ইফতারে দেশি-বিদেশি বৈচিত্র্য আনতে পাঁচতারকা হোটেলগুলোর নানা আয়োজন। ইফতারে থাকছে খাবারের সমাহার। তবে দামের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে হোটেলগুলোর। প্যানপ্যাসিফিক সোনরগাঁও হোটেলের ক্যাফে বাজার রেস্টুরেন্টে ইফতার আয়োজনে থাকেছে মালয়েশিয়া ইন্দোনেশীয় এবং ভিয়েতনামের বুফে খাবার। ব্যুফে আয়োজনের মূল ডিশগুলোর মধ্যে থাকছে বিভিন্ন রকম মাংসের আইটেম যেমন- মালয়েশিয়ান বিফ রেনডাং, উন্দোনেশিয়ার পাহাড়ি খাবার নারকেলের দুধ দিয়ে প্রস্তুত চিকেন ডিশ “ওপর আয়্যাম”, থাই ঐতিহ্যবাহী চিকেন সাতায় এবং ভিয়েতনামের সুগন্ধি ল্যাম্ব চপ। এ ছাড়াও থাই টার্কি সালাদ, মালয় বেক্‌ড স্পিনাচ প্যাটিস, ইন্দোনেশিয়ান ফ্রাইড কর্ন ফ্রিটারস এবং বিশ্বখ্যাত ভিয়েতনামিজ নুড্‌ল স্যুপ। চাল থেকে প্রস্তুত মালয়েশিয়ার শহরতলির পিঠা “পুলুৎ ইন্তি কেলাপা” সহ সুস্বাদু মজাদার সব ডেজার্ট। এ বছরের বিশেষ আকর্ষণ- ফুকেট চিকেন বিরিয়ানীর। সঙ্গে দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারও থাকছে। বুফে ইফতার ও রাতের খাবার খেতে জনপ্রতি খরচ পড়বে ২ হাজার ২শ টাকা। এ ছাড়াও হালিম ও জিলাপি সহ নানা ধরনের আইটেম পাওয়া যাবে লবিতে। জিলাপি আধা কেজি ৮শত টাকা এবং এক কেজি ১৪শ টাকা হালিম স্মল বক্স ১২শ টাকা এবং ফুল বক্স ২২শত টাকায় পাওয়া যাবে এখানে। প্যানপ্যসিফিক সোনারগাঁও ঢাকার মার্কেটিং ও জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক সালমান কবির বলেন, “এবারের রমজানে অতিথিদের জন্য বিশেষ প্যাসিফিক রিম আয়োজন করা হয়েছে। দাম যতটা সম্ভব আমরা কম রাখার চেষ্টা করেছি। অন্যান্য পাঁচতারকা হোটেলের চেয়ে আমাদের খাবারের দাম অনেক কম রাখা হয়েছে । খাবারের মান ঠিক রেখেই আমরা দাম নির্ধারণ করার চেষ্টা করেছি। যেন শুধুমাত্র উচ্চবিত্তরা নয় মধ্যবিত্তরাও এখানে ইফতার করতে আসতে পারে।ওয়েস্টিন হোটেলে থাকছে বুফে ইফতার এবং সঙ্গে সেহরির আয়োজন। ওয়েস্টিনের সিজেনাল টেস্ট রেস্তরাঁয় বুফে ইফতারে থাকবে বিশেষ আইটেম হিসেবে পুরো ল্যাম উজি রোস্ট, নানান পদের কাবাব এবং ওরেঞ্জ জাফরান জিলাপি। এ ছাড়াও দেশীয় বিভিন্ন ধরনের খাবারসহ ৫০ থেকে ৬০টি আইটেম থাকবে। এখানে ইফতার করতে হলে জনপ্রতি খরচ পড়বে ৪ হাজার ৯ শত ৯৯ টাকা। ওয়েস্টিনের আরেক রেস্তরাঁ স্প্ল্যাসের বুফে থাকছে বিভিন্ন ধরনের জুসের আইটেম, জুসি কাবাব নেহারি, হালিম সহ বাহারি খাবার। এখানে খেতে খরচ হবে তিন হাজার ৫ শত টাকা। এ ছাড়াও ১৬শ টাকায় পাওয়া যাবে ওয়েস্টিনের ইফতার বক্স। এই হোটেলে বুফে সেহরি খেতে হলে খরচ পড়বে ২১০০ টাকা। ওয়েস্টিনের মার্কেটিং ম্যানেরজার সাদমান সালাউদ্দিন বলেন আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ভালো ইফতার আয়োজনে। এজন্য আমরা ওয়েস্টিনের ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টটা বন্ধ রেখেছি। আশা করছি প্রতিবারের মতো এবার আমাদের ইফতার রোজাদাররা পছন্দ করবে। হোটেল রেডিসন রমজানে ইফতারের বিশেষ আয়োজন হিসেবে ওয়াটার গার্ডেনে আয়োজন করছে অ্যারাবিয়ার ইফতার ফ্যাস্টিবল। এখানে কাবাব আইটেমকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের বিশেষ জুস থাকবে। বুফে অ্যারাবিয়ান ও দেশীয় ১৫০ ধরনের আইটেম থাকবে। এখানে খেতে হলে ৩ হাজার ৮শত ৫০ টাকা গুনতে হবে। রেডিসন হোটেলে শুধু ইফতারের সঙ্গে ডিনারের আয়োজন থাকছে। সেহরির কোনো আয়োজন থাকছে না বলে জানান রেডিসনের অনলাইন মার্কেটিংয়ের সহকারী পরিচালক হামিম আহমেদ। লা মেরিডিয়ান হোটেলে রমজানে তিনটি রেস্টুরেন্টে থাকছে ইফতারের রকমারি আয়োজন। কেবল ইফতার নয়, বুফে সেহরিও খাওয়া যাবে এই হোটেলে। বুফে ইফতার এবং রাতের খাবারের জন্য জনপ্রতি খরচ হবে ৪ হাজার ৯০০ টাকা এবং বুফে সেহরির জন্য খরচ পড়বে জনপ্রতি ২ হাজার ৭০০ টাকা। রুফটপ মেডিটেরিয়ান রেস্টুরেন্ট ওলেয়াতে থাকবে মধ্য পূর্বাঞ্চলীয় খাবারের বিভিন্ন ইফতারের সমাহার। এ ছাড়াও ১৬ই জুন থেকে ২৫শে জুন পর্যন্ত ওলেয়াতে আয়োজন করা হয়েছে ১০ দিনব্যাপী মিশরীয় ইফতারের মেলা। ওলেয়াতে জনপ্রতি খরচ হবে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। ফ্যাভোলা হচ্ছে লা মেরিডিয়ানের ইটালিয়ান খাবার রেস্টুরেন্ট। যেখানে ইফতারের জন্য দেয়া হচ্ছে জনপ্রতি ৩ হাজার ৯০০ টাকায় সেট মেন্যু। হরেক রকম পানীয় এবং শুকনো ফল ও বাদামের সঙ্গে থাকছে ছোলা এবং চিংড়ি মাছের সালাদ, মাশরুমের স্যুপ, মুরগির লাসাগ্না, খাসির পা সেদ্ধ, সেদ্ধ আলু, পিৎজা এবং আরো বিভিন্ন রকমের খাবার। পাঁচতারকা হোটেলগুলো যেসব ব্যাংক এবং মোবাইল কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি রয়েছে তাদের গ্রাহকদের জন্য রেখেছে ‘একটি কিনে একটি ফ্রি’ অফার। অর্থাৎ একজনের বুফে ইফতারে সঙ্গে আরেক জন ফ্রি বুফে ইফতারের সুযোগ পাচ্ছে।

 

 ইফতারে দেশি-বিদেশি বৈচিত্র্য আনতে পাঁচতারকা হোটেলগুলোর নানা আয়োজন। ইফতারে থাকছে খাবারের সমাহার। তবে দামের ক্ষেত্রে ভিন্নতা রয়েছে হোটেলগুলোর। প্যানপ্যাসিফিক সোনরগাঁও হোটেলের ক্যাফে বাজার রেস্টুরেন্টে ইফতার আয়োজনে থাকেছে মালয়েশিয়া ইন্দোনেশীয় এবং ভিয়েতনামের বুফে খাবার।  ব্যুফে আয়োজনের মূল ডিশগুলোর মধ্যে থাকছে বিভিন্ন রকম মাংসের আইটেম যেমন- মালয়েশিয়ান বিফ রেনডাং, উন্দোনেশিয়ার পাহাড়ি খাবার নারকেলের দুধ দিয়ে প্রস্তুত চিকেন ডিশ “ওপর আয়্যাম”, থাই ঐতিহ্যবাহী চিকেন সাতায় এবং ভিয়েতনামের সুগন্ধি ল্যাম্ব চপ। 

 

এ ছাড়াও থাই টার্কি সালাদ, মালয় বেক্‌ড স্পিনাচ প্যাটিস, ইন্দোনেশিয়ান ফ্রাইড কর্ন ফ্রিটারস এবং বিশ্বখ্যাত ভিয়েতনামিজ নুড্‌ল স্যুপ। চাল থেকে প্রস্তুত মালয়েশিয়ার শহরতলির পিঠা “পুলুৎ ইন্তি কেলাপা” সহ সুস্বাদু মজাদার সব ডেজার্ট। এ বছরের বিশেষ আকর্ষণ- ফুকেট চিকেন বিরিয়ানীর।  সঙ্গে দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারও থাকছে। বুফে ইফতার ও রাতের খাবার খেতে জনপ্রতি খরচ পড়বে ২ হাজার ২শ টাকা। এ ছাড়াও হালিম ও জিলাপি সহ নানা ধরনের আইটেম পাওয়া যাবে লবিতে। জিলাপি আধা কেজি ৮শত টাকা এবং এক কেজি ১৪শ টাকা  হালিম স্মল বক্স ১২শ টাকা এবং ফুল বক্স ২২শত টাকায় পাওয়া যাবে এখানে। প্যানপ্যসিফিক সোনারগাঁও ঢাকার মার্কেটিং ও জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক সালমান কবির বলেন, “এবারের রমজানে অতিথিদের জন্য বিশেষ প্যাসিফিক রিম আয়োজন করা হয়েছে। দাম যতটা সম্ভব আমরা কম রাখার চেষ্টা করেছি। অন্যান্য পাঁচতারকা হোটেলের চেয়ে আমাদের খাবারের দাম অনেক কম রাখা হয়েছে । খাবারের মান ঠিক রেখেই আমরা দাম নির্ধারণ করার চেষ্টা করেছি। যেন শুধুমাত্র উচ্চবিত্তরা নয় মধ্যবিত্তরাও এখানে ইফতার করতে আসতে পারে।ওয়েস্টিন  হোটেলে  থাকছে  বুফে ইফতার এবং সঙ্গে সেহরির আয়োজন।

ওয়েস্টিনের সিজেনাল টেস্ট রেস্তরাঁয় বুফে ইফতারে থাকবে বিশেষ আইটেম হিসেবে পুরো ল্যাম উজি রোস্ট, নানান পদের কাবাব এবং ওরেঞ্জ জাফরান জিলাপি। এ ছাড়াও দেশীয় বিভিন্ন ধরনের খাবারসহ ৫০ থেকে ৬০টি আইটেম থাকবে। এখানে ইফতার করতে হলে জনপ্রতি খরচ পড়বে ৪ হাজার ৯ শত ৯৯ টাকা। ওয়েস্টিনের আরেক রেস্তরাঁ স্প্ল্যাসের বুফে থাকছে বিভিন্ন ধরনের জুসের আইটেম, জুসি কাবাব নেহারি, হালিম সহ বাহারি খাবার। এখানে খেতে  খরচ হবে তিন হাজার ৫ শত টাকা। এ ছাড়াও ১৬শ টাকায় পাওয়া যাবে ওয়েস্টিনের ইফতার বক্স। এই হোটেলে বুফে সেহরি খেতে হলে খরচ পড়বে ২১০০ টাকা। ওয়েস্টিনের মার্কেটিং ম্যানেরজার সাদমান সালাউদ্দিন বলেন আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ভালো ইফতার আয়োজনে। এজন্য আমরা ওয়েস্টিনের ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টটা বন্ধ রেখেছি। আশা করছি প্রতিবারের মতো এবার আমাদের ইফতার রোজাদাররা পছন্দ করবে।

হোটেল রেডিসন রমজানে ইফতারের বিশেষ আয়োজন হিসেবে ওয়াটার গার্ডেনে  আয়োজন করছে অ্যারাবিয়ার  ইফতার ফ্যাস্টিবল। এখানে কাবাব আইটেমকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের বিশেষ জুস থাকবে। বুফে অ্যারাবিয়ান ও দেশীয়  ১৫০ ধরনের আইটেম  থাকবে। এখানে খেতে হলে ৩ হাজার ৮শত ৫০ টাকা গুনতে হবে। রেডিসন হোটেলে শুধু ইফতারের সঙ্গে ডিনারের আয়োজন থাকছে। সেহরির কোনো আয়োজন থাকছে না বলে জানান রেডিসনের অনলাইন মার্কেটিংয়ের সহকারী পরিচালক হামিম আহমেদ। লা মেরিডিয়ান হোটেলে রমজানে তিনটি রেস্টুরেন্টে থাকছে ইফতারের রকমারি আয়োজন। কেবল ইফতার নয়, বুফে সেহরিও  খাওয়া যাবে এই হোটেলে। বুফে ইফতার এবং রাতের খাবারের জন্য জনপ্রতি খরচ হবে ৪ হাজার ৯০০ টাকা এবং বুফে সেহরির জন্য খরচ পড়বে জনপ্রতি ২ হাজার ৭০০ টাকা। রুফটপ মেডিটেরিয়ান রেস্টুরেন্ট ওলেয়াতে থাকবে মধ্য পূর্বাঞ্চলীয় খাবারের বিভিন্ন ইফতারের সমাহার। এ ছাড়াও ১৬ই জুন থেকে ২৫শে জুন পর্যন্ত ওলেয়াতে আয়োজন করা হয়েছে ১০ দিনব্যাপী মিশরীয় ইফতারের মেলা। ওলেয়াতে জনপ্রতি খরচ হবে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। ফ্যাভোলা হচ্ছে লা মেরিডিয়ানের ইটালিয়ান খাবার রেস্টুরেন্ট। যেখানে ইফতারের জন্য দেয়া হচ্ছে জনপ্রতি ৩ হাজার ৯০০ টাকায় সেট মেন্যু। হরেক রকম পানীয় এবং শুকনো ফল ও বাদামের সঙ্গে থাকছে ছোলা এবং চিংড়ি মাছের সালাদ, মাশরুমের স্যুপ, মুরগির লাসাগ্না, খাসির পা সেদ্ধ, সেদ্ধ আলু, পিৎজা এবং আরো বিভিন্ন রকমের খাবার। পাঁচতারকা হোটেলগুলো যেসব ব্যাংক এবং মোবাইল কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি রয়েছে তাদের গ্রাহকদের জন্য রেখেছে ‘একটি কিনে একটি ফ্রি’ অফার। অর্থাৎ একজনের বুফে ইফতারে সঙ্গে আরেক জন ফ্রি বুফে ইফতারের সুযোগ পাচ্ছে।

Post A Comment: