বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংরক্ষণ নিয়ে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে । একটি চক্র গুজব ছড়িয়ে নিজেদের স্বার্থে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

রোবাবার বিকালে সচিবালয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের সার্বিক অবস্থা জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

সংবাদ সম্মেলনে তারানা জোর দিয়ে বলেন, কোথাও কোনো ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংরক্ষণ করা হচ্ছে না। এটা গুজব। এ সময় টেলিযোগাযোগ সচিব ফায়েজুর রহমান বলেন, যিনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে চান না তার সিম কেনার প্রয়োজন নেই। সম্মেলনে জানানো হয়, দেশে ৬ লাখ এনআইডিতে ভুল আছে। সিম নিবন্ধনে এসব এনআইডির বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া প্রায় এক কোটি মানুষ যারা ভোটার কিন্তু এনআইডি হাতে পাননি তারা শুধু এনআইডি নাম্বার দিয়ে সিম নিবন্ধন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগ, মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। রোববার সংবাদ সম্মেলনের আগে প্রতিমন্ত্রী এই প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

উল্লেখ্য, বায়েমেট্রিক পদ্ধতিতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার মাধ্যমে মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধনের পর ফিঙ্গারপ্রিন্ট মোবাইল ফোন অপারেটররা সংরক্ষণ করছে বলে সাম্প্রতিক সময়ে মিডিয়াতে যে খবর বেরিয়েছে তার প্রেক্ষিতেই বিষয়টি সকলের নজরে আসে। অনেকে এ বিষয়ে প্রশ্নও তোলেন। এক আইনজীবী এ পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন বাতিল চেয়ে আদালতে রিটও করেছেন।

Post A Comment: