আসলাম চৌধুরী


রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতার তিন মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীর রিমান্ড আবেদনের শুনানি আজ সোমবার অনুষ্ঠিত হয়নি। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় কাল মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানি হবে। নাশকতার দুই মামলায় রিমান্ড শুনানি হবে ৬ জুন।

 

তিন মামলায় রিমান্ড শুনানির জন্য আজ আসলামকে ঢাকার পৃথক তিন মহানগর হাকিমের আদালতে তোলা হয়। পরে রিমান্ড শুনানির তারিখ ধার্য করেন আদালত।

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় আসলামের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। নাশকতার দুই মামলায় ডিবি আসলামের ১০ দিন করে মোট ২০ দিন রিমান্ডের আবেদন করেছে।

গত বৃহস্পতিবার গুলশান থানায় আসলামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হয়। ডিবির পরিদর্শক গোলাম রাব্বানী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. মাসুদুর রহমান জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর আসলামের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০ (বি), ১২১ (৩) ও ১২৪ (এ) ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করা হয়। মামলায় আসলামের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ‘বাংলাদেশের সরকার উৎখাত ষড়যন্ত্রের অভিযোগ’ আনা হয়েছে।
সম্প্রতি ইসরায়েলের লিকুদ পার্টির সদস্য মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে আসলাম চৌধুরীর একটি ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ইসরায়েলের ওই নেতার সঙ্গে তিনি ষড়যন্ত্রমূলক বৈঠক করেছেন বলেও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এরপরই গ্রেপ্তার হন আসলাম।
২৪ মে আসলামকে আদালতে হাজির করে মতিঝিল ও লালবাগ থানায় করা নাশকতার দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
১৫ মে সন্ধ্যায় রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে আসলামকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পরদিন ফৌজদারি কার্যবিধির (সন্দেহজনক) ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের আগে আসলাম চৌধুরীসহ সাতজনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশের প্রতিটি বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।

Post A Comment: