পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম খুনের মামলায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই বলে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার। তবে তথ্য ও বস্তুগত অনেক অগ্রগতি আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবদিক বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগোচ্ছে। একটু সময় নিচ্ছি মূল জায়গায় আসতে।’ আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। পুলিশ কমিশনার বলেন, কেন, কারা, কীভাবে প্রথমবারের মতো পুলিশ সদস্যের পরিবারের ওপর হামলা করল, তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে। ঘটনার দিন বাবুল আক্তারের স্ত্রীর মুঠোফোনে তাঁর ছেলের স্কুল থেকে এটি খুদে বার্তা পাঠানোর যে খবর ছড়িয়েছে, এর সত্যতা জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার বলেন, ঘটনার পর থেকে মাহমুদা খানমের মুঠোফোনটি পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানিয়েছে, তারা কোনো খুদে বার্তা পাঠায়নি। তারপরও তাঁর মুঠোফোনটি পেলে তা যাচাই–বাছাই করে দেখা হবে। গত রোববার সকাল সাতটায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম। ঘটনার পর পুলিশ জানায়, জঙ্গি দমনে বাবুল আক্তারের সাহসী ভূমিকা ছিল। এ কারণে জঙ্গিরা তাঁর স্ত্রীকে খুন করে থাকতে পারে। হত্যার পর রাতে পাঁচলাইশ থানার এক এসআইকে দিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে মামলার করার সিদ্ধান্ত হলেও গতকাল সোমবার বাবুল আক্তার নিজে বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।



পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম খুনের মামলায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই বলে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার। তবে তথ্য ও বস্তুগত অনেক অগ্রগতি আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবদিক বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগোচ্ছে। একটু সময় নিচ্ছি মূল জায়গায় আসতে।’


আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

পুলিশ কমিশনার বলেন, কেন, কারা, কীভাবে প্রথমবারের মতো পুলিশ সদস্যের পরিবারের ওপর হামলা করল, তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করছে।

ঘটনার দিন বাবুল আক্তারের স্ত্রীর মুঠোফোনে তাঁর ছেলের স্কুল থেকে এটি খুদে বার্তা পাঠানোর যে খবর ছড়িয়েছে, এর সত্যতা জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার বলেন, ঘটনার পর থেকে মাহমুদা খানমের মুঠোফোনটি পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানিয়েছে, তারা কোনো খুদে বার্তা পাঠায়নি। তারপরও তাঁর মুঠোফোনটি পেলে তা যাচাই–বাছাই করে দেখা হবে।

গত রোববার সকাল সাতটায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম। ঘটনার পর পুলিশ জানায়, জঙ্গি দমনে বাবুল আক্তারের সাহসী ভূমিকা ছিল। এ কারণে জঙ্গিরা তাঁর স্ত্রীকে খুন করে থাকতে পারে। হত্যার পর রাতে পাঁচলাইশ থানার এক এসআইকে দিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে মামলার করার সিদ্ধান্ত হলেও গতকাল সোমবার বাবুল আক্তার নিজে বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

Post A Comment: