চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টপ টেন পর্যন্ত ম্যাচগুলোর বিভিন্ন খেলোয়াড়ের নৈপুণ্য বিশ্লেষণ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণকারী এ সংস্থা তাদের দৃষ্টিতে টুর্নামেন্টের সেরা ১০ নৈপুণ্য প্রকাশ করেছে। টপ টেন পর্যন্ত ৩২ ম্যাচের সেরা ১০ নৈপুণ্যের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের দুই খেলোয়াড়ের নাম। সেরা দশে বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো দেশের দুইজন খেলোয়াড় নেই। প্রথমপর্বে ওমানের বিপক্ষে তামিম ইকবালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এই তালিকায় জায়গা পেয়েছে। এছাড়া টপ টেনে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমানের ২২ রানে ৫ উইকেট আছে এই তালিকায়। পল ভ্যান মিকারেন, নেদারল্যান্ডস (৪/১১ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথমপর্বে ১৩ই মার্চ মুখোমুখি হয় আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। ভারতের হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে ৬ ওভার করে নামিয়ে আনা হয়। ওই ম্যাচে প্রথমে নেদারল্যান্ডস সংগ্রহ করে ৫ উইকেটে ৫৯ রান। জবাবে আয়ারল্যান্ড তুলতে পারে ৪ উইকেটে ৪৭ রান। নেদারল্যান্ডসের ১২ রানের জয়ের নায়ক ২৩ বছর বয়সী পেসার পল ভ্যান মিকারেন। তিনি প্রথমে কেভিন ও’ব্রেইন ও পল স্টার্লিংকে আউট করেন। আর শেষ ওভারে তুলে নেন আরও দুই উইকেট। দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন তিনি। তামিম ইকবাল, বাংলাদেশ (১০৩* রান ওমানের বিপক্ষে) ওয়ানডে, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রানের মালিক তামিম ইকবাল। বিশ্বকাপের প্রথমপর্বে ওমানের বিপক্ষে তার অপরাজিত ১০৩ রানে ভর করে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৮০ রান। ৫৪ রানে জেতা ওই ম্যাচে তামিমের ইনিংসটা ছিল ৫ ছক্কা ও ১০ চারে সাজানো। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি আসে তামিমের ব্যাট থেকে। মিচেল স্যান্টনার, নিউজিল্যান্ড (৪/১১ ভারতের বিপক্ষে) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টপ টেনের প্রথম ম্যাচেই স্বাগতিক ভারতকে কাঁপিয়ে দিয়ে ৪৭ রানে জেতে নিউজিল্যান্ড। নাগপুরের ওই ম্যাচে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের চারজনকে মাত্র ১১ রানে ফেরান মিচেল স্যান্টনার। কিউই এ অলরাউন্ডার আউট করেন রোহিত শর্মা, সুরেশ রায়না, মহেন্দ্র সিং ধোনি ও হার্দিক পাণ্ডিয়াকে। শহীদ আফ্রিদি, পাকিস্তান (৪৯ রান বাংলাদেশের বিপক্ষে) পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। কিন্তু ইদানীং ব্যাটসম্যানের চেয়ে তার বোলার পরিচয়টাই বেশি ফুটে উঠছে। সম্প্রতি তার ব্যাট তেমন কথা বলছে না। কিন্তু বাংলাদেশকে প্রতিপক্ষ পেলেই তিনি ‘বুমবুম’ হয়ে ওঠেন। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেন মাত্র ১৯ বলে ৪৯ রানের ইনিংস। ক্রিস গেইল, ও. ইন্ডিজ (১০০* রান ইংল্যান্ডের বিপক্ষে) টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ব্যাটে ঝড় তোলেন ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইল। ইংল্যান্ডের ১৮২ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এ ব্যাটসম্যান ১১ ছক্কা ও ৫ চারে মাত্র ৪৮ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন। জো রুট, ইংল্যান্ড (৮৩ রান দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে) দক্ষিণ আফ্রিকার ছুড়ে দেয়া ২৩০ রানের টার্গেটে অতিমানবীয় ইনিংস খেলেন জো রুট। ইংল্যান্ডের এ ব্যাটসম্যান মাত্র ৪৪ বলে ৮৩ রান করে দলের ২ উইকেটের জয় এনে দেন। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তিনি ৪ ছক্কা ও ৬ চারে এই ইনিংস সাজান। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার ঘটনা। মোহাম্মদ শাহজাদ, আফগানিস্তান (৪৪ রান দ. আফ্রিকার বিপক্ষে) মুম্বইয়ের ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ রানে জেতে। কিন্তু আফগানিস্তানের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শাহজাদ খেলেন দুর্দান্ত এক ইনিংস। ২১০ রান সামনে নিয়ে তিনি ৫ ছক্কা ও ৩ চারে মাত্র ১৯ বলে করেন ৪৪ রান। উদ্বোধনী জুটিতে নূর আলী জাদরানকে নিয়ে তিনি মাত্র ৪ ওভারে ৫২ রান যোগ করেন। মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ (৫/২২ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে) টপ টেনে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৫ রানে হারে বাংলাদেশ। কিন্তু দলের হারেও উজ্জ্বল ছিলেন বাংলাদেশের ২০ বছর বয়সী পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি ২২ রান খরচায় নেন ক্যারিয়ার সেরা ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম বয়সে পাঁচ উইকেট নেয়ার ঘটনা এটি। তার বোলিং নৈপুণ্যে কিউইরা ৮ উইকেটে ১৪৫ রান তুলতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশ মাত্র ৭০ রানে অলআউট হয়। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, শ্রীলঙ্কা (৭৩* রান ইংল্যান্ডের বিপক্ষে) ইংল্যান্ডের বিপক্ষের দিল্লির ম্যাচটি ১০ রানে হারে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু লঙ্কান অধিনায়ক স্নায়ুর পরীক্ষা দিয়ে ৫ ছক্কা ও ৩ চারে ৫৪ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন। মাত্র ১৫ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর তিনি একাই লড়াই করেন। ইংল্যান্ডের ১৭১ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা তোলে ৮ উইকেটে ১৬১ রান। বিরাট কোহলি, ভারত (৮২* রান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে) টপ টেনে নিজেদের শেষ ম্যাচ ছিল অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের। সেমিফাইনালে ওঠার জন্য দুই দলেরই জয়ের বিকল্প ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া তোলে ৬ উইকেটে ১৬০ রান। জবাবে বিরাট কোহলি ২ ছক্কা ও ৯ চারে ৫১ বলে ৮২ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এতে একের পর এক রান তাড়া করে দলকে জয় এনে দিয়ে ‘মিস্টার চেজম্যান’ নামে পরিচিতি পাচ্ছেন ভারতর ব্যাটসম্যান কোহলি।

  চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টপ টেন পর্যন্ত ম্যাচগুলোর বিভিন্ন খেলোয়াড়ের নৈপুণ্য বিশ্লেষণ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণকারী এ সংস্থা তাদের দৃষ্টিতে টুর্নামেন্টের সেরা ১০ নৈপুণ্য প্রকাশ করেছে। টপ টেন পর্যন্ত ৩২ ম্যাচের সেরা ১০ নৈপুণ্যের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের দুই খেলোয়াড়ের নাম। সেরা দশে বাংলাদেশ ছাড়া আর কোনো দেশের দুইজন খেলোয়াড় নেই। প্রথমপর্বে ওমানের বিপক্ষে তামিম ইকবালের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি এই তালিকায় জায়গা পেয়েছে। এছাড়া টপ টেনে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ‘কাটার মাস্টার’ মুস্তাফিজুর রহমানের ২২ রানে ৫ উইকেট আছে এই তালিকায়।     
 

  পল ভ্যান মিকারেন, নেদারল্যান্ডস (৪/১১ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে)
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথমপর্বে ১৩ই মার্চ মুখোমুখি হয় আয়ারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। ভারতের হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা স্টেডিয়ামে ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে ৬ ওভার করে নামিয়ে আনা হয়। ওই ম্যাচে প্রথমে নেদারল্যান্ডস সংগ্রহ করে ৫ উইকেটে ৫৯ রান। জবাবে আয়ারল্যান্ড তুলতে পারে ৪ উইকেটে ৪৭ রান। নেদারল্যান্ডসের ১২ রানের জয়ের নায়ক ২৩ বছর বয়সী পেসার পল ভ্যান মিকারেন। তিনি প্রথমে কেভিন ও’ব্রেইন ও পল স্টার্লিংকে আউট করেন। আর শেষ ওভারে তুলে নেন আরও দুই উইকেট। দুর্দান্ত বোলিং করে ম্যাচসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন তিনি।
 

তামিম ইকবাল, বাংলাদেশ (১০৩* রান ওমানের বিপক্ষে)
ওয়ানডে, টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রানের মালিক তামিম ইকবাল। বিশ্বকাপের প্রথমপর্বে ওমানের বিপক্ষে তার অপরাজিত ১০৩ রানে ভর করে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৮০ রান। ৫৪ রানে জেতা ওই ম্যাচে তামিমের ইনিংসটা ছিল ৫ ছক্কা ও ১০ চারে সাজানো। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি আসে তামিমের ব্যাট থেকে।

মিচেল স্যান্টনার, নিউজিল্যান্ড (৪/১১ ভারতের বিপক্ষে)
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টপ টেনের প্রথম ম্যাচেই স্বাগতিক ভারতকে কাঁপিয়ে দিয়ে ৪৭ রানে জেতে নিউজিল্যান্ড। নাগপুরের ওই ম্যাচে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের চারজনকে মাত্র ১১ রানে ফেরান মিচেল স্যান্টনার। কিউই এ অলরাউন্ডার আউট করেন রোহিত শর্মা, সুরেশ রায়না, মহেন্দ্র সিং ধোনি ও হার্দিক পাণ্ডিয়াকে।

শহীদ আফ্রিদি, পাকিস্তান (৪৯ রান বাংলাদেশের বিপক্ষে)
পাকিস্তানের অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। কিন্তু ইদানীং ব্যাটসম্যানের চেয়ে তার বোলার পরিচয়টাই বেশি ফুটে উঠছে। সম্প্রতি তার ব্যাট তেমন কথা বলছে না। কিন্তু বাংলাদেশকে প্রতিপক্ষ পেলেই তিনি ‘বুমবুম’ হয়ে ওঠেন। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেন মাত্র ১৯ বলে ৪৯ রানের ইনিংস।

ক্রিস গেইল, ও. ইন্ডিজ (১০০* রান ইংল্যান্ডের বিপক্ষে)
টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ব্যাটে ঝড় তোলেন ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইল। ইংল্যান্ডের ১৮২ রানের জবাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এ ব্যাটসম্যান ১১ ছক্কা ও ৫ চারে মাত্র ৪৮ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন।

জো রুট, ইংল্যান্ড (৮৩ রান দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে)
দক্ষিণ আফ্রিকার ছুড়ে দেয়া ২৩০ রানের টার্গেটে অতিমানবীয় ইনিংস খেলেন জো রুট। ইংল্যান্ডের এ ব্যাটসম্যান মাত্র ৪৪ বলে ৮৩ রান করে দলের ২ উইকেটের জয় এনে দেন। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তিনি ৪ ছক্কা ও ৬ চারে এই ইনিংস সাজান। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটি ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার ঘটনা।

মোহাম্মদ শাহজাদ, আফগানিস্তান (৪৪ রান দ. আফ্রিকার বিপক্ষে)
মুম্বইয়ের ম্যাচটি দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ রানে জেতে। কিন্তু আফগানিস্তানের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শাহজাদ খেলেন দুর্দান্ত এক ইনিংস। ২১০ রান সামনে নিয়ে তিনি ৫ ছক্কা ও ৩ চারে মাত্র ১৯ বলে করেন ৪৪ রান। উদ্বোধনী জুটিতে নূর আলী জাদরানকে নিয়ে তিনি মাত্র ৪ ওভারে ৫২ রান যোগ করেন।

 

মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ (৫/২২ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে)
টপ টেনে নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৫ রানে হারে বাংলাদেশ। কিন্তু দলের হারেও উজ্জ্বল ছিলেন বাংলাদেশের ২০ বছর বয়সী পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি ২২ রান খরচায় নেন ক্যারিয়ার সেরা ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে কম বয়সে পাঁচ উইকেট নেয়ার ঘটনা এটি। তার বোলিং নৈপুণ্যে কিউইরা ৮ উইকেটে ১৪৫ রান তুলতে পারে। কিন্তু বাংলাদেশ মাত্র ৭০ রানে অলআউট হয়।



অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, শ্রীলঙ্কা (৭৩* রান ইংল্যান্ডের বিপক্ষে)
ইংল্যান্ডের বিপক্ষের দিল্লির ম্যাচটি ১০ রানে হারে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু লঙ্কান অধিনায়ক স্নায়ুর পরীক্ষা দিয়ে ৫ ছক্কা ও ৩ চারে ৫৪ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন। মাত্র ১৫ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর তিনি একাই লড়াই করেন। ইংল্যান্ডের ১৭১ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা তোলে ৮ উইকেটে ১৬১ রান।

বিরাট কোহলি, ভারত (৮২* রান অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে)
টপ টেনে নিজেদের শেষ ম্যাচ ছিল অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের। সেমিফাইনালে ওঠার জন্য দুই দলেরই জয়ের বিকল্প ছিল না। গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া তোলে ৬ উইকেটে ১৬০ রান। জবাবে বিরাট কোহলি ২ ছক্কা ও ৯ চারে ৫১ বলে ৮২ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এতে একের পর এক রান তাড়া করে দলকে জয় এনে দিয়ে ‘মিস্টার চেজম্যান’ নামে পরিচিতি পাচ্ছেন ভারতর ব্যাটসম্যান কোহলি।

Post A Comment: