প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন কম করেননি ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। কখনো ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়ে, কখনো বা ফেসবুক পোস্টে, আবার চীন বা ভারত দর্শনে এসেও ব্যবহারকারীর মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। ১৪ জুনের প্রশ্নোত্তর পর্বের বিশেষত্ব হলো, সেদিন সবার সামনেই হাজির হয়েছিলেন, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়ে বসেই। সরাসরি ভিডিও সম্প্রচারের সেবা ফেসবুক লাইভে ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। ৮২ লাখ জোড়া চোখ তখন মার্ক জাকারবার্গের ওপর নিবদ্ধ। এমন সময় একজন প্রশ্ন করে বসলেন, ‘মার্ক, যা শুনছি তা কি ঠিক? আড়ালে তুমি নাকি আসলে টিকটিকি?’ মার্ক অবশ্য রাগ বা হাসিঠাট্টার মধ্যে না গিয়ে শান্ত সুরে উত্তর দিলেন, ‘আমার উত্তরটা হচ্ছে, না। আমি টিকটিকি না।’


কিছুটা ফেসবুক লাইভের প্রচারণা, কিছুটা ব্যবহারকারীর কাছে আসা এক ঘণ্টার সে প্রশ্নোত্তর পর্বের উদ্দেশ্য ছিল এমনই। লাখ খানেক মানুষ সেদিন কমেন্টে তাঁদের প্রশ্ন-মতামত জানিয়েছিলেন।
দুনিয়াকে এক সুতায় গাঁথার যে কথা মার্ক জাকারবার্গ প্রায়ই বলেন, সেদিনও তার পুনরাবৃত্তি করেছেন। তবে ভার্চ্যুয়াল এবং অগমেন্টেড রিয়্যালিটি কাজের ওপর গুরুত্ব দেন। ভবিষ্যতে শুধু চিন্তা থেকেই ফেসবুকে পোস্ট করা যাবে, বন্ধুদের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদান করা যাবে। এ জন্য কয়েক দশক সময় যে লেগে যাবে, তা-ও স্বীকার করলেন মার্ক।
 
ফেসবুক ব্যবহারে টাকা খরচ করতে হবে, এমন একটা কথা প্রায়ই শোনা যাচ্ছিল। সে সম্ভাবনা গুজব বলেই উড়িয়ে দিলেন মার্ক, ‘এটা ফ্রি, সব সময় তা-ই থাকবে।’
ফেসবুক লাইভের একপর্যায়ে কৌতুক অভিনেতা জেরি সিনফিল্ডের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন মার্ক। মার্কের সঙ্গে প্রায় ১৫ মিনিট বেশ হালকা সুরেই গল্প করেন জেরি। নিজের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কেও বলেন। কন্যা ম্যাক্স প্রতি সকালে তাঁকে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ঘুম ভাঙিয়ে দেয়। কারণ সে নাকি নাক দিয়ে অদ্ভুত শব্দ করে।

Post A Comment: