বরাবরের মতোই দুর্দান্ত খেললেন লিওনেল মেসি আর নেইমার। গোল করায় দারুণ দক্ষতার পরিচয় আবারও দিলেন লুইস সুয়ারেস। ‘এমএসএন’ ত্রয়ীর নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার রাতে কাম্প নউয়ে ফের্নান্দো তরেসের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে সুয়ারেসের জোড়া গোলে দারুণ এই জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা। প্রথমার্ধের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল বার্সেলোনার; কিন্তু মেসি-নেইমার ভাঙতে পারেননি আতলেতিকোর শক্ত রক্ষণভাগ। মেসি দুটি লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেওয়ার পর ১৯তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম সুবর্ণ সুযোগটা পেয়েছিলেন নেইমার। দানি আলভেসের ক্রসে লাফিয়ে উঠে হেড করেছিলেন ব্রাজিল অধিনায়ক। চোখের সামনে ছিল পুরো জাল; কিন্তু বল চলে যায় ক্রসবার উঁচিয়ে। কাম্প নউকে স্তব্ধ করে দিয়ে ২৫তম মিনিটে আতলেতিকোকে এগিয়ে দেন তরেস। কোকের দুর্দান্ত পাস থেকে বল মার্ক আন্ড্রে টের স্টেগেনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন স্পেনের এই ফরোয়ার্ড। ৩২তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল অতিথিরা। তরেসের পাস থেকে বল বুটের সামনের অংশ দিয়ে দূরের পোস্টের দিকে পাঠিয়েছিলেন অন্তনি গ্রিজমান। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে তা ঠেকান টের স্টেগেন। ৩৫তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তরেসকে। গোলের পরপরই নেইমারকে অহেতুক ফাউল করে প্রথম হলুদ কার্ডটি দেখেছিলেন। সতর্ক না হয়ে এরপরও খামোখা বার্সেলোনার অর্ধে সের্হিও বুসকেতসকে পেছন থেকে ফাউল করেন তিনি। দিয়েগো সিমেওনে দুই হাত মাথার উপরে তুলে যতই প্রতিবাদ জানান না কেন, আতলেতিকোকে ১০ জনের দলে পরিণত করার জন্য তরেসকেই দোষ দিতে হবে। একজন কম নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক খেলায় চলে যায় আতলেতিকো। আর একের পর এক আক্রমণে অতিথিদের রক্ষণ কাঁপিয়ে দেন মেসি-নেইমার। ৪৯তম মিনিটে নেইমারের ক্রস বুকে দিয়ে নামিয়ে দর্শনীয় ওভারহেড কিক করেন মেসি; তবে বল চলে যায় পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে। দুই মিনিট পরই দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে নেইমারের বাঁকানো শট ক্রসবার কাঁপিয়ে ফেরত আসে। গোলরক্ষক হাল ছেড়েই দিয়েছিলেন। একটু পর আবারও হেডে দুর্বলতার পরিচয় দেন নেইমার। প্রথমার্ধের মতো এবারও জাতীয় দল সতীর্থ আলভেসের ক্রসে হেড করেছিলেন ব্রাজিল অধিনায়ক, তবে বল সরাসরি চলে যায় গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাকের হাতে। ৫৬তম মিনিটে মেসির জোরালো নীচু শট কোনোমতে ফেরান ওবলাক। ফিরতি বলে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার। অবশেষে ৬৩তম মিনিটে তখন পর্যন্ত অনুজ্জ্বল সুয়ারেসের গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। গোলের দিকে শট নিয়েছিলেন জরদি আলবা, ছয় গজের বক্সে দাড়িয়ে থাকা সুয়ারেস বলটা খালি জালে ঠেলে দেন পা দিয়ে। ৭৪তম মিনিটে বার্সেলোনাকে এগিয়েও দেন সুয়ারেস। ডান দিক থেকে আলভেসের ক্রসে উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের জোড়ালো হেড ঠেকানোর সুযোগ পাননি ওবলাক। এই মৌসুমে সব মিলিয়ে সুয়ারেসের গোল হলো ৪৫টি। এ নিয়ে কাম্প নউয়ে টানা চার ম্যাচে আতলেতিকোকে হারাল বার্সেলোনা। তবে মূল্যবান একটি অ্যাওয়ে গোলে কিছুটা সান্ত্বনা নিয়ে আগামী ১৩ এপ্রিল নিজেদের মাঠে ফিরতি ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হতে পারবে সিমেওনের দল। মঙ্গলবার রাতের অন্য ম্যাচে বেনফিকাকে নিজেদের মাঠে একমাত্র গোলে হারায় বায়ার্ন মিউনিখ।

    বরাবরের মতোই দুর্দান্ত খেললেন লিওনেল মেসি আর নেইমার। গোল করায় দারুণ দক্ষতার পরিচয় আবারও দিলেন লুইস সুয়ারেস। ‘এমএসএন’ ত্রয়ীর নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা।


মঙ্গলবার রাতে কাম্প নউয়ে ফের্নান্দো তরেসের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে সুয়ারেসের জোড়া গোলে দারুণ এই জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা।


প্রথমার্ধের শুরু থেকেই বলের দখল ছিল বার্সেলোনার; কিন্তু মেসি-নেইমার ভাঙতে পারেননি আতলেতিকোর শক্ত রক্ষণভাগ। মেসি দুটি লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেওয়ার পর ১৯তম মিনিটে ম্যাচের প্রথম সুবর্ণ সুযোগটা পেয়েছিলেন নেইমার। দানি আলভেসের ক্রসে লাফিয়ে উঠে হেড করেছিলেন ব্রাজিল অধিনায়ক। চোখের সামনে ছিল পুরো জাল; কিন্তু বল চলে যায় ক্রসবার উঁচিয়ে।


কাম্প নউকে স্তব্ধ করে দিয়ে ২৫তম মিনিটে আতলেতিকোকে এগিয়ে দেন তরেস। কোকের দুর্দান্ত পাস থেকে বল মার্ক আন্ড্রে টের স্টেগেনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে জালে পাঠিয়ে দেন স্পেনের এই ফরোয়ার্ড।

৩২তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল অতিথিরা। তরেসের পাস থেকে বল বুটের সামনের অংশ দিয়ে দূরের পোস্টের দিকে পাঠিয়েছিলেন অন্তনি গ্রিজমান। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে তা ঠেকান টের স্টেগেন।


৩৫তম মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তরেসকে। গোলের পরপরই নেইমারকে অহেতুক ফাউল করে প্রথম হলুদ কার্ডটি দেখেছিলেন। সতর্ক না হয়ে এরপরও খামোখা বার্সেলোনার অর্ধে সের্হিও বুসকেতসকে পেছন থেকে ফাউল করেন তিনি। দিয়েগো সিমেওনে দুই হাত মাথার উপরে তুলে যতই প্রতিবাদ জানান না কেন, আতলেতিকোকে ১০ জনের দলে পরিণত করার জন্য তরেসকেই দোষ দিতে হবে।


একজন কম নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই রক্ষণাত্মক খেলায় চলে যায় আতলেতিকো। আর একের পর এক আক্রমণে অতিথিদের রক্ষণ কাঁপিয়ে দেন মেসি-নেইমার।


৪৯তম মিনিটে নেইমারের ক্রস বুকে দিয়ে নামিয়ে দর্শনীয় ওভারহেড কিক করেন মেসি; তবে বল চলে যায় পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে।


দুই মিনিট পরই দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে নেইমারের বাঁকানো শট ক্রসবার কাঁপিয়ে ফেরত আসে। গোলরক্ষক হাল ছেড়েই দিয়েছিলেন।


একটু পর আবারও হেডে দুর্বলতার পরিচয় দেন নেইমার। প্রথমার্ধের মতো এবারও জাতীয় দল সতীর্থ আলভেসের ক্রসে হেড করেছিলেন ব্রাজিল অধিনায়ক, তবে বল সরাসরি চলে যায় গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাকের হাতে।


৫৬তম মিনিটে মেসির জোরালো নীচু শট কোনোমতে ফেরান ওবলাক। ফিরতি বলে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি নেইমার।


অবশেষে ৬৩তম মিনিটে তখন পর্যন্ত অনুজ্জ্বল সুয়ারেসের গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। গোলের দিকে শট নিয়েছিলেন জরদি আলবা, ছয় গজের বক্সে দাড়িয়ে থাকা সুয়ারেস বলটা খালি জালে ঠেলে দেন পা দিয়ে।


৭৪তম মিনিটে বার্সেলোনাকে এগিয়েও দেন সুয়ারেস। ডান দিক থেকে আলভেসের ক্রসে উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের জোড়ালো হেড ঠেকানোর সুযোগ পাননি ওবলাক। এই মৌসুমে সব মিলিয়ে সুয়ারেসের গোল হলো ৪৫টি।


এ নিয়ে কাম্প নউয়ে টানা চার ম্যাচে আতলেতিকোকে হারাল বার্সেলোনা। তবে মূল্যবান একটি অ্যাওয়ে গোলে কিছুটা সান্ত্বনা নিয়ে আগামী ১৩ এপ্রিল নিজেদের মাঠে ফিরতি ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হতে পারবে সিমেওনের দল।


মঙ্গলবার রাতের অন্য ম্যাচে বেনফিকাকে নিজেদের মাঠে একমাত্র গোলে হারায় বায়ার্ন মিউনিখ।

Post A Comment: