শুধু সিনেমা মুক্তিতে খুব একটা সুবিধা করতে না পেরে এবার কৌশল বদলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বাজারে ঢুকছে কলকাতার প্রযোজনা সংস্থা শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস। কয়েকটি বন্ধ ও চালু সিনেমা হল লিজ নিয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।



 শুধু সিনেমা মুক্তিতে খুব একটা সুবিধা করতে না পেরে এবার কৌশল বদলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বাজারে ঢুকছে কলকাতার প্রযোজনা সংস্থা শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস। কয়েকটি বন্ধ ও চালু সিনেমা হল লিজ নিয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।


ইতোমধ্যে বাংলাদেশের একাধিক প্রভাবশালী প্রযোজক ও প্রদর্শক নেতাদের সাথে বৈঠক করেছেন শ্রী ভেঙ্কটেশের কর্তাব্যক্তিরা।

পরিবর্তন ডটকমের অনুসন্ধানে জানা যায়, এ পরিকল্পনায় সাহায্য করছে ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, ‘মনের মানুষ’ ও ‘শঙ্খচিল’-সহ বেশ কিছু যৌথ প্রযোজনার সিনেমার প্রযোজক ও আশীর্বাদ চলচ্চিত্রের কর্ণধার হাবিবুর রহমান খান। তার সঙ্গে রয়েছেন মধুমিতা সিনেমা হলের মালিক নওশাদ আহমেদ, প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিয়া আলাউদ্দিন ও অন্যরা।

রাজধানীর কাকরাইলে আর্শীবাদ চলচ্চিত্রের অফিসে বুধবার রাতে পশ্চিমবঙ্গ ও ঢাকার পক্ষের সর্বশেষ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত থাকা একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘শ্রী ভেঙ্কটেশ প্রথমে ঢাকার বাইরে বন্ধ হলগুলো লিজ নিচ্ছে। এর মধ্যে বগুড়া জেলায় বন্ধ থাকা ২২টি হল, চট্টগ্রামের ১১টি-সহ প্রায় ৫০টি হল নিয়ে তাদের চিন্তা-ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে ১০-১২টি হলের সাথে কথাবার্তা চূড়ান্ত হয়েছে। তাছাড়া তারা কক্সবাজারে একটি সিনেপ্লেক্স করবে।’

তবে বৈঠক বা শ্রী ভেঙ্কটেশের পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকার ব্যাপারটি অস্বীকার করে হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘আমি এসব কোনো কিছুর সাথেই যুক্ত না। আমার অফিস থেকে শ্রী ভেঙ্কটেশের ছবি মুক্তি পেয়েছে দেখে অনেকে এটা মনে করছে। আর কিছু না।’

কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বাজারে প্রবেশের চেষ্টা করছে শ্রী ভেঙ্কটেশ। মাস কয়েক আগেও শাকিব খানের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনার সিনেমা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি কয়েক দফা বৈঠক করে। ওই সময় নিজ দেশের এসকে মুভিজের কাছে শাকিবকে দখলে হেরে যায় শ্রী ভেঙ্কটেশ। এসকে মুভিজের সঙ্গে তিনবছরের চুক্তিতে আবদ্ধ হন শাকিব। এ কারণে কলকাতার অন্য কোনো প্রযোজনা সংস্থার ছবিতে মুখ দেখাতে পারবেন না এ নায়ক। এছাড়া সম্প্রতি শ্রী ভেঙ্কটেশের ব্যানারে নির্মিত ‘কেলোর র্কীতি’ বাংলাদেশে মুক্তি পেয়েও ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়নি।

এদিকে শ্রী ভেঙ্কটেশকে নিয়ে ঢাকার চলচ্চিত্রপাড়ায় বলা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা সফল হলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের বিরাট একটা অংশ কলকাতার দখলে চলে যাবে। ইতোমধ্যে জাজ মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ভেঙ্কটেশের প্রতিদ্বন্দ্বী এসকে মুভিজ।

Post A Comment: