যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার চাড়াভিটা এলাকায় দুজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী সিরাজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, তেল বিক্রির উপরি টাকার ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে জোড়া খুন করার কথা স্বীকার করেছেন সিরাজুল। হত্যাকাণ্ডে আরও তিনজন জড়িত।


গতকাল সোমবার গভীর রাতে শার্শা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে সিরাজুলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রাতে ফিলিং স্টেশনের মালিক মাসুদুর রহমান হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সিরাজুলের বাড়ি যশোর সদর উপজেলার মুন্সেফপুর গ্রামে।

যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের ভাষ্য, সিরাজুল ইসলামসহ চারজন মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। হত্যায় সিরাজুলই মূল ভূমিকা রাখেন। খুনে জড়িত অন্য তিনজনের বাড়ি পেট্রলপাম্পের আশপাশে। তাঁদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আনিসুর রহমান আরও বলেন, পেট্রলপাম্পের জ্বালানি তেলের উপরি আয়ের টাকার ভাগ নিয়ে নজলম্যান (যিনি তেল ভরেন) সিরাজুলের সঙ্গে ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক ওবায়দুর রহমানের দ্বন্দ্ব ছিল।

গতকাল সোমবার সকালে ফিলিং স্টেশনের ভেতরে ব্যবস্থাপক ওবায়দুর রহমান (৩০) ও সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম এম) কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী লিজন আহমেদকে (২৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী সিরাজুল ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

Post A Comment: