ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দুবার নিলামে উঠেও অবিক্রীত থেকে গিয়েছিলেন। কোনো দলই ‘প্রয়োজন’ মনে করেনি মার্টিন গাপটিলকে। একটু কি অহমে আঘাত লেগেছিল নিউজিল্যান্ড ওপেনারের? কে জানে! তবে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে এসে ঠিকই ভারতীয়দের নিজের ব্যাটিংয়ে মোহিত করে যাচ্ছেন ২৯ বছর বয়সী কিউই ব্যাটসম্যান। সুপার টেনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে অবশ্য বেশি কিছু করতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় ম্যাচে ঝোড়ো ৩৯ দিয়ে নামের মান রাখা, আর কাল পাকিস্তানের বিপক্ষে পুরো আপন আলোয় উদ্ভাসিত হওয়া। তাঁর ৪৮ বলে ৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করেই পাকিস্তানকে ২২ রানে হারিয়ে দিল নিউজিল্যান্ড। প্রথম দল হিসেবে নিশ্চিত করল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালও। আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮০ রান তুলেছিল কিউইরা। জবাবে পাকিস্তান থেমে গেছে ৫ উইকেটে ১৫৮ রান করেই। এ হারের পরেও অংকের হিসেবে পাকিস্তানের সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা টিকে আছে। তবে সেটি নির্ভর করছে অনেক ‘যদি’ আর ‘কিন্তু’র ওপর। তাড়া করতে নেমে অবশ্য পাকিস্তানের ‘গাপটিল’ হয়ে ওঠার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন ওপেনার শারজিল খান। দুজনের নামের ছন্দে মিল আছে, কাল মিল ছিল ব্যাটের ছন্দেও। বাঁহাতি ওপেনারের ব্যাটে ভর করে লক্ষ্যের দিকে ‘উসাইন বোল্ট’ গতিতে ছুটছিল পাকিস্তান। কিন্তু ২৫ বলে ৪৭ রান করে শারজিল আউট হওয়ার পরেই খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। আস্কিং রানরেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে পিছিয়ে যায় অনেক। আগের দুই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে জয় এসেছে, এই ম্যাচেও তাই একই দল নিয়ে নেমেছে নিউজিল্যান্ড। মিল আরও আছে, টানা তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিলেন কেন উইলিয়ামসন। আরও একবার গাপটিলের সঙ্গে মিলে সিদ্ধান্তটাকে সঠিক প্রমাণ করলেন কিউই অধিনায়ক। দুজন মিলে উদ্বোধন করেছেন, এ নিয়ে এমন সর্বশেষ ১০টি টি-টোয়েন্টির ৮টিতেই পঞ্চাশ পেরোনো জুটি গড়লেন উইলিয়ামসন-গাপটিল। উইলিয়ামসন আউট হওয়ার আগে ৭.২ ওভারে জুটিতে এসেছে ৬২ রান। উইলিয়ামসন অবশ্য ওয়ানডে ধরনে ২১ বলে করেছেন ১৭ রান। সেটিই হয়তো দুই শর প্রতিশ্রুতি দেখানো নিউজিল্যান্ডের ইনিংসকে আটকে রাখল ১৮০-তে। ৭ থেকে ১০—এই চার ওভারে এল ২৬ রান। তবু এতটুকুও যে এসেছে, তার মূলে গাপটিলের ১০ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি। সঙ্গে অবশ্য টেলর-রনকি-অ্যান্ডারসনদেরও কৃতিত্ব দিতে হবে। শেষ পাঁচ ওভারে নিয়েছেন ৫৩ রান। এর বেশি ধকল পোহাতে হয়েছে অবশ্য মোহাম্মদ আমিরকেই। ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়েছেন বাঁহাতি পেসার, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর সবচেয়ে বেশি। পাকিস্তানের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন অধিনায়ক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ সামি।

 

ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দুবার নিলামে উঠেও অবিক্রীত থেকে গিয়েছিলেন। কোনো দলই ‘প্রয়োজন’ মনে করেনি মার্টিন গাপটিলকে। একটু কি অহমে আঘাত লেগেছিল নিউজিল্যান্ড ওপেনারের?

 


কে জানে! তবে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে এসে ঠিকই ভারতীয়দের নিজের ব্যাটিংয়ে মোহিত করে যাচ্ছেন ২৯ বছর বয়সী কিউই ব্যাটসম্যান। সুপার টেনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে অবশ্য বেশি কিছু করতে পারেননি। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় ম্যাচে ঝোড়ো ৩৯ দিয়ে নামের মান রাখা, আর কাল পাকিস্তানের বিপক্ষে পুরো আপন আলোয় উদ্ভাসিত হওয়া। তাঁর ৪৮ বলে ৮০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করেই পাকিস্তানকে ২২ রানে হারিয়ে দিল নিউজিল্যান্ড। প্রথম দল হিসেবে নিশ্চিত করল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালও।


আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮০ রান তুলেছিল কিউইরা। জবাবে পাকিস্তান থেমে গেছে ৫ উইকেটে ১৫৮ রান করেই। এ হারের পরেও অংকের হিসেবে পাকিস্তানের সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা টিকে আছে। তবে সেটি নির্ভর করছে অনেক ‘যদি’ আর ‘কিন্তু’র ওপর।


তাড়া করতে নেমে অবশ্য পাকিস্তানের ‘গাপটিল’ হয়ে ওঠার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন ওপেনার শারজিল খান। দুজনের নামের ছন্দে মিল আছে, কাল মিল ছিল ব্যাটের ছন্দেও। বাঁহাতি ওপেনারের ব্যাটে ভর করে লক্ষ্যের দিকে ‘উসাইন বোল্ট’ গতিতে ছুটছিল পাকিস্তান। কিন্তু ২৫ বলে ৪৭ রান করে শারজিল আউট হওয়ার পরেই খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। আস্কিং রানরেটের সঙ্গে পাল্লা দিতে গিয়ে পিছিয়ে যায় অনেক।


আগের দুই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে জয় এসেছে, এই ম্যাচেও তাই একই দল নিয়ে নেমেছে নিউজিল্যান্ড। মিল আরও আছে, টানা তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিং নিলেন কেন উইলিয়ামসন। আরও একবার গাপটিলের সঙ্গে মিলে সিদ্ধান্তটাকে সঠিক প্রমাণ করলেন কিউই অধিনায়ক। দুজন মিলে উদ্বোধন করেছেন, এ নিয়ে এমন সর্বশেষ ১০টি টি-টোয়েন্টির ৮টিতেই পঞ্চাশ পেরোনো জুটি গড়লেন উইলিয়ামসন-গাপটিল। উইলিয়ামসন আউট হওয়ার আগে ৭.২ ওভারে জুটিতে এসেছে ৬২ রান। উইলিয়ামসন অবশ্য ওয়ানডে ধরনে ২১ বলে করেছেন ১৭ রান।


সেটিই হয়তো দুই শর প্রতিশ্রুতি দেখানো নিউজিল্যান্ডের ইনিংসকে আটকে রাখল ১৮০-তে। ৭ থেকে ১০—এই চার ওভারে এল ২৬ রান। তবু এতটুকুও যে এসেছে, তার মূলে গাপটিলের ১০ চার ও ৩ ছক্কার ইনিংসটি। সঙ্গে অবশ্য টেলর-রনকি-অ্যান্ডারসনদেরও কৃতিত্ব দিতে হবে। শেষ পাঁচ ওভারে নিয়েছেন ৫৩ রান। এর বেশি ধকল পোহাতে হয়েছে অবশ্য মোহাম্মদ আমিরকেই। ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়েছেন বাঁহাতি পেসার, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর সবচেয়ে বেশি। পাকিস্তানের হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন অধিনায়ক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ সামি।

Post A Comment: