কয়েক বছর ধরে ফেসবুকে বাংলা সিনেমার প্রচারণা সাধারণ প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিনেমা মুক্তির আগে হরেকরকম পোস্টারে ছেয়ে যায় নির্মাতা, কলাকুশলীদের ওয়াল ও লাইক পেজ। এবার আপত্তির কারণে ফেসবুকে পোস্টার পরিবর্তন করলেন মুশফিকুর রহমান গুলজার। ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’র মাধ্যমে অনেকদিন পর সিনেমার পর্দায় ফিরছেন গুলজার। এতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দেখা যাবে পরী মনি ও শিরিন শিলাকে। তারা যমজ বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আইনজীবী চরিত্রে মৌসুমী ও বিচারকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক। সিনেমাটি মুক্তি পাবে ১ এপ্রিল। ২৭ মার্চ শেয়ার করা এক পোস্টারে দেখা যায় ‍পুলিশ লাথি মারছে। এমন দৃশ্যে অনেকে আপত্তি জানান। ইতোমধ্যে প্রকাশ হয়েছে চলচ্চিত্রটির ট্রেলার। বেশ কয়েকটি পোস্টারও দেখা গেছে নির্মাতার ফেসবুকে ওয়ালে। এর মধ্যে একটি পোস্টার সরিয়ে নিয়েছেন তিনি। নতুন একটি পোস্টার শেয়ার করে মঙ্গলবার তিনি লেখেন, ‘সংশোধিত পোস্টার। গত ২৭ মার্চ এই পোস্টারটি সবার জন্য উন্মুক্ত করেছিলাম। তবে এ পোস্টারটিতে পুলিশের লাথি মারার একটি শট ছিল। অনেকেই উক্ত শটটির বিষয়ে আপত্তি তুলেছে। সে কারণে দৃশ্যটি পরিবর্তন করে নতুনভাবে পোস্টারটি তৈরি করা হয়েছে। কেমন হয়েছে এ পোস্টারটি?’ সাম্প্রতিক সময়ে চলচ্চিত্রে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে উপস্থাপন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে নির্মাতাদের কাছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু সিনেমা দৃশ্য কর্তনের মাধ্যমে সেন্সর বোর্ডের চৌকাঠ পার হয়েছে। ২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর সেন্সর সনদ পায় ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’। প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’য় আরও অভিনয় করেছেন আফজাল শরীফ, আল মামুন, শামস সুমন, শহীদুল ইসলাম সাচ্চু, ইরফান সাজ্জাদ ও তানভীর।

  কয়েক বছর ধরে ফেসবুকে বাংলা সিনেমার প্রচারণা সাধারণ প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিনেমা মুক্তির আগে হরেকরকম পোস্টারে ছেয়ে যায় নির্মাতা, কলাকুশলীদের ওয়াল ও লাইক পেজ। এবার আপত্তির কারণে ফেসবুকে পোস্টার পরিবর্তন করলেন মুশফিকুর রহমান গুলজার।


‘মন জানে না মনের ঠিকানা’র মাধ্যমে অনেকদিন পর সিনেমার পর্দায় ফিরছেন গুলজার। এতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দেখা যাবে পরী মনি ও শিরিন শিলাকে। তারা যমজ বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। আইনজীবী চরিত্রে মৌসুমী ও বিচারকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক।

সিনেমাটি মুক্তি পাবে ১ এপ্রিল। ২৭ মার্চ শেয়ার করা এক পোস্টারে দেখা যায় ‍পুলিশ লাথি মারছে। এমন দৃশ্যে অনেকে আপত্তি জানান।

 



ইতোমধ্যে প্রকাশ হয়েছে চলচ্চিত্রটির ট্রেলার। বেশ কয়েকটি পোস্টারও দেখা গেছে নির্মাতার ফেসবুকে ওয়ালে। এর মধ্যে একটি পোস্টার সরিয়ে নিয়েছেন তিনি।



নতুন একটি পোস্টার শেয়ার করে মঙ্গলবার তিনি লেখেন, ‘সংশোধিত পোস্টার। গত ২৭ মার্চ এই পোস্টারটি সবার জন্য উন্মুক্ত করেছিলাম। তবে এ পোস্টারটিতে পুলিশের লাথি মারার একটি শট ছিল। অনেকেই উক্ত শটটির বিষয়ে আপত্তি তুলেছে। সে কারণে দৃশ্যটি পরিবর্তন করে নতুনভাবে পোস্টারটি তৈরি করা হয়েছে। কেমন হয়েছে এ পোস্টারটি?’

সাম্প্রতিক সময়ে চলচ্চিত্রে আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে উপস্থাপন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে নির্মাতাদের কাছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু সিনেমা দৃশ্য কর্তনের মাধ্যমে সেন্সর বোর্ডের চৌকাঠ পার হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর সেন্সর সনদ পায় ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’। প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম।

‘মন জানে না মনের ঠিকানা’য় আরও অভিনয় করেছেন আফজাল শরীফ, আল মামুন, শামস সুমন, শহীদুল ইসলাম সাচ্চু, ইরফান সাজ্জাদ ও তানভীর।

Post A Comment: