সাংবাদিক শফিক রেহমানের গ্রেফতার নিয়ে করা মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ড. ইমরান এইচ সরকারকে ক্ষমা চাইতে বললেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। একই সাথে ইমরানকে ‘বেশিরভাগ সুশীলের মতোই, আরেকটা সুবিধাবাদী’ বলেও মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনার এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা। রোববার রাত আটটার দিকে দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস আমাকে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রে শফিক রেহমানের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা উদ্ঘাটন করেছে। তারা এ বিষয়ে প্রমাণাদি আমাদের সরকারের কাছে দিয়েছে। তাকে এই প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি এরচেয়ে বেশি কিছু প্রকাশ করতে পারছি না, কিন্তু এই প্রমাণ দ্ব্যর্থহীন এবং অখণ্ডনীয়। প্রধানমন্ত্রীপুত্র আরও বলেন, ‘আমি আশাই করেছিলাম বিএনপি এটা নিয়ে মিথ্যা বলার চেষ্টা করবে। যদিও, আমি আশ্চর্য হয়েছি ইমরান সরকারের বিষয়ে। সম্ভবত শেষ পর্যন্ত তার আসল চেহারাটা উন্মোচিত হলো। এটা দেখে মনে হচ্ছে সে আমাদের বেশিরভাগ সুশীলের মতই, আরেকটা সুবিধাবাদী এবং মিথ্যাবাদী। হয়তো বিএনপি তাকে পয়সা দিয়েছে। কে জানে। যেভাবেই হোক, আমি তার প্রতি সব শ্রদ্ধা হারিয়েছি। তাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে আমাদের সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’ ‘আমি আমার সকল বন্ধু এবং ভক্তদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, যারা তাকে অনুসরণ করেন তারা তাকে ফেসবুক থেকে আনফলো/আনফ্রেন্ড করুন। সে একজন অপরাধীর হয়ে কথা বলছে যে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল।’ বলে ফেসবুকে লিখেছেন জয়। প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমানের গ্রেফতারের পর এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন গণজারণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান। তার দেওয়া ফেসকুব স্ট্যাটাস: প্রবীণ (৮১ বছর বয়সী) সাংবাদিক শফিক রেহমানের গ্রেফতার ও রিমান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শফিক রেহমানের রাজনৈতিক আদর্শের সাথে আমি একমত নই। ভিন্নমতের হলেই তাকে দমন করার যে নোংরা রাজনৈতিক অপকৌশল, এর একটা অবসান চাই। দেশে যখন একের পর এক মানুষ খুন হচ্ছে, লেখক-প্রকাশক-বিদেশী থেকে শুরু করে মসজিদ-মন্দিরে ঢুকে মুয়াজ্জিন-পুরোহিতকে হত্যা করা হচ্ছে তখন খুনীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে অপহরণের বায়বীয় অভিযোগে এমন একজন প্রবীণ সাংবাদিককে গ্রেফতার সত্যিই হতাশাজনক। আমি প্রত্যাশা করি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং প্রতিপক্ষকে দমনের চেয়ে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দিকে মনোযোগী হবে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা পরিকল্পনা মামলায় রাজধানীর ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে শফিক রেহমানকে শনিবার সকালে আটক করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। দুপুরে পুলিশ তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক মাজহারুল ইসলাম পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

  সাংবাদিক শফিক রেহমানের গ্রেফতার নিয়ে করা মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ড. ইমরান এইচ সরকারকে ক্ষমা চাইতে বললেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। একই সাথে ইমরানকে ‘বেশিরভাগ সুশীলের মতোই, আরেকটা সুবিধাবাদী’ বলেও মন্তব্য  করেছেন শেখ হাসিনার এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা। রোববার রাত আটটার দিকে দেওয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন,


যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস আমাকে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রে শফিক রেহমানের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা উদ্ঘাটন করেছে। তারা এ বিষয়ে প্রমাণাদি আমাদের সরকারের কাছে দিয়েছে। তাকে এই প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আমি এরচেয়ে বেশি কিছু প্রকাশ করতে পারছি না, কিন্তু এই প্রমাণ দ্ব্যর্থহীন এবং অখণ্ডনীয়।

প্রধানমন্ত্রীপুত্র আরও বলেন, ‘আমি আশাই করেছিলাম বিএনপি এটা নিয়ে মিথ্যা বলার চেষ্টা করবে। যদিও, আমি আশ্চর্য হয়েছি ইমরান সরকারের বিষয়ে। সম্ভবত শেষ পর্যন্ত তার আসল চেহারাটা উন্মোচিত হলো। এটা দেখে মনে হচ্ছে সে আমাদের বেশিরভাগ সুশীলের মতই, আরেকটা সুবিধাবাদী এবং মিথ্যাবাদী। হয়তো বিএনপি তাকে পয়সা দিয়েছে। কে জানে। যেভাবেই হোক, আমি তার প্রতি সব শ্রদ্ধা হারিয়েছি। তাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে আমাদের সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’ ‘আমি আমার সকল বন্ধু এবং ভক্তদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, যারা তাকে অনুসরণ করেন তারা তাকে ফেসবুক থেকে আনফলো/আনফ্রেন্ড করুন। সে একজন অপরাধীর হয়ে কথা বলছে যে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল।’ বলে ফেসবুকে লিখেছেন জয়।  প্রবীণ সাংবাদিক শফিক রেহমানের গ্রেফতারের পর এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন গণজারণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান।


তার দেওয়া ফেসকুব স্ট্যাটাস: 

     প্রবীণ (৮১ বছর বয়সী) সাংবাদিক শফিক রেহমানের গ্রেফতার ও রিমান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শফিক রেহমানের রাজনৈতিক আদর্শের সাথে আমি একমত নই। ভিন্নমতের হলেই তাকে দমন করার যে নোংরা রাজনৈতিক অপকৌশল, এর একটা অবসান চাই। দেশে যখন একের পর এক মানুষ খুন হচ্ছে, লেখক-প্রকাশক-বিদেশী থেকে শুরু করে মসজিদ-মন্দিরে ঢুকে মুয়াজ্জিন-পুরোহিতকে হত্যা করা হচ্ছে তখন খুনীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে অপহরণের বায়বীয় অভিযোগে এমন একজন প্রবীণ সাংবাদিককে গ্রেফতার সত্যিই হতাশাজনক। আমি প্রত্যাশা করি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং প্রতিপক্ষকে দমনের চেয়ে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দিকে মনোযোগী হবে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা পরিকল্পনা মামলায় রাজধানীর ইস্কাটনের নিজ বাসা থেকে শফিক রেহমানকে শনিবার সকালে আটক করে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। দুপুরে পুলিশ তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক মাজহারুল ইসলাম পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

Post A Comment: