প্রবল বেগে পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে একটি গ্রহাণু। এটি পৃথিবীকে আঘাত করতে পারে এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলেও মনে করছেন জ্যোতির্বিদরা। ঘণ্টায় ৬৩০০০ মাইল বেগে ছুটে আসছে এটি। ১৯৯৯ সালে আবিষ্কৃত হয় এই গ্রহাণু। এটি পৃথিবী আর চাঁদের মাঝামাঝি জায়গায় ভেঙে যাবে।



প্রবল বেগে পৃথিবীর দিকে এগিয়ে আসছে একটি গ্রহাণু। এটি পৃথিবীকে আঘাত করতে পারে এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে বলেও মনে করছেন জ্যোতির্বিদরা। ঘণ্টায় ৬৩০০০ মাইল বেগে ছুটে আসছে এটি। ১৯৯৯ সালে আবিষ্কৃত হয় এই গ্রহাণু। এটি পৃথিবী আর চাঁদের মাঝামাঝি জায়গায় ভেঙে যাবে। 


২১৩৫ সালে এই মহাজাগতিক ঘটনা ঘটার কথা। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা তাতে হবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। মৃত্যু হবে বহু মানুষের। নাসার গবেষক দান্তে লরেট জানিয়েছেন, ২১৩৫ সালে মধ্যে এই গ্রহাণুর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও তিনি করেন ততদিনে বিজ্ঞান অনেকটাই এগিয়ে যাবে ফলে ওই গ্রহাণুর পথ ঘুরিয়ে দেয়া সম্ভব হবে। যাতে মানুষকে বাঁচানোও সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তিনি। তার আশা, ১৫০ বছরের মধ্যে আবিষ্কৃত হবে গ্র্যাভিটি ট্রাক্টর। আর তা দিয়েই রোধ করা যাবে এই গ্রহাণুকে। ৩ বিলিয়ন টন বিস্ফোরকের সমান আঘাত হানতে পারে এই ‘বেন্নু’। 

Post A Comment: