আঙুলের ইশারায় যদি কম্পিউটার চলে তো মন্দ কী? মাইক্রোসফটের অবশ্য তেমনই ইচ্ছা। ভার্চ্যুয়াল রিয়ালিটি যন্ত্রে চালানো যাবে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো শহরে ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের ইনটেল ডেভেলপার ফোরাম। সেখানে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ও ডিভাইস বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট টেরি মায়ারসন এবং ইনটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রায়ান ক্রাজনিখ ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী বছর উইন্ডোজ ১০-এর নতুন একটি সংস্করণ ছাড়া হবে। ফলে উইন্ডোজ ১০-চালিত সব কম্পিউটারে চলবে মাইক্রোসফট হলোলেন্স। আর এই মাথায় পরার মিশ্র বাস্তব (মিক্সড রিয়ালিটি) যন্ত্রে উইন্ডোজ ১০-এর সফটওয়্যারগুলো চালানো যাবে হাত দিয়ে ছুঁয়ে কিংবা ইশারায়।



আঙুলের ইশারায় যদি কম্পিউটার চলে তো মন্দ কী? মাইক্রোসফটের অবশ্য তেমনই ইচ্ছা। ভার্চ্যুয়াল রিয়ালিটি যন্ত্রে চালানো যাবে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম। যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো শহরে ১৬ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে তিন দিনের ইনটেল ডেভেলপার ফোরাম। সেখানে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ও ডিভাইস বিভাগের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট টেরি মায়ারসন এবং ইনটেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রায়ান ক্রাজনিখ ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী বছর উইন্ডোজ ১০-এর নতুন একটি সংস্করণ ছাড়া হবে। ফলে উইন্ডোজ ১০-চালিত সব কম্পিউটারে চলবে মাইক্রোসফট হলোলেন্স। আর এই মাথায় পরার মিশ্র বাস্তব (মিক্সড রিয়ালিটি) যন্ত্রে উইন্ডোজ ১০-এর সফটওয়্যারগুলো চালানো যাবে হাত দিয়ে ছুঁয়ে কিংবা ইশারায়।


২০১৫ সালের জানুয়ারিতে প্রথম মাইক্রোসফট হলোলেন্সের ধারণা প্রকাশ করা হয়। মিশ্র বাস্তব প্রযুক্তির মূলকথা হলো বাস্তব দুনিয়ার সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ার মিলন। একটা উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। মনে করুন কোনো ঘরের চার দেয়ালের ভেতরে একটি টেবিল ও বইয়ের তাক আছে। দরজা-জানালা তো আছেই। মিশ্র বাস্তবে বাস্তবের এই ঘরের দেয়ালেই পর্দা তৈরি করে কম্পিউটারের অ্যাপ দেখাবে। সেখানে কাজ সারা যাবে। টেবিলে হয়তো স্কাইপ, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড আর ক্যালকুলেটরের আইকন পড়ে থাকবে। নির্দেশ দিলেই নতুন ভাসমান পর্দায় সেই অ্যাপের কাজ শুরু হয়ে যাবে। বইয়ের তাক থেকে বই নিয়ে পড়ার সুবিধাও থাকবে। আর কাজে বিরক্তি চলে এলে ঘুরে আসা যাবে যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন কিংবা মিসরের গিজার পিরামিড থেকে। হয়তো বের হওয়ার দরজায় ভ্রমণের সে অ্যাপ দেখাবে। উইন্ডোজ ১০-এর বর্তমান পরিকল্পনা নিয়ে এক ভিডিও প্রকাশ করেছে মাইক্রোসফট। সেখানে দ্বিমাত্রিক সফটওয়্যারের সঙ্গে ত্রিমাত্রিক সফটওয়্যারে কাজের একটা ধারণা দেওয়া হয়েছে। ইনটেলের একটি কম্পিউটারে মাইক্রোসফট হলোলেন্স চালিয়ে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।


দ্বিমাত্রিক অ্যাপ চালানোর জন্য আলাদা ভার্চ্যুয়াল পর্দা চালু করা যাবে। আর ত্রিমাত্রিক সফটওয়্যার চালানো যাবে ৬ মাত্রার নিয়ন্ত্রণ (সামনে-পেছনে, ডানে-বাঁয়ে ও ওপরে-নিচে)। ত্রিমাত্রিক অ্যাপের উদাহরণ হিসেবে ভিডিওটিতে একটি ভার্চ্যুয়াল কুকুরছানা দেখানো হয়, যা বাস্তবের মতোই দুরন্ত।

Post A Comment: