চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রশংসিত একটি ছবি গৌতম ঘোষের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’। দুই বাংলায়ই যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটির ভক্ত-অনুরাগীর অভাব নেই। বিশ বছরের বেশি সময় ধরে রুচিশীল দর্শকদের আলোচনার টেবিলে ছবিটির ঠাই। সেই ছবির পরিচালক যখন আবারো যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণ করলেন, তখন তা নিয়ে প্রত্যাশা কিছুটা বেশি হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। গৌতম ঘোষের সাম্প্রতিক ছবি ‘শঙ্খচিল’ ইতিমধ্যে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে। এতে লাভ হয়েছে ওপারের অংশীদার প্রযোজকের। ১৪ এপ্রিল প্রায় ৪০ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। বাণিজ্যিক ঘরানার না হয়েও, ছবিটির এতোগুলো হলে মুক্তি পেতে বেগ পেতে হয়নি, মুক্তির প্রাক্কালে পুরস্কার পেয়ে যাওয়াতেই। ওপারে পুরস্কার পেলেও এপারে তার প্রভাব পড়েনি বিন্দুমাত্র। মুক্তির আগে প্রত্যাশার পারদ চড়লেও বাস্তবের মাটিতে কঠিন ধাক্কা খেয়েছেন ছবির প্রযোজক-নায়ক প্রসেনজিৎ। টালিগঞ্জের অভিভাবক বলে পরিচিত, দুই বাংলার ছবির বাজারকে ‘এক’ করার অন্যতম নেপথ্য কুশলী, প্রসেনজিতের ছবি মাত্র ৬টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। যারমধ্যে আবার তিনটিই মাল্টিপ্লেক্স। অর্থাৎ একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছেই ছবিটি মুক্তির আগে কদর পেয়েছে। ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ থেকে ‘মনের মানুষ’- গৌতম ঘোষের সবগুলো ছবির অবস্থাই ছিল তথৈবচ। বিপুল দর্শকের মনোরঞ্জন করতে পারেনি ছবিগুলো। সমালোচকদের প্রশংসা কিন্তু ঠিকই পেয়ে গিয়েছিল। তাতে সিনেমা হলে না চলার আক্ষেপ মিটে গিয়েছিল নির্মাতাদের। তবে ‘সেই সময়’ আর ‘এই সময়ে’র মধ্যে কিছুটা তফাৎ বিরাজমান। একটা সুস্থ ব্যবসায়িক পরিবেশে মুক্তি পেয়েছিল ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ কিংবা ‘মনের মানুষ’। ‘ভারতীয় ছবির বাজার দখলে’র কোনো প্রচারণা ছিল না। যৌথ প্রযোজনা হতো কালে-ভদ্রে। কোনো ছবি চলতো, কোনোটা চলতো না। তাতে চলচ্চিত্র শিল্পের কিছুই আসতো যেতো না। আজকাল পরিস্থিতি অন্য রকম। ‘যৌথ প্রযোজনাই শেষ ভরসা’- এই শ্লোগান গেয়ে বানানো হচ্ছে ছবি। যৌথ প্রযোজনার ছবি রিলিজের সময় হল পাচ্ছে না দেশিয় প্রযোজনার ছবি। একদিনে দুইটি-তিনটি ভারতীয় ছবি মুক্তি পেয়ে যাচ্ছে বিনা বাধায়। অভিযোগ উঠছে দেশিয় ছবির মার খাওয়ার। এই অবস্থায় কোনো একটা যৌথ প্রযোজনার ছবি মাত্র ৬ সিনেমা হলে মুক্তি, চলচ্চিত্র পর্যবেক্ষকদের নজরে পড়েছে। এতো প্রচারণার পরও হল মালিকদের কাছে কেনো ছবিটি গ্রহণযোগ্যতা পেলো না তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। প্রসেনজিতের মতো হিন্দি-বাংলা ছবির বড় তারকা যিনি দুই বাংলা মিলে ‘বাহুবলী’ বানানোর স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্ন দেখেন দুই পারে একদিনে কয়েক হাজার সিনেমা হলে ছবি মুক্তি দেয়ার, তার ছবি ঢাকায় মাত্র ৬ সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়ায় আলোচনা-সমালোচনা কম হচ্ছে না। জারি রয়েছে ‘শঙ্খচিলে’র রাজনৈতিক দর্শন নিয়েও আলোচনা।



চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রশংসিত একটি ছবি গৌতম ঘোষের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’। দুই বাংলায়ই যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ছবিটির ভক্ত-অনুরাগীর অভাব নেই। বিশ বছরের বেশি সময় ধরে রুচিশীল দর্শকদের আলোচনার টেবিলে ছবিটির ঠাই। সেই ছবির পরিচালক যখন আবারো যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণ করলেন, তখন তা নিয়ে প্রত্যাশা কিছুটা বেশি হলে অবাক হওয়ার কিছু নেই।


গৌতম ঘোষের সাম্প্রতিক ছবি ‘শঙ্খচিল’ ইতিমধ্যে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে। এতে লাভ হয়েছে ওপারের অংশীদার প্রযোজকের। ১৪ এপ্রিল প্রায় ৪০ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। বাণিজ্যিক ঘরানার না হয়েও, ছবিটির এতোগুলো হলে মুক্তি পেতে বেগ পেতে হয়নি, মুক্তির প্রাক্কালে পুরস্কার পেয়ে যাওয়াতেই।

ওপারে পুরস্কার পেলেও এপারে তার প্রভাব পড়েনি বিন্দুমাত্র। মুক্তির আগে প্রত্যাশার পারদ চড়লেও বাস্তবের মাটিতে কঠিন ধাক্কা খেয়েছেন ছবির প্রযোজক-নায়ক প্রসেনজিৎ। টালিগঞ্জের অভিভাবক বলে পরিচিত, দুই বাংলার ছবির বাজারকে ‘এক’ করার অন্যতম নেপথ্য কুশলী, প্রসেনজিতের ছবি মাত্র ৬টি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। যারমধ্যে আবার তিনটিই মাল্টিপ্লেক্স।

অর্থাৎ একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছেই ছবিটি মুক্তির আগে কদর পেয়েছে। ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ থেকে ‘মনের মানুষ’- গৌতম ঘোষের সবগুলো ছবির অবস্থাই ছিল তথৈবচ। বিপুল দর্শকের মনোরঞ্জন করতে পারেনি ছবিগুলো। সমালোচকদের প্রশংসা কিন্তু ঠিকই পেয়ে গিয়েছিল। তাতে সিনেমা হলে না চলার আক্ষেপ মিটে গিয়েছিল নির্মাতাদের।

তবে ‘সেই সময়’ আর ‘এই সময়ে’র মধ্যে কিছুটা তফাৎ বিরাজমান। একটা সুস্থ ব্যবসায়িক পরিবেশে মুক্তি পেয়েছিল ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ কিংবা ‘মনের মানুষ’। ‘ভারতীয় ছবির বাজার দখলে’র কোনো প্রচারণা ছিল না। যৌথ প্রযোজনা হতো কালে-ভদ্রে। কোনো ছবি চলতো, কোনোটা চলতো না। তাতে চলচ্চিত্র শিল্পের কিছুই আসতো যেতো না।

আজকাল পরিস্থিতি অন্য রকম। ‘যৌথ প্রযোজনাই শেষ ভরসা’- এই শ্লোগান গেয়ে বানানো হচ্ছে ছবি। যৌথ প্রযোজনার ছবি রিলিজের সময় হল পাচ্ছে না দেশিয় প্রযোজনার ছবি। একদিনে দুইটি-তিনটি ভারতীয় ছবি মুক্তি পেয়ে যাচ্ছে বিনা বাধায়। অভিযোগ উঠছে দেশিয় ছবির মার খাওয়ার।
এই অবস্থায় কোনো একটা যৌথ প্রযোজনার ছবি মাত্র ৬ সিনেমা হলে মুক্তি, চলচ্চিত্র পর্যবেক্ষকদের নজরে পড়েছে। এতো প্রচারণার পরও হল মালিকদের কাছে কেনো ছবিটি গ্রহণযোগ্যতা পেলো না তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

প্রসেনজিতের মতো হিন্দি-বাংলা ছবির বড় তারকা যিনি দুই বাংলা মিলে ‘বাহুবলী’ বানানোর স্বপ্ন দেখেন, স্বপ্ন দেখেন দুই পারে একদিনে কয়েক হাজার সিনেমা হলে ছবি মুক্তি দেয়ার, তার ছবি ঢাকায় মাত্র ৬ সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়ায় আলোচনা-সমালোচনা কম হচ্ছে না। জারি রয়েছে ‘শঙ্খচিলে’র রাজনৈতিক দর্শন নিয়েও আলোচনা।


Post A Comment: