পরশু অনুশীলন করেছেন অনেকটা নিভৃতে। বোঝাই যাচ্ছিল, লিওনেল মেসি তখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। আর্জেন্টিনা কোচ জেরার্ডো মার্টিনোও আভাস দিয়েছেন, মেসির জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সেই সম্ভাবনা ক্ষীণই। কাল চিলির সঙ্গে মেসিকে প্রথম ম্যাচে পাওয়া যাবে না—সেটি একরকম নিশ্চিতই। এর মধ্যেই মেসির বিকল্প হিসেবে নিকো গাইতানকে ভেবে রেখেছেন কোচ মার্টিনো। গত সপ্তাহেই হন্ডুরাসের সঙ্গে ম্যাচে পিঠে চোট পেয়েছিলেন মেসি। এরপর বার্সেলোনায় উড়ে গিয়ে কর ফাঁকিসংক্রান্ত মামলায় হাজিরা দেওয়া, আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসে অনুশীলন—আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড বিশ্রাম নেওয়ার সময় পেলেন কই? চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি তিনি। কাল চিলির সঙ্গে গত বছরের ফাইনালের রিপ্লেটা খুব সম্ভবত মাঠের বাইরে থেকেই দেখতে হচ্ছে মেসিকে। মেসির জায়গায় যাঁর কপাল খুলতে যাওয়ার অপেক্ষায়, বেনফিকার সেই গাইতানকে নিয়ে মার্টিনো বেশ উচ্ছ্বসিতই, ‘ও লিওর মতো খেলবে, সেটা তো আমি আশা করতে পারি না। আমি চাই ও নিজের সেরার চেয়েও একটু বেশি কিছুই দিক। এই মুহূর্তে সে খুব ভালো অবস্থায় আছে, সে খুবই দ্রুত, পাসিং ভালো, ড্রিবলও ভালো করে। পূর্ণাঙ্গ একজন খেলোয়াড়ই বলা যায় ওকে।’ গতবারের ফাইনালের পর অবশ্য মার্চে চিলিকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু ম্যাচটা কোপায় বলে ঘুরেফিরে প্রতিশোধের প্রশ্ন আসছেই। মার্টিনো অবশ্য ব্যাপারটা এভাবে দেখছেন না, ‘গত মার্চের ম্যাচের সময়ও আমাকে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল। গতবারের ফাইনাল হয়েছিল এক বছর আগে। চিলি সেটি পেনাল্টিতে জিতেছিল। ফাইনাল হলেও এখানে আসলে প্রতিশোধের প্রশ্ন আসবে না। এটা শুধু আমাদের জন্য নতুন একটা সুযোগ।’


পরশু অনুশীলন করেছেন অনেকটা নিভৃতে। বোঝাই যাচ্ছিল, লিওনেল মেসি তখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি। আর্জেন্টিনা কোচ জেরার্ডো মার্টিনোও আভাস দিয়েছেন, মেসির জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সেই সম্ভাবনা ক্ষীণই। কাল চিলির সঙ্গে মেসিকে প্রথম ম্যাচে পাওয়া যাবে না—সেটি একরকম নিশ্চিতই। এর মধ্যেই মেসির বিকল্প হিসেবে নিকো গাইতানকে ভেবে রেখেছেন কোচ মার্টিনো।


গত সপ্তাহেই হন্ডুরাসের সঙ্গে ম্যাচে পিঠে চোট পেয়েছিলেন মেসি। এরপর বার্সেলোনায় উড়ে গিয়ে কর ফাঁকিসংক্রান্ত মামলায় হাজিরা দেওয়া, আবার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে এসে অনুশীলন—আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড বিশ্রাম নেওয়ার সময় পেলেন কই? চোট থেকে এখনো পুরোপুরি সেরে ওঠেননি তিনি। কাল চিলির সঙ্গে গত বছরের ফাইনালের রিপ্লেটা খুব সম্ভবত মাঠের বাইরে থেকেই দেখতে হচ্ছে মেসিকে।

মেসির জায়গায় যাঁর কপাল খুলতে যাওয়ার অপেক্ষায়, বেনফিকার সেই গাইতানকে নিয়ে মার্টিনো বেশ উচ্ছ্বসিতই, ‘ও লিওর মতো খেলবে, সেটা তো আমি আশা করতে পারি না। আমি চাই ও নিজের সেরার চেয়েও একটু বেশি কিছুই দিক। এই মুহূর্তে সে খুব ভালো অবস্থায় আছে, সে খুবই দ্রুত, পাসিং ভালো, ড্রিবলও ভালো করে। পূর্ণাঙ্গ একজন খেলোয়াড়ই বলা যায় ওকে।’

গতবারের ফাইনালের পর অবশ্য মার্চে চিলিকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু ম্যাচটা কোপায় বলে ঘুরেফিরে প্রতিশোধের প্রশ্ন আসছেই। মার্টিনো অবশ্য ব্যাপারটা এভাবে দেখছেন না, ‘গত মার্চের ম্যাচের সময়ও আমাকে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল। গতবারের ফাইনাল হয়েছিল এক বছর আগে। চিলি সেটি পেনাল্টিতে জিতেছিল। ফাইনাল হলেও এখানে আসলে প্রতিশোধের প্রশ্ন আসবে না। এটা শুধু আমাদের জন্য নতুন একটা সুযোগ।’

Post A Comment: