দাবি করছেন, তিনি এ ক্যান্সারের চিকিৎসায় একটি কার্যকর উপায় আবিষ্কার করেছেন। আর এ পদ্ধতি ব্যবহার করে চিকিৎসা করা সম্ভব এ ক্যান্সারটির। বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্প্রতি ভারত থেকে যুক্তরাজ্যে গিয়েছেন ক্রিটিন। বহু স্তন ক্যান্সার এস্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরোন বা গ্রোথ কেমিক্যালের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়। আর এগুলোকে ট্যামোক্সিফেন বা এ ধরনের ওষুধের মাধ্যমে বৃদ্ধি বন্ধ করে দেওয়া যায়। তবে ট্রিপল নেগেটিভ স্তন ক্যান্সার এসব ওষুধে কাজ করে না। আর এ কারণে সার্জারি, রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে এ ক্যান্সারের চিকিৎসা করা হয়। এতে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও কমে যায়। তবে ক্রিটিন নতুন যে চিকিৎসা পদ্ধতিটি নিয়ে কাজ করছেন তা মূলত এ সীমাবদ্ধতাকে দূর করবে বলে তিনি দাবি করেন। এজন্য তিনি আইডি৪ প্রোটিন নিয়ে কাজ করছেন বলে জানান। ক্রিটিন বলেন, এ ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় লক্ষ্য হলো, এগুলো আগে যে পর্যায়ে ছিল সেখানে নিয়ে যাওয়া। আইডি৪ প্রোটিনগুলো ক্যান্সারের কোষগুলোকে আলাদা করতে সহায়তা করে। আর এর মাধ্যমে সেগুলোকে শনাক্ত করা যেমন সম্ভব হয় তেমন তা চিকিৎসাও সম্ভব হয়। এক্ষেত্রে কেমোথেরাপি ও ওষুধ উভয় বিষয়ে একত্রে চিকিৎসা দিয়েও ক্যান্সারের নিরাময় সম্ভব বলে তিনি জানান। বর্তমানে তরুণ গবেষক হিসেবে যথেষ্ট নাম করেছেন ক্রিটিন। এর আগেও কয়েকটি গবেষণায় তিনি সাফল্য লাভ করেছেন।



স্তন ক্যান্সারের মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক একটি হলো ট্রিপল নেগেটিভ। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ১৬ বছর বয়সী এক বালক দাবি করছেন, তিনি এ ক্যান্সারের চিকিৎসার একটি কার্যকর উপায় আবিষ্কার করেছেন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। ট্রিপল নেগেটিভ নামে পরিচিত স্তন ক্যান্সারটি মূলত কোনো ওষুধেই কাজ হয় না। তবে ক্রিটিন নিথিয়ানান্দাম দাবি করছেন, তিনি এ ক্যান্সারের চিকিৎসায় একটি কার্যকর উপায় আবিষ্কার করেছেন। আর এ পদ্ধতি ব্যবহার করে চিকিৎসা করা সম্ভব এ ক্যান্সারটির। বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্প্রতি ভারত থেকে যুক্তরাজ্যে গিয়েছেন ক্রিটিন। বহু স্তন ক্যান্সার এস্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরোন বা গ্রোথ কেমিক্যালের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়। আর এগুলোকে ট্যামোক্সিফেন বা এ ধরনের ওষুধের মাধ্যমে বৃদ্ধি বন্ধ করে দেওয়া যায়। তবে ট্রিপল নেগেটিভ স্তন ক্যান্সার এসব ওষুধে কাজ করে না। আর এ কারণে সার্জারি, রেডিয়েশন ও কেমোথেরাপির মাধ্যমে এ ক্যান্সারের চিকিৎসা করা হয়। এতে রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও কমে যায়। তবে ক্রিটিন নতুন যে চিকিৎসা পদ্ধতিটি নিয়ে কাজ করছেন তা মূলত এ সীমাবদ্ধতাকে দূর করবে বলে তিনি দাবি করেন। এজন্য তিনি আইডি৪ প্রোটিন নিয়ে কাজ করছেন বলে জানান। ক্রিটিন বলেন, এ ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় লক্ষ্য হলো, এগুলো আগে যে পর্যায়ে ছিল সেখানে নিয়ে যাওয়া। আইডি৪ প্রোটিনগুলো ক্যান্সারের কোষগুলোকে আলাদা করতে সহায়তা করে। আর এর মাধ্যমে সেগুলোকে শনাক্ত করা যেমন সম্ভব হয় তেমন তা চিকিৎসাও সম্ভব হয়। এক্ষেত্রে কেমোথেরাপি ও ওষুধ উভয় বিষয়ে একত্রে চিকিৎসা দিয়েও ক্যান্সারের নিরাময় সম্ভব বলে তিনি জানান। বর্তমানে তরুণ গবেষক হিসেবে যথেষ্ট নাম করেছেন ক্রিটিন। এর আগেও কয়েকটি গবেষণায় তিনি সাফল্য লাভ করেছেন।

Post A Comment: