ধীরে ধীরে এশিয়ার দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে জিকা ভাইরাসের আতঙ্ক। এবার ভিয়েতনামে দুই ব্যক্তি ভাইরাসটিতে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। অনলাইন সংবাদপত্র ভিনেক্সপ্রেস দেশটির উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দুই নারী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের একজনের বয়স ৬৪ এবং অপরজনের বয়স ৩৩। জ্বর, দেহে ফুসকুড়ি ও চোখ লাল হয়ে যাওয়ার সমস্যা নিয়ে তারা চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আক্রান্তদের মধ্যে এক নারী আট সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। দেশটি জুড়ে ৩২টি প্রদেশে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে এক হাজার ২১৫জনের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে, তাদেরই মধ্যে দু'জন এই দুই নারী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বিশ্বের ৬১টি দেশ ও অঞ্চলে ভাইরাসটির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এসব দেশের অধিকাংশই ল্যাটিন আমেরিকা ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত। জিকা ভাইরাসে আক্রান্তদের অধিকাংশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসুস্থতার লক্ষণ দেখা যায়নি। বাকিদের অনেকে মৃদু জ্বর ও অন্যান্য সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণের ক্ষেত্রে প্রাণহানি এবং বিশেষ করে আক্রান্ত মায়েদের নবজাতক সন্তানদের অপরিণত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্ম নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ব্রাজিলে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত মায়েদের সন্তানরা জন্মগত ত্রুটি নিয়ে পৃথিবীতে আসছে। ভিয়েতনাম প্রশাসন ভাইরাসটি ছড়ানোর আগেই কড়া নজরদারির ঘোষণা দিয়েছে এবং জনসাধারণকে মশারির ভেতর ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

   ধীরে ধীরে এশিয়ার দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে জিকা ভাইরাসের আতঙ্ক। এবার ভিয়েতনামে দুই ব্যক্তি ভাইরাসটিতে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। অনলাইন সংবাদপত্র ভিনেক্সপ্রেস দেশটির উপ-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, দুই নারী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের একজনের বয়স ৬৪ এবং অপরজনের বয়স ৩৩। জ্বর, দেহে ফুসকুড়ি ও চোখ লাল হয়ে যাওয়ার সমস্যা নিয়ে তারা চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

 
আক্রান্তদের মধ্যে এক নারী আট সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। দেশটি জুড়ে ৩২টি প্রদেশে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে এক হাজার ২১৫জনের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে, তাদেরই মধ্যে দু'জন এই দুই নারী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, বিশ্বের ৬১টি দেশ ও অঞ্চলে ভাইরাসটির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এসব দেশের অধিকাংশই ল্যাটিন আমেরিকা ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত।
জিকা ভাইরাসে আক্রান্তদের অধিকাংশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসুস্থতার লক্ষণ দেখা যায়নি। বাকিদের অনেকে মৃদু জ্বর ও অন্যান্য সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে অন্তঃসত্ত্বা নারীদের মধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণের ক্ষেত্রে প্রাণহানি এবং বিশেষ করে আক্রান্ত মায়েদের নবজাতক সন্তানদের অপরিণত মস্তিষ্ক নিয়ে জন্ম নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ব্রাজিলে জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত মায়েদের সন্তানরা জন্মগত ত্রুটি নিয়ে পৃথিবীতে আসছে।

ভিয়েতনাম প্রশাসন ভাইরাসটি ছড়ানোর আগেই কড়া নজরদারির ঘোষণা দিয়েছে এবং জনসাধারণকে মশারির ভেতর ঘুমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Post A Comment: