বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক তিনি। কিংবদন্তি ক্লাইভ লয়েডের পর এই ড্যারেন স্যামিই প্রথম ক্যারিবিয়ান হিসেবে জিতেছেন দুটি বিশ্বকাপের শিরোপা। অথচ, সেই স্যামিকে কোনো রকম ছাড় দিতে নারাজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড (ডব্লিউআইসিবি)। তার দোষ ইডেন গার্ডেন্সে বিশ্বকাপ জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে বোর্ডের নিন্দা করা। বোর্ডের সাথে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটারদের ঝামেলার ইতিহাস একদিনের নয়। প্রায়ই এই বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তবে, সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর যেন নতুন করে সেই আগুণে ঘিঁ ঢাললেন অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি ধুয়ে দিলেন নিজের বোর্ডকে। বলেছিলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন আমরা কেউ একসাথে ছিলাম না। বাইরের লিগে খেলে বেড়াই। বোর্ডের সাথে আমাদের ঝামেলা চলছে। আমরা দুবাই থেকে কলকাতা আসি। আমাদের জার্সি ছিলো না, প্রিন্টিং ছিলো না। আমাদের বোর্ড কর্তা আমাদেরকে ‘নির্বোধের দল’ বলে আখ্যায়িত করেছে। আজ সেই নির্বোধরাই চ্যাম্পিয়ন।’ এর জন্য অবশ্য কোন শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে না স্যামিকে। শুধু বোর্ড তাকে ‘ধমক’ দিয়ে দিয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরবর্তীতে ডব্লিউআইসিবি বলেছে, ‘ড্যারেন স্যামি সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছেন সেটা সত্য নয়। এর জন্য খোদ বোর্ড সভাপতি লজ্জিত। কোটি কোটি সমর্থক যারা এই সংবাদ সম্মেলন দেখেছেন তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী আমরা। সভাপতি এই ব্যাপারে তদন্ত কার অঙ্গীকার করছেন আর অবশ্যই এর একটা সুরাহা হবে।’ বোর্ড সভাপতি ডেভিড ক্যামেরন, ক্রিকেটারদের সাথে কথা বলার কথা জানান। তবে, সামির এমন অভিযোগ যে পছন্দ হয়নি ক্যামেরনের, সেটা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেই স্পষ্ট। তিনি আরও বলেন ‘স্যামির এমন অপ্রীতিকর কথাবার্তা আমাদের বিস্মিত করেছে। আসছে মে মাসে বোর্ড ক্রিকেটারদের নিয়ে নতুন করে ভাববে। নির্বাচক, কর্মকর্তারা ও ম্যানেজমেন্ট ক্রিকেটাদের সব ধরণের সুযোগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা করবে। আমরা সব ধরণের সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিতে চাই।’
 

    বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক তিনি। কিংবদন্তি ক্লাইভ লয়েডের পর এই ড্যারেন স্যামিই প্রথম ক্যারিবিয়ান হিসেবে জিতেছেন দুটি বিশ্বকাপের শিরোপা। অথচ, সেই স্যামিকে কোনো রকম ছাড় দিতে নারাজ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড (ডব্লিউআইসিবি)।

তার দোষ ইডেন গার্ডেন্সে বিশ্বকাপ জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে বোর্ডের নিন্দা করা। বোর্ডের সাথে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটারদের ঝামেলার ইতিহাস একদিনের নয়। প্রায়ই এই বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তবে, সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর যেন নতুন করে সেই আগুণে ঘিঁ ঢাললেন অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি।

প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি ধুয়ে দিলেন নিজের বোর্ডকে। বলেছিলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন আমরা কেউ একসাথে ছিলাম না। বাইরের লিগে খেলে বেড়াই। বোর্ডের সাথে আমাদের ঝামেলা চলছে। আমরা দুবাই থেকে কলকাতা আসি। আমাদের জার্সি ছিলো না, প্রিন্টিং ছিলো না। আমাদের বোর্ড কর্তা আমাদেরকে ‘নির্বোধের দল’ বলে আখ্যায়িত করেছে। আজ সেই নির্বোধরাই চ্যাম্পিয়ন।’

এর জন্য অবশ্য কোন শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে না স্যামিকে। শুধু বোর্ড তাকে ‘ধমক’ দিয়ে দিয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরবর্তীতে ডব্লিউআইসিবি বলেছে, ‘ড্যারেন স্যামি সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছেন সেটা সত্য নয়। এর জন্য খোদ বোর্ড সভাপতি লজ্জিত। কোটি কোটি সমর্থক যারা এই সংবাদ সম্মেলন দেখেছেন তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী আমরা। সভাপতি এই ব্যাপারে তদন্ত কার অঙ্গীকার করছেন আর অবশ্যই এর একটা সুরাহা হবে।’

বোর্ড সভাপতি ডেভিড ক্যামেরন, ক্রিকেটারদের সাথে কথা বলার কথা জানান। তবে, সামির এমন অভিযোগ যে পছন্দ হয়নি ক্যামেরনের, সেটা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেই স্পষ্ট। তিনি আরও বলেন ‘স্যামির এমন অপ্রীতিকর কথাবার্তা আমাদের বিস্মিত করেছে। আসছে মে মাসে বোর্ড ক্রিকেটারদের নিয়ে নতুন করে ভাববে। নির্বাচক, কর্মকর্তারা ও ম্যানেজমেন্ট ক্রিকেটাদের সব ধরণের সুযোগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা করবে। আমরা সব ধরণের সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা দিতে চাই।’

Post A Comment: