ইস্টার উৎসব উদযাপনে ১৫ হাজার ডিমে দিয়ে তৈরি দৈত্যাকার ওমলেট! ইস্টার উৎসব উদযাপনে ফ্রান্সের বেজিয়ার্স শহরে তৈরি হয়েছে ১৫ হাজার ডিমের একটি ওমলেট। ১১ এপ্রিল ২০১৬ এ উৎসব উদযাপনে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। ফ্রান্সের স্থানীয় দৈনিকগুলো সূত্রে টাইম জানিয়েছে, সরকারি ছুটির দিনে দৈত্যাকৃতির ওমলেটটি তৈরি হয়েছে প্রায় ১০ হাজার দর্শকের সামনে। দক্ষিণ ফ্রান্সের শহরটির কেন্দ্রে বিশাল বড় একটি কড়াইতে ডিমের পুকুর তৈরি হয়ে গিয়েছিল। প্রায় অর্ধশত মানুষ বসে বসে ১৫ হাজার ডিম ভেঙে কড়াইতে ফেলেছেন। রন্ধনশিল্পীরা সেসব ডিম ভেঙে নেড়েচেড়ে মেশাতে চামচ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন কাঠের তৈরি বিশাল বিশাল লাঠি। ডিম ভাঙা থেকে শুরু করে কড়াইতে সমস্ত ডিম ও ওমলেট তৈরিতে ব্যবহৃত অন্যান্য উপকরণ মেশাতে এবং খাওয়ার জন্য ওমলেট পুরোপুরি প্রস্তুত হতে সময় লেগেছে দেড় ঘণ্টা। টানা আধা ঘণ্টা লেগেছে কড়াইতে ডিম ও সমস্ত উপকরণ মেশাতে। ওমলেট তৈরিতে তেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০ কেজি হাঁসের চর্বি, যা আগেই গলিয়ে রাখা হয়েছিল। ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর ইস্টারের পরের সোমবার বেজিয়ার্সে ১৫ হাজার ডিম দিয়ে ওমলেট তৈরি করা হয়। এরপর এতে অংশ নেওয়া মানুষজন রুটি ও ডিমের ওমলেট ভাগাভাগি করে একসঙ্গে বসে খান। বেজিয়ার্সের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ধরে রাখতে এই ওমলেট তৈরির দায়িত্ব পালন করে ব্রাদারহুড বেজিয়ার্স নামের একটি সংগঠন। প্রচলিত কাহিনী থেকে জানা যায়, ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে সফরের সময় বেজিয়ার্সের একটি গ্রামে রাত কাটিয়েছিলেন সম্রাট নেপোলিয়ন ও তার সেনাবাহিনী। সেখানে স্থানীয় এক রন্ধনশিল্পীর তৈরি করা ওমলেট খেয়ে নেপোলিয়ন এতটাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন যে তিনি ওই এলাকার সমস্ত মানুষকে তাদের কাছে যত ডিম ছিল, সব নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নির্দেশমতো গ্রামবাসী নেপোলিয়ন ও তার বাহিনীর জন্য পরদিন গ্রামের সমস্ত ডিম দিয়ে বিশাল একটি ওমলেট তৈরি করেছিলেন। আর সেই ঘটনার স্মরণেই গত ৪৩ বছর ধরে এভাবে ইস্টার পালন করেন। অবশ্য এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওমলেট তৈরি ঘটনা নয়। গিনেস বুক অব রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বৃহত্তম ওমলেটটি তৈরি করা হয়েছিল ২০১২ সালে। পর্তুগালের ফেরেইরা দো জেজেরেতে দেড়শ' রন্ধনশিল্পীর অংশগ্রহণে ওমলেটটি তৈরি করা হয়েছিল। বিশালাকার সেই ওমলেট তৈরিতে লেগেছিল এক লাখ ২৫ হাজার ডিম। ছয় ঘণ্টা ধরে তৈরি করা ওমলেটটির ব্যাস ছিল ১০ মিটার, ওজন ছিল সাড়ে ছয় টন।

ইস্টার উৎসব উদযাপনে ১৫ হাজার ডিমে দিয়ে তৈরি দৈত্যাকার ওমলেট!


 ইস্টার উৎসব উদযাপনে ফ্রান্সের বেজিয়ার্স শহরে তৈরি হয়েছে ১৫ হাজার ডিমের একটি ওমলেট। ১১ এপ্রিল ২০১৬ এ উৎসব উদযাপনে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন কয়েক হাজার মানুষ।  


ফ্রান্সের স্থানীয় দৈনিকগুলো সূত্রে টাইম জানিয়েছে, সরকারি ছুটির দিনে দৈত্যাকৃতির ওমলেটটি তৈরি হয়েছে প্রায় ১০ হাজার দর্শকের সামনে।

দক্ষিণ ফ্রান্সের শহরটির কেন্দ্রে বিশাল বড় একটি কড়াইতে ডিমের পুকুর তৈরি হয়ে গিয়েছিল। প্রায় অর্ধশত মানুষ বসে বসে ১৫ হাজার ডিম ভেঙে কড়াইতে ফেলেছেন। রন্ধনশিল্পীরা সেসব ডিম ভেঙে নেড়েচেড়ে মেশাতে চামচ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন কাঠের তৈরি বিশাল বিশাল লাঠি।

 

ইস্টার উৎসব উদযাপনে ১৫ হাজার ডিমে দিয়ে তৈরি দৈত্যাকার ওমলেট! ডিম ভাঙা থেকে শুরু করে কড়াইতে সমস্ত ডিম ও ওমলেট তৈরিতে ব্যবহৃত অন্যান্য উপকরণ মেশাতে এবং খাওয়ার জন্য ওমলেট পুরোপুরি প্রস্তুত হতে সময় লেগেছে দেড় ঘণ্টা। টানা আধা ঘণ্টা লেগেছে কড়াইতে ডিম ও সমস্ত উপকরণ মেশাতে। ওমলেট তৈরিতে তেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০ কেজি হাঁসের চর্বি, যা আগেই গলিয়ে রাখা হয়েছিল।

১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর ইস্টারের পরের সোমবার বেজিয়ার্সে ১৫ হাজার ডিম দিয়ে ওমলেট তৈরি করা হয়। এরপর এতে অংশ নেওয়া মানুষজন রুটি ও ডিমের ওমলেট ভাগাভাগি করে একসঙ্গে বসে খান। বেজিয়ার্সের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ধরে রাখতে এই ওমলেট তৈরির দায়িত্ব পালন করে ব্রাদারহুড বেজিয়ার্স নামের একটি সংগঠন।

প্রচলিত কাহিনী থেকে জানা যায়, ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চল দিয়ে সফরের সময় বেজিয়ার্সের একটি গ্রামে রাত কাটিয়েছিলেন সম্রাট নেপোলিয়ন ও তার সেনাবাহিনী। সেখানে স্থানীয় এক রন্ধনশিল্পীর তৈরি করা ওমলেট খেয়ে নেপোলিয়ন এতটাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন যে তিনি ওই এলাকার সমস্ত মানুষকে তাদের কাছে যত ডিম ছিল, সব নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। নির্দেশমতো গ্রামবাসী নেপোলিয়ন ও তার বাহিনীর জন্য পরদিন গ্রামের সমস্ত ডিম দিয়ে বিশাল একটি ওমলেট তৈরি করেছিলেন।

আর সেই ঘটনার স্মরণেই গত ৪৩ বছর ধরে এভাবে ইস্টার পালন করেন।

 

ইস্টার উৎসব উদযাপনে ১৫ হাজার ডিমে দিয়ে তৈরি দৈত্যাকার ওমলেট!অবশ্য এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওমলেট তৈরি ঘটনা নয়। গিনেস বুক অব রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বৃহত্তম ওমলেটটি তৈরি করা হয়েছিল ২০১২ সালে। পর্তুগালের ফেরেইরা দো জেজেরেতে দেড়শ' রন্ধনশিল্পীর অংশগ্রহণে ওমলেটটি তৈরি করা হয়েছিল। বিশালাকার সেই ওমলেট তৈরিতে লেগেছিল এক লাখ ২৫ হাজার ডিম। ছয় ঘণ্টা ধরে তৈরি করা ওমলেটটির ব্যাস ছিল ১০ মিটার, ওজন ছিল সাড়ে ছয় টন।

Post A Comment: