৪-০ গোলে রিয়ালের বড় জয়. ম্যাচের আগে জিনেদিন জিদান ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন, এই ম্যাচে দলে অনেক পরিবর্তন আনবেন। এমনই পরিবর্তন আনলেন যে, চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বশেষ ম্যাচের একাদশ থেকে শুধুই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পেপে ও কাসিমেরো থেকে গেলেন। একভাবে দেখলে, ‘অচেনা’ একটা দল নিয়েই তো আজ ঘরের মাঠে এইবারের সঙ্গে খেলল রিয়াল। অচেনা! এমন পারফরম্যান্সের পর অমন বিশেষণ দেওয়া কী ঠিক? কে বলবে এই দল একসঙ্গে সব সময় খেলেনি? কী আক্রমণ, কী রক্ষণ—পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত খেলল রিয়াল। আর প্রতিপক্ষ যখন এইবার, সেখানে জয়-পরাজয় ছাপিয়ে প্রশ্নটা হতে পারে জয়ের ব্যবধান কত? সেখানে উচ্ছ্বাসই অপেক্ষা করছে রিয়াল সমর্থকদের জন্য, ৪-০ গোলে জিতেছেন রোনালদোরা। মঙ্গলবার ভলফসবুর্গের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগে বেঁচে থাকার ম্যাচ। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ২-০ গোলে হেরে যাওয়ায় সেই ম্যাচে দুর্দান্ত কিছু করে দেখাতেই হবে রিয়াল মাদ্রিদকে। এই ম্যাচে তাই নিয়মিত একাদশের অনেককেই বাইরে রাখবেন কোচ জিদান, সেটি অনুমিতই ছিল। কিন্তু তাঁদের অভাবটা একটুও টের পেতে দিলেন না ইসকো-হামেস-ভাসকেজরা। শুরুটা করেছিলেন হামেস। ম্যাচের চার মিনিটেই বক্সের বাইরে ফ্রি কিক থেকে অসাধারণ গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দিয়েছিলেন কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার। প্রথমার্ধেই বাকি গোলগুলো পেয়ে গেছে রিয়াল, যেটিকে এক বাক্য ‘রোনালদো শো’-ও বলতে পারেন। ১৮ মিনিটে লুকাস ভাসকেজ ও ৩৯ মিনিটে হেসে রদ্রিগেজকে দিয়ে গোল করিয়েছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক। কিন্তু শুধু গোল করালেই হবে? রিয়াল গোল-উৎসব করবে আর স্কোরশিটে রোনালদোর নাম থাকবে না, তা কী হয়? ভাসকেজ-হেসের গোলের মাঝে দলের তৃতীয় গোলটিও করেছেন রিয়াল ফরোয়ার্ড। এই মৌসুমে লিগে তাঁর ৩০ গোলও হয়ে গেল। লিগে টানা ষষ্ঠ এই জয়ে লিগ শিরোপার আশায় হয়তো খুব বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার ম্যাচের আগে রিয়ালের আত্মবিশ্বাসে জোর হাওয়া ঠিকই লেগেছে। কে জানে, এই আত্মবিশ্বাসে ভর করেই মঙ্গলবার দুর্দান্ত কোনো প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ফেলেন কি না রোনালদোরা!

 

  ম্যাচের আগে জিনেদিন জিদান ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন, এই ম্যাচে দলে অনেক পরিবর্তন আনবেন। এমনই পরিবর্তন আনলেন যে, চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বশেষ ম্যাচের একাদশ থেকে শুধুই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, পেপে ও কাসিমেরো থেকে গেলেন। একভাবে দেখলে, ‘অচেনা’ একটা দল নিয়েই তো আজ ঘরের মাঠে এইবারের সঙ্গে খেলল রিয়াল।



অচেনা! এমন পারফরম্যান্সের পর অমন বিশেষণ দেওয়া কী ঠিক? কে বলবে এই দল একসঙ্গে সব সময় খেলেনি? কী আক্রমণ, কী রক্ষণ—পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত খেলল রিয়াল। আর প্রতিপক্ষ যখন এইবার, সেখানে জয়-পরাজয় ছাপিয়ে প্রশ্নটা হতে পারে জয়ের ব্যবধান কত? সেখানে উচ্ছ্বাসই অপেক্ষা করছে রিয়াল সমর্থকদের জন্য, ৪-০ গোলে জিতেছেন রোনালদোরা।
মঙ্গলবার ভলফসবুর্গের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগে বেঁচে থাকার ম্যাচ। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ২-০ গোলে হেরে যাওয়ায় সেই ম্যাচে দুর্দান্ত কিছু করে দেখাতেই হবে রিয়াল মাদ্রিদকে। এই ম্যাচে তাই নিয়মিত একাদশের অনেককেই বাইরে রাখবেন কোচ জিদান, সেটি অনুমিতই ছিল। কিন্তু তাঁদের অভাবটা একটুও টের পেতে দিলেন না ইসকো-হামেস-ভাসকেজরা।


শুরুটা করেছিলেন হামেস। ম্যাচের চার মিনিটেই বক্সের বাইরে ফ্রি কিক থেকে অসাধারণ গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দিয়েছিলেন কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার। প্রথমার্ধেই বাকি গোলগুলো পেয়ে গেছে রিয়াল, যেটিকে এক বাক্য ‘রোনালদো শো’-ও বলতে পারেন। ১৮ মিনিটে লুকাস ভাসকেজ ও ৩৯ মিনিটে হেসে রদ্রিগেজকে দিয়ে গোল করিয়েছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
কিন্তু শুধু গোল করালেই হবে? রিয়াল গোল-উৎসব করবে আর স্কোরশিটে রোনালদোর নাম থাকবে না, তা কী হয়? ভাসকেজ-হেসের গোলের মাঝে দলের তৃতীয় গোলটিও করেছেন রিয়াল ফরোয়ার্ড। এই মৌসুমে লিগে তাঁর ৩০ গোলও হয়ে গেল।
লিগে টানা ষষ্ঠ এই জয়ে লিগ শিরোপার আশায় হয়তো খুব বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার ম্যাচের আগে রিয়ালের আত্মবিশ্বাসে জোর হাওয়া ঠিকই লেগেছে। কে জানে, এই আত্মবিশ্বাসে ভর করেই মঙ্গলবার দুর্দান্ত কোনো প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ফেলেন কি না রোনালদোরা!

Post A Comment: