ঘড়ির প্রতি আকর্ষণ রয়েছে অনেকেরই। সময় দেখার এই যন্ত্রকে নিয়ে নির্মাতারাও অনেক সময় বেশ বাড়াবাড়িই করেছেন! হাতঘড়ি তো বটেই, বিশালাকার ঘড়িও নির্মিত হয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে রয়েছে বিভিন্ন রূপের ও আকারের এমন জনপ্রিয় বেশ কিছু ঘড়ি। যার পরিচিতি বিশ্বজুড়ে। টাওয়ার অব উইন্ডস এথেন্সের টাওয়ার অব উইন্ডস বিশ্বের প্রাচীনতম ঘড়ির মধ্যে অন্যতম। মার্বেল পাথরে নির্মিত ৪০ ফুট লম্বা ঘড়ির এই টাওয়ারটি এখনো আছে। তবে এই ঘড়ির বিশেষত্ব হল এটি পানিতে চলে। এজন্যে একে ওয়াটার ক্লক নামেও ডাকা হয়। বলা হয়, প্রাচীন সূর্যঘড়ির পরই পানিচালিত এ ঘড়ি আবিস্কার হয়। প্রাগ অ্যাস্টোনমিক্যাল ক্লক এই ঘড়িটি প্রাগের ওল্ড টাউন স্কয়ারে অবস্থিত। জনবহুল স্থানটিতে ১৮৬৫ সালে ঘড়িটি প্রথম নির্মাণ করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঘড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরে তা পুনঃনির্মাণ করা হয়। প্রাগ অ্যাস্টোনমিক্যাল ঘড়ির বিশেষত্ব হল, প্রাচীন বোহেমেনিয়ান সময় অনুসারে এটি চলে। অর্থাৎ ঘড়িটির সময় শুরু হয় সূর্যাস্তের পর। গ্রিনিচ সময় অনুসারে নয়। সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা ধরে সময় পরিমাপ করা হয়। বিগ বেন লন্ডনের বিখ্যাত ঘড়ি বিগ বেন। বিশ্বের বিশালাকার ঘড়ি হিসেবে এর পরিচিতি। ইংল্যান্ডের সেরা দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতও এই ঘড়ি। ঘড়ির মাঝে লোহার ফ্রেমটির ব্যস ২৩ ফুট। এর উপরে আছে ৩১২টি ওপাল কাঁচ। কারুকার্যখচিত সোনালি ঘড়িটি থেকে প্রতি একঘন্টা পর পর ঘন্টা বাজে। টাওয়ারের ভেতরে স্থাপিত বিশাল ঘন্টাটির জন্য মূলত ঘড়িটি পরিচিত ‘বিগ বেন’ নামে। তবে এই টাওয়ারটির আসল নাম এলিজাবেথ টাওয়ার। ঘড়িটির নিচে লেখা আছে, ‘খোদা মহারানী ভিক্টোরিয়াকে রক্ষা করুন।’ ব্রাকে সিমপ্যাথিক ক্লক সিমপ্যাথিক ক্লকটির নাম বিখ্যাত ঘড়ি নির্মাতা আব্রাহাম লুই ব্রাকের নামানুসারে। প্রায় দুশো বছর আগে নির্মিত ঘড়িটি বিশ্বে এখন বিরল। বর্তমানে খুঁজলে বিশ্বে গোটা দশেক এই ঘড়ি মিলতে পারে। রাজা ফার্দিনান্দ ফিলিপের জন্য প্রথম এমন ঘড়ি নির্মাণ করেন ব্রাকে। ঘড়িটির সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। তবে ঘড়িটির বৈশিষ্ট্য শুধু সৌন্দর্যে নয়। এর বিশেষত্ব হল, এর সঙ্গে একটি পকেট ঘড়ি রয়েছে। যখন সেই পকেট ঘড়িটিকে এর হোল্ডারের সঙ্গে যুক্ত করা হয় তখন পকেট ঘড়িটির সময় অনুসারে মূল ঘড়িটিও একই সময় প্রদর্শন করে। অ্যান্টিক ঘড়িটির মূল্যও অনেক! সুইস ঘড়ি জনপ্রিয়তার দৌড়ে এখনও সুইস ঘড়ির ধারে কাছে কেউ নেই। লাক্সারিয়াস ঘড়ি মানেই সুইস ঘড়ির নাম সবার আগে চলে আসে। ষষ্ঠদশ শতাব্দীতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা সুইস ঘড়ির এই ধারা রয়েছে এখনও। বরাবরই সুইজারল্যান্ডের জেনেভা ও নটশেল শহর ঘড়ি নির্মাণের জন্য বিখ্যাত। বিশ্বখ্যাত এই ঘড়ি ব্যবহার করা অনেকের কাছেই কেবল স্বপ্ন। কেননা, প্রকৃত সুইস ঘড়ির দাম আসলেই অনেক।

বিশ্ব বিখ্যাত কিছু ঘড়ি (world famous clock)

    ঘড়ির প্রতি আকর্ষণ রয়েছে অনেকেরই। সময় দেখার এই যন্ত্রকে নিয়ে নির্মাতারাও অনেক সময় বেশ বাড়াবাড়িই করেছেন! হাতঘড়ি তো বটেই, বিশালাকার ঘড়িও নির্মিত হয়েছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে রয়েছে বিভিন্ন রূপের ও আকারের এমন জনপ্রিয় বেশ কিছু ঘড়ি। যার পরিচিতি বিশ্বজুড়ে।  



 টাওয়ার অব উইন্ডস 
এথেন্সের টাওয়ার অব উইন্ডস বিশ্বের প্রাচীনতম ঘড়ির মধ্যে অন্যতম। মার্বেল পাথরে নির্মিত ৪০ ফুট লম্বা ঘড়ির এই টাওয়ারটি এখনো আছে। তবে এই ঘড়ির বিশেষত্ব হল এটি পানিতে চলে। এজন্যে একে ওয়াটার ক্লক নামেও ডাকা হয়। বলা হয়, প্রাচীন সূর্যঘড়ির পরই পানিচালিত এ ঘড়ি আবিস্কার হয়।

 প্রাগ অ্যাস্টোনমিক্যাল ক্লক 

এই ঘড়িটি প্রাগের ওল্ড টাউন স্কয়ারে অবস্থিত। জনবহুল স্থানটিতে ১৮৬৫ সালে ঘড়িটি প্রথম নির্মাণ করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঘড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরে তা পুনঃনির্মাণ করা হয়। প্রাগ অ্যাস্টোনমিক্যাল ঘড়ির বিশেষত্ব হল, প্রাচীন বোহেমেনিয়ান সময় অনুসারে এটি চলে। অর্থাৎ ঘড়িটির সময় শুরু হয় সূর্যাস্তের পর। গ্রিনিচ সময় অনুসারে নয়। সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ১২ ঘণ্টা ধরে সময় পরিমাপ করা হয়।

 বিগ বেন 
লন্ডনের বিখ্যাত ঘড়ি বিগ বেন। বিশ্বের বিশালাকার ঘড়ি হিসেবে এর পরিচিতি। ইংল্যান্ডের সেরা দর্শনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতও এই ঘড়ি। ঘড়ির মাঝে লোহার ফ্রেমটির ব্যস ২৩ ফুট। এর উপরে আছে ৩১২টি ওপাল কাঁচ। কারুকার্যখচিত সোনালি ঘড়িটি থেকে প্রতি একঘন্টা পর পর ঘন্টা বাজে। টাওয়ারের ভেতরে স্থাপিত বিশাল ঘন্টাটির জন্য মূলত ঘড়িটি পরিচিত ‘বিগ বেন’ নামে। তবে এই টাওয়ারটির আসল নাম এলিজাবেথ টাওয়ার। ঘড়িটির নিচে লেখা আছে, ‘খোদা মহারানী ভিক্টোরিয়াকে রক্ষা করুন।’ 

 ব্রাকে সিমপ্যাথিক ক্লক 
সিমপ্যাথিক ক্লকটির নাম বিখ্যাত ঘড়ি নির্মাতা আব্রাহাম লুই ব্রাকের নামানুসারে। প্রায় দুশো বছর আগে নির্মিত ঘড়িটি বিশ্বে এখন বিরল। বর্তমানে খুঁজলে বিশ্বে গোটা দশেক এই ঘড়ি মিলতে পারে। রাজা ফার্দিনান্দ ফিলিপের জন্য প্রথম এমন ঘড়ি নির্মাণ করেন ব্রাকে। ঘড়িটির সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। তবে ঘড়িটির বৈশিষ্ট্য শুধু সৌন্দর্যে নয়। এর বিশেষত্ব হল, এর সঙ্গে একটি পকেট ঘড়ি রয়েছে। যখন সেই পকেট ঘড়িটিকে এর হোল্ডারের সঙ্গে যুক্ত করা হয় তখন পকেট ঘড়িটির সময় অনুসারে মূল ঘড়িটিও একই সময় প্রদর্শন করে। অ্যান্টিক ঘড়িটির মূল্যও অনেক!

 সুইস ঘড়ি 
জনপ্রিয়তার দৌড়ে এখনও সুইস ঘড়ির ধারে কাছে কেউ নেই। লাক্সারিয়াস ঘড়ি মানেই সুইস ঘড়ির নাম সবার আগে চলে আসে। ষষ্ঠদশ শতাব্দীতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা সুইস ঘড়ির এই ধারা রয়েছে এখনও। বরাবরই সুইজারল্যান্ডের জেনেভা ও নটশেল শহর ঘড়ি নির্মাণের জন্য বিখ্যাত। বিশ্বখ্যাত এই ঘড়ি ব্যবহার করা অনেকের কাছেই কেবল স্বপ্ন। কেননা, প্রকৃত সুইস ঘড়ির দাম আসলেই অনেক।

Post A Comment: