দায়িত্বশীল হয়ে উঠুন কিছু টিপস মেনে
দায়িত্বশীলতা জন্ম থেকে আসেনা। একে বয়সের সাথে সাথে অর্জন করতে হয়। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বা বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে এমনকি টিভির কোন প্রোগ্রাম দেখেও দায়িত্বশীলতার অনুভূতি আসতে পারে। দায়িত্বশীলতা একটি দক্ষতা যা আপনি শিখতে পারেন এবং বিভিন্ন ভাবে তা করা যায়। আপনার ব্যক্তিত্ব প্রকাশিত হয় আপনার কাজে। আপনার দায়িত্বশীলতার উন্নতি ঘটাতে পারেন যেভাবে :
১। অজুহাত দেখাবেন না
আপনি যদি কোন ভুল করে থাকেন তাহলে এর জন্য অন্যকে দোষারোপ করবেন না। এর পরিবর্তে আপনার ব্যর্থতার আসল কারণটি বলুন। অজুহাত তৈরি করার অর্থই হল আপনি একজন দায়িত্বজ্ঞানশূন্য মানুষ। যদি কোন কাজ সম্পন্ন করতে না পারেন তাহলে ওয়াদা করাও উচিৎ নয়।
২। অভিযোগ করবেন না
যারা কাজ কম করে ও কথা বেশি বলে তারাই অভিযোগ করে। যখন বাস্তবিক কাজের সময় আসে তখন সেই মানুষটি নিশ্চল হয়ে পড়ে। তাই অভিযোগ করা ত্যাগ করে পরিস্থিতি অনুযায়ী দায়িত্বশীল হয়ে উঠুন। অভিযোগ করার মাধ্যমে ও আপনি পছন্দ করেন না বলে এড়িয়ে যাওয়ার ফলে আপনি কিছুই অর্জন করতে পারবেন না।
৩। আর্থিক ব্যবস্থাপনা
একজন ব্যক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীলতার প্রমাণ হচ্ছে তার আর্থিক ব্যবস্থাপনা। আপনি একটি কাজ করেন এবং বেতন পান এবং এই টাকা দিয়েই আপনাকে সারা মাস চলতে হয়। সাধারণত অনেক মানুষের ক্ষেত্রেই এটা হয়ে থাকে যে আগামী মাসের বেতন পাওয়ার বেশ কয়েকদিন আগেই তার টাকা ফুরিয়ে যায়। যদি আপনার সাথেও এমনটি হয়ে থাকে তাহলে বলা যায় আপনি দায়িত্বজ্ঞানহীন। তাই একটি পরিকল্পনা করুন এবং যা যা কিনবেন তা লিখে রাখুন।
৪। দীর্ঘসূত্রিতা
দীর্ঘসূত্রিতাও একজন মানুষের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার লক্ষণ। নেটে সার্চ দেয়া বা শুয়ে থাকার চেয়ে আপনি কী করতে পারেন তা কল্পনা করুন। দীর্ঘসূত্রিতার ফলে কিছুই অর্জন করা সম্ভব নয়। তাই আজই দীর্ঘসূত্রিতা পরিত্যাগ করুন এবং আপনার জীবনকে সুন্দর করার দায়িত্ব নিন।
৫। ধৈর্য
সব কাজ একই ভাবে করা সম্ভব নয়। কোনটি সম্পন্ন করতে অনেক সময় প্রয়োজন হয় আবার কোনটি খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়। তাই আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে। আপনার কাজ ও মেজাজের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করুন ধৈর্য সহকারে। একজন দায়িত্বশীল মানুষ কখনোই তাড়াহুড়া করে কাজ করেনা এবং তার মাথা সব সময় ঠান্ডা থাকে।    
সর্বোপরি বলা যায় আপনার সচেতন সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই আপনার মধ্যে দায়িত্বশীলতা তৈরি হয়।

Post A Comment: