পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমিরের পর আর কোন বাঁ-হাতি পেসারই অভিষেকের পর প্রথম বছরেই এতটা আলোড়ন তুলতে পারেননি, যতটা পেরেছেন বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান। আর এই মুস্তাফিজ আছেন বলেই, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) হায়দ্রাবাদ সানরাইজার্সের সাইড বেঞ্চে দিনের পর দিন বসে থাকতে হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্টকে। হ্যা, এই সেই ট্রেন্ট বোল্ট – যাকে মিশেল স্টার্কের সাথে ২০১৫ সালের সেরা পেসার বললে ভুল বলা হবে না। কেন ২০ বছর বয়সের মুস্তাফিজের ওপর এত ভরসা হায়দ্রাবাদের? কি এমন ‘এক্স-ফ্যাক্টর’ মাত্র ২৪ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই পেসারের? ব্যাখ্যাটা দিলেন দলের মেন্টর, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষণ। গত কয়েকটা সপ্তাহ মুস্তাফিজকে কাছ থেকে দেখা এই ক্রিকেট বিশ্লেষক বললেন, ‘ওর আছে বৈচিত্র, ও নির্ভুল। আর সেই দক্ষতাটাকে ভয়াবহ চাপের মুখে কাজে লাগাতে জানতে হয়। প্রতীভা তো অনেকেরই আছে;কিন্তু, চাপে পড়লে ক’জন পারে মুস্তাফিজের মত ওরকম খেলতে! ও খুবই আত্মবিশ্বাসী। ওর কাজের নীতি অসাধারণ।’ লক্ষণের কণ্ঠ থেকে যেন মুস্তাফিজের নাম সরছেই না। বলে গেলেন, ‘ও দারুণ চটপটে। নিজের দক্ষতার জায়গাগুলো নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে। আর এর জন্যই কেবল ক্যারিয়ারের প্রথম বছর নয়, লম্বা ক্যারিয়ারজুড়েই সফলতা পাবে মুস্তাফিজ।’ মুস্তাফিজের সুবাদে বাংলাদেশ এখন কেবল আন্তর্জাতিক অঙ্গণে ম্যাচই জিতছে না; দলের মধ্যে এই বিশ্বাস জন্মেছে যে তারা ক্রিকেট বিশ্বেরই অন্যতম সেরা দল হতে পারবে। আর এর জন্য লক্ষণ কৃতীত্ব দিলেন বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কান কোচ চান্দিকা হাতুরুসিংহেকে। মুস্তাফিজ তার ছোট্ট ক্রিকেট জীবনে এখন অবধি কোন বড় শিরোপা জিততে পারেনি। আর এবার যদি সানরাইজার্স তাদের প্রথম ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শিরোপা জিতে নিতে পারে, তাহলে অবশ্যই সেখানে বড় ভূমিকা রাখতে হবে মুস্তাফিজকে। লক্ষণ যোগ করলেন, ‘যে কি না ক্যারিয়ারের একটা বছরও এখন পর্যন্ত ঠিক মত শেষ করতে পারেনি, তার কাছ থেকে এমন চৌকসতা সত্যি অভাবনীয় এক ব্যাপারে!’

  পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমিরের পর আর কোন বাঁ-হাতি পেসারই অভিষেকের পর প্রথম বছরেই এতটা আলোড়ন তুলতে পারেননি, যতটা পেরেছেন বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান। আর এই মুস্তাফিজ আছেন বলেই, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) হায়দ্রাবাদ সানরাইজার্সের সাইড বেঞ্চে দিনের পর দিন বসে থাকতে হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্টকে। 



হ্যা, এই সেই ট্রেন্ট বোল্ট – যাকে মিশেল স্টার্কের সাথে ২০১৫ সালের সেরা পেসার বললে ভুল বলা হবে না। কেন ২০ বছর বয়সের মুস্তাফিজের ওপর এত ভরসা হায়দ্রাবাদের? কি এমন ‘এক্স-ফ্যাক্টর’ মাত্র ২৪ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এই পেসারের?


 ব্যাখ্যাটা দিলেন দলের মেন্টর, সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ভিভিএস লক্ষণ। গত কয়েকটা সপ্তাহ মুস্তাফিজকে কাছ থেকে দেখা এই ক্রিকেট বিশ্লেষক বললেন, ‘ওর আছে বৈচিত্র, ও নির্ভুল। আর সেই দক্ষতাটাকে ভয়াবহ চাপের মুখে কাজে লাগাতে জানতে হয়। প্রতীভা তো অনেকেরই আছে;কিন্তু, চাপে পড়লে ক’জন পারে মুস্তাফিজের মত ওরকম খেলতে! ও খুবই আত্মবিশ্বাসী। ওর কাজের নীতি অসাধারণ।’ 


লক্ষণের কণ্ঠ থেকে যেন মুস্তাফিজের নাম সরছেই না। বলে গেলেন, ‘ও দারুণ চটপটে। নিজের দক্ষতার জায়গাগুলো নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করে। আর এর জন্যই কেবল ক্যারিয়ারের প্রথম বছর নয়, লম্বা ক্যারিয়ারজুড়েই সফলতা পাবে মুস্তাফিজ।’ 


মুস্তাফিজের সুবাদে বাংলাদেশ এখন কেবল আন্তর্জাতিক অঙ্গণে ম্যাচই জিতছে না; দলের মধ্যে এই বিশ্বাস জন্মেছে যে তারা ক্রিকেট বিশ্বেরই অন্যতম সেরা দল হতে পারবে। আর এর জন্য লক্ষণ কৃতীত্ব দিলেন বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কান কোচ চান্দিকা হাতুরুসিংহেকে। মুস্তাফিজ তার ছোট্ট ক্রিকেট জীবনে এখন অবধি কোন বড় শিরোপা জিততে পারেনি।  আর এবার যদি সানরাইজার্স তাদের প্রথম ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) শিরোপা জিতে নিতে পারে, তাহলে অবশ্যই সেখানে বড় ভূমিকা রাখতে হবে মুস্তাফিজকে। 


লক্ষণ যোগ করলেন, ‘যে কি না ক্যারিয়ারের একটা বছরও এখন পর্যন্ত ঠিক মত শেষ করতে পারেনি, তার কাছ থেকে এমন চৌকসতা সত্যি অভাবনীয় এক ব্যাপারে!’

Post A Comment: