ভুটান বলতেই আমরা বুঝি সবুজ ভ্যালি, তুষারাবৃত পর্বতের চূড়া, শীতল আবহাওয়া আর আকর্ষণীয় ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির চর্চা। এই চমৎকার দেশটিকে ঘিরে আছে পূর্বে ইন্ডিয়ার অরুণাচল, পশ্চিমে নেপাল আর উত্তরে তিব্বত। ভুটানে রোমাঞ্চের অভাব নেই। অসাধারণ ভ্যালি আর মন্দির, হস্তশিল্প ইম্পোরিয়াল, ম্যামোরিয়াল, ছুখা হাইদেল প্রজেক্ট এবং বিভিন্ন মঠ ভুটানের পর্যটকদের প্রধাণত আকর্ষণ করে। ভুটানে বেড়াতে যাওয়ার আগে জেনে নিন এর প্রধাণ আকর্ষণগুলোর কথা। পারো বাজার, হোটেল, রেস্টুরেন্ট নিয়ে পারো একটি ছোট্ট কিন্তু সুন্দর গ্রাম। পারো ডিজং এবং তা ডিজং, দুইটি সমৃদ্ধ জাতীয় যাদুঘর যা এখানে অবস্থিত। তা ডিজং ১৬৫১ সালে একটি একটি ওয়াটচ টাও্য়ার হিসেবে নির্মিত হয়। ৬ তলা বিশিষ্ট এই স্থাপত্যটি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক নানান উপকরণে সজ্জিত। থিম্পু ভুটানের রাজধানী থিম্পু শুধু আভিজাত্যেই নয় পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক অনন্য সব দৃশ্যে। থিম্পুকে ঘিরে আছে উঁচু পর্বতের সারি, যা এর সৌন্দর্য্যকে বাড়িয়েছে কয়েকগুণে। শুধু ভুটানের থিম্পুকে উপভোগ করতেই আপনাকে নিয়ে যেতে হবে যথেষ্ট সময়। সম্ভব হলে হাতে ২/৩ দিন রাখার চেষ্টা করুন থিম্পুকে পুরোমাত্রায় দেখতে এবং জানতে। ফ্লোরা এবং ফুয়েনা ফ্লোরা ফুয়েনা মানে হল উদ্ভিত আর প্রাণীজগৎ। ভুটানে দেখতে পাবেন অপূর্ব সব ফুলের সমারোহ। দেখতে পাবেন রডোডেন্ড্রন, জুনিপারস, কার্নিভারাস গাছ, বিরল অর্কিড, নীল পপি (ভুটানের জাতীয় ফুল), এডেলোয়েইস, জেন্টাইন, ঔষধি বিভিন্ন উদ্ভিদ, দাফনে, দৈত্যাকৃতি রুহুবার্ব, প্রান্তীয় গাছ, পাইন এবং ওক গাছ। ভুটান যথাযথভাবেই উদ্ভিদের গৌরবময় সমারোহ। টাষীছোড জং দূর্গগুলো মূলত রাজা উজীরদের কার্যালয়। এছাড়া ও বিভিন্ন সরকারি সংঠনের অফিস এবং হেড কোয়ার্টার অবস্থিত এখানে। ভুটানের ধর্মীয় নেতা এবং থিম্পু ও পুনাখা উভয়ের ভীক্ষুরা গ্রীষ্মের সময় এখানে অবস্থান করেন। থিম্পু ফেস্টিভ্যালের জন্যও জায়গাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ফাজোদিং মন্দির সাচা রিংচেন নামক একজন ধর্মীয় যাজক ১৫ শতকে এই মন্দির নির্মাণ করেন। এটি ১২,১৩৮ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এখান থেকে দেখা যায় পুরো থিম্পু ভ্যালী। মন্দিরটিকে ঘিরে আছে অনেক উইথড্র বাড়ি। এগুলো বানানো হয়েছে তাদের জন্য যারা এখনে আসেন এবং উপাসনার জন্য ৩ বছর এখানে অতিবাহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। থিম্পু ভ্যালির চমৎকার দৃশ্য তো রয়েছেই, আরও উপভোগ করতে উত্তরের চমৎকার কনিফার বন।
 

 ভুটান বলতেই আমরা বুঝি সবুজ ভ্যালি, তুষারাবৃত পর্বতের চূড়া, শীতল আবহাওয়া আর আকর্ষণীয় ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির চর্চা। এই চমৎকার দেশটিকে ঘিরে আছে পূর্বে ইন্ডিয়ার অরুণাচল, পশ্চিমে নেপাল আর উত্তরে তিব্বত। ভুটানে রোমাঞ্চের অভাব নেই। অসাধারণ ভ্যালি আর মন্দির, হস্তশিল্প ইম্পোরিয়াল, ম্যামোরিয়াল, ছুখা হাইদেল প্রজেক্ট এবং বিভিন্ন মঠ ভুটানের পর্যটকদের প্রধাণত আকর্ষণ করে। ভুটানে বেড়াতে যাওয়ার আগে জেনে নিন এর প্রধাণ আকর্ষণগুলোর কথা।

 

 

পারো
বাজার, হোটেল, রেস্টুরেন্ট নিয়ে পারো একটি ছোট্ট কিন্তু সুন্দর গ্রাম। পারো ডিজং এবং তা ডিজং, দুইটি সমৃদ্ধ জাতীয় যাদুঘর যা এখানে অবস্থিত। তা ডিজং ১৬৫১ সালে একটি একটি ওয়াটচ টাও্য়ার হিসেবে নির্মিত হয়। ৬ তলা বিশিষ্ট এই স্থাপত্যটি ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক নানান উপকরণে সজ্জিত।

থিম্পু
ভুটানের রাজধানী থিম্পু শুধু আভিজাত্যেই নয় পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক অনন্য সব দৃশ্যে। থিম্পুকে ঘিরে আছে উঁচু পর্বতের সারি, যা এর সৌন্দর্য্যকে বাড়িয়েছে কয়েকগুণে। শুধু ভুটানের থিম্পুকে উপভোগ করতেই আপনাকে নিয়ে যেতে হবে যথেষ্ট সময়। সম্ভব হলে হাতে ২/৩ দিন রাখার চেষ্টা করুন থিম্পুকে পুরোমাত্রায় দেখতে এবং জানতে।

ফ্লোরা এবং ফুয়েনা
ফ্লোরা ফুয়েনা মানে হল উদ্ভিত আর প্রাণীজগৎ। ভুটানে দেখতে পাবেন অপূর্ব সব ফুলের সমারোহ। দেখতে পাবেন রডোডেন্ড্রন, জুনিপারস, কার্নিভারাস গাছ, বিরল অর্কিড, নীল পপি (ভুটানের জাতীয় ফুল), এডেলোয়েইস, জেন্টাইন, ঔষধি বিভিন্ন উদ্ভিদ, দাফনে, দৈত্যাকৃতি রুহুবার্ব, প্রান্তীয় গাছ, পাইন এবং ওক গাছ। ভুটান যথাযথভাবেই উদ্ভিদের গৌরবময় সমারোহ।

টাষীছোড জং
দূর্গগুলো মূলত রাজা উজীরদের কার্যালয়। এছাড়া ও বিভিন্ন সরকারি সংঠনের অফিস এবং হেড কোয়ার্টার অবস্থিত এখানে। ভুটানের ধর্মীয় নেতা এবং থিম্পু ও পুনাখা উভয়ের ভীক্ষুরা গ্রীষ্মের সময় এখানে অবস্থান করেন। থিম্পু ফেস্টিভ্যালের জন্যও জায়গাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ফাজোদিং মন্দির
সাচা রিংচেন নামক একজন ধর্মীয় যাজক ১৫ শতকে এই মন্দির নির্মাণ করেন। এটি ১২,১৩৮ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। এখান থেকে দেখা যায় পুরো থিম্পু ভ্যালী। মন্দিরটিকে ঘিরে আছে অনেক উইথড্র বাড়ি। এগুলো বানানো হয়েছে তাদের জন্য যারা এখনে আসেন এবং উপাসনার জন্য ৩ বছর এখানে অতিবাহিত করার সিদ্ধান্ত নেয়। থিম্পু ভ্যালির চমৎকার দৃশ্য তো রয়েছেই, আরও উপভোগ করতে উত্তরের চমৎকার কনিফার বন।

Post A Comment: