বগুড়ায় রাজধানী অভিমুখী যাত্রীবাহী বাসের ছাদ থেকে রক্তাক্ত দুটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের সামনে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে বাস থামিয়ে ওই লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ একটি লাশের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। লাশটি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার খোদাতপুর গ্রামের দিনমজুর জাহাঙ্গীর আলমের (৫২)। অজ্ঞাতনামা অন্য লাশটি আনুমানিক ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির। এ ঘটনায় ওই বাসের চালককে আটক করেছে পুলিশ।

 বগুড়ায় রাজধানী অভিমুখী যাত্রীবাহী বাসের ছাদ থেকে রক্তাক্ত দুটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের সামনে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে বাস থামিয়ে ওই লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।


পুলিশ একটি লাশের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। লাশটি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার খোদাতপুর গ্রামের দিনমজুর জাহাঙ্গীর আলমের (৫২)। অজ্ঞাতনামা অন্য লাশটি আনুমানিক ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির। এ ঘটনায় ওই বাসের চালককে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ‘জয় মা তারা নিউ সাফা পরিবহনের’ বাসটি শুক্রবার বিকেলে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে রাজধানীর সায়েদাবাদের উদ্দেশে রওনা দেয়। পথিমধ্যে বগুড়ার একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস নেওয়ার জন্য বাসটি থামে।

 এ সময় ছাদ থেকে রক্ত গড়িয়ে বাসের ভেতরে পড়লে যাত্রীরা বিষয়টি টের পান। এরপর যাত্রীদেরই কেউ বিষয়টি পুলিশকে জানালে বগুড়া শহরের সিলিমপুর ফাঁড়ির পুলিশ ওই বাসটি থামিয়ে ছাদ থেকে রক্তাক্ত লাশ দুটি উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসের সহকারী ও সুপারভাইজার পালিয়ে যান। তবে চালক ইসরাফিলকে (৩৫) আটক করে বগুড়া সদর থানায় সোপর্দ করা হয়। তাঁর বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে।

চালক ইসরাফিল দাবি করেন, বাসের ছাদে কতজন যাত্রী উঠেছিল, সেটা তিনি জানেন না। কীভাবে যাত্রীরা মারা গেল সেটাও তাঁর অজানা।

সিলিমপুর ফাঁড়ির উপপরিদর্শক শাহ আলম বলেন, যাত্রীরা জানিয়েছেন, ছাদে চারজন যাত্রী উঠেছিল। পথিমধ্যে দুজন নেমে গেছেন। সিএনজি স্টেশনে গ্যাস নেওয়ার সময় ছাদ থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়লে যাত্রীরা বিষয়টি টের পান। পুলিশ খবর পেয়ে বাস থামিয়ে লাশ উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়।

মর্গে জাহাঙ্গীর আলমের লাশ নিতে আসা তাঁর ভাই আবদুল মতিন বলেন, ‘কাজের সন্ধানে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন জাহাঙ্গীর। কীভাবে মারা গেলেন বুঝতে পারছি না।’
বগুড়ার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এটি দুর্ঘটনা নাকি খুন, সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

Post A Comment: